জাতীয় পার্টির প্রধান হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ বছর খানেক ধরে বার বার বলছেন, মহাজোট থেকে বেরিয়ে যাবেন বেরিয়ে যাচ্ছি। তাহলে প্রশ্ন, তিনি মহাজোট ছাড়ছেন না কেন। কেনইবা ছাড়াচ্ছেন না তাঁর ভাইয়ের মন্ত্রীত্ব। মহাজোট ছাড়েন না, আবার বলেন মহাজোট ছাড়বেন- এরকম ভাব সাব দেখিয়ে কেনইবা নিজেকে করছেন বিতর্কিত! ইদানীং আবার তিনি বলছেন, বিএনপি নির্বাচন না করলে নির্বাচনে অংশ নেবেন না। আবার কদিন আগে বলেছিলেন, বিএনপি না এলেও ৩০০ আসনে মনোয়ন দেবেন। আসলে ইদানীং তাঁর কথাবার্তা শুনে মনে হয়, তিনি হয়তো সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন। এ ভাবে উল্টাপাল্টা কথাবার্তা বলে নিজেকে কেন তিনি হাস্যকর করে তুলেছেন! আমরা কী ভুলেছি, তিনি একদা ছিলেন স্বৈর শাসক সে খেতাব ঘুচাতে পারেননি এখনও। বেশতো স্বৈর শাসক থেকে গণতন্ত্রের পথে এসেছেন- তাহলে বার বার মত পরিবর্তন করছেন কোন আশায়! কেনইবা ভুগছেন আদর্শহীনতায়। আমরা সে কথাইবা ভুলবো কেমনে, তিনি সিএমএল এ থেকে রাষ্টপতির পদ দখল করে বসেছিলেন। তখন অনেকেই পরিহাস করে সিএমএল এর মানে করতেন, ‘ক্যানসেল মাই লাষ্ট এনাউন্সমেন্ট’। অর্থাত্ তখনও তাঁর কথার কোনো ঠিক ছিল না। সকালে এক কথা বিকালে আরেক কথা। এখন দেখি তাঁর সেই প্রবণতা আরও বেড়েছে। উল্টা পাল্টা কথাবার্তা মিডিয়ায় বলে নিজেকে ছোট করে কীইবা লাভ পান! শুভ বুদ্ধির উদয় কী হবে না?
কামাল আহমেদ
ভাদেশ্বর, সিলেট
এই সরকারের অধীনেই বিএনপি ও ১৮ দলীয় জোট আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। কারণ রাজনীতিবিদদের নিকট নির্বাচনের বিকল্প কিছু নেই। আর আগামী নির্বাচনের ব্যাপারে বিরূপ মনোভাব দেখা দিলে বিরোধীদলই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আমার ধারণা। দেশের মানুষ সুষ্ঠু নির্বাচন ও শান্তি চায়।
মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী
১৭ ফরিদাবাদ, গেণ্ডারিয়া, ঢাকা
এই সরকার যেভাবে নির্বাচন চাচ্ছে সেটা হলো জোর করে আবার ক্ষমতায় আসার পাঁয়তারা। জনগণ এটা মেনে নেবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দিতে হবে।
সৈয়দ হায়দার আলী
মহাখালী, ঢাকা
এই দ্বিমুখী অবস্থানের ফলে দেশ মহাসংকটে পড়বে। সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে এবং দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কথা চিন্তা করে দুই দলকে আলোচনায় বসে সমঝোতায় আসতে হবে। জনগণই ক্ষমতার উত্স, তাই জনগণ যাকে ভোট দেবে সেই জয়ী হবে।
মো. কামরুল ইসলাম
নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া
একদলীয় নির্বাচন সরকার যদি করে তাহলে জনগণই তা প্রতিহত করবে।
মহসিন
খুলনা
এখন গ্রামের মানুষও মিডিয়ার সুবাদে অত্যন্ত রাজনৈতিক সচেতন। তারা মনে করেন তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন হলে সে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে না। এক তরফা নির্বাচন করতে চাইলে জনগণ আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত হবে। এতে দেশের ভবিষ্যত্ খুব ভয়ানক হবে। এ ধরনের নির্বাচনে সত্যিই বিএনপি যেতে পারে না।
এম. আজিজুর রহমান
ধনবাড়ি, টাঙ্গাইল
সরকার ও বিরোধী দলের মনে মনে সদিচ্ছা, আন্তরিকতা থাকলে আগামী নির্বাচন নিয়ে বিদ্যমান সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। সমাধান করতে চাইলে দুই দলকেই একত্রে বসতে হবে।
মে. রাশেদুল ইসলাম (রুবেল)
নিশিন্দারা মধ্যপাড়া, বগুড়া
আমরা দেখে আসছি যে প্রতি সরকারের মেয়াদ শেষে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। হানাহানি, রক্তপাত, প্রাণহানি ঘটে- তাতে রাজনৈতিক দলগুলোর চেয়ে দেশ ও জনগণের এবং গণতন্ত্রের ক্ষতিই হয় সবচেয়ে বেশি। সুতরাং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে বক্তব্য রেখেছেন তা অতি মূল্যবান।
মো. মোজাহারুল ইসলাম
সাভার, ঢাকা
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠিকই বলেছেন। প্রশাসন এখন সম্পূর্ণ সরকারের অধীনে। এ অবস্থাতে আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ চিন্তিত। তাই আমরা মনে করি প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতা হস্তান্তর করে অচিরেই নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দেবেন।
এম এম কে এ রাজা
মতিঝিল, ঢাকা
সংঘাতটা অনিবার্য হয়ে যাচ্ছে। আমি মনে করি এই সংঘাতটা প্রধানমন্ত্রীর অনমনীয়তার জন্যই এখনো সময় আছে এ অনমনীয়তা পরিবর্তনের।
রবিউল গণি
দিনাজপুর
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে বক্তব্য রেখেছেন সেটার সাথে একমত হতে পারছি না। বর্তমান সরকারের আমলে কিছুদিন পূর্বে ৫ সিটি নির্বাচনে জয়ী হয়েছে। বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে- কোন মতেই বিশৃঙ্খল হবে বলে আমি মনে করি না।
এস কে মোহাম্মদ রমিজউদ্দিন
মিরপুর-২, ঢাকা
আমি মনে করি কোন সংসদীয় গণতন্ত্রের দেশে সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন হয় না। এখানে দু’নেত্রী একে অপরের সাথে কথা বলে না এবং মুখোমুখি হয় না। যেখানে বিশ্বাস নেই সেখানে লেভেল প্লেইন ফিল্ড তৈরি করা না হলে সে নির্বাচন কারোর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। অন্যদিকে সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন দিলে সেটা হবে অসম নির্বাচন।
আনিসুজ্জামান আরজু, বনানী, ঢাকা
আগামী জানুয়ারিতেই দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রীর এই স্পষ্ট ঘোষণায়। সংলাপ-সমঝোতা সবকিছু গৌণ হয়ে গেল; অন্যদিকে ১৮ দলীয় জোট কোন দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না এটাও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে। তাহলে কী হবে আসন্ন নির্বাচনে? জনগণ এখন দুই দলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।
হাসান মোহাম্মদ হোসাইন চৌধুরী
কবিরহাট, নোয়াখালী
অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে লাগে স্বাধীন নির্বাচন কমিশন। আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ যে কোন নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে স্বাধীন শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠন করে জাতীয় উপনির্বাচন সিটি নির্বাচন করেছে। যখন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে প্রস্তুত হচ্ছে তখন বিএনপির মহাসচিব বলছেন, তারা নির্বাচনে অংশ নেবে না। জনগণ এ সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় নির্বাচন চাচ্ছে। কেননা জনগণ পিঠে চাবুক খেয়েছে, পায়নি ভাত। বিএনপি-জামায়াত জোট থাকাকালে জনগণ ভোট প্রয়োগে নিরাপত্তা পায়নি।
ফারুক আহমেদ
বাগমারা, রাজশাহী
আমাদের দেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের কাছে যে কোন বিষয়ে পরমতসহিষ্ণুতা ও প্রকৃত গণতন্ত্র চর্চা প্রত্যাশা করি। যা করলে দেশের জনগণের মঙ্গল হয়, দেশ সুন্দর হয় সেদিকেই উভয় দলের মনোযোগ দেয়া দরকার।
নীলুফা আক্তার
টোলারবাগ, মিরপুর, ঢাকা
বিএনপির অবিচল থাকা উচিত। কেননা আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচনে গিয়ে যদি বিএনপি ক্ষমতায় না আসতে পারে তাহলে পরবর্তী ৫ বছর বিএনপির অস্তিত্ব খুব শোচনীয় ও হুমকির মুখোমুখি হবে।
আনিসুর রহমান
জামালপুর
দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়। গত ৫টি সিটি নির্বাচনে এরই প্রমাণ দেখা গেছে। এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের দাবিতে বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলামের এই উক্তিতে জনগণ বিভ্রান্ত হবে না। কিন্তু কারণ ৫টি সিটি নির্বাচনে জনগণ অংশগ্রহণ করে তারা প্রমাণ করেছে- জনগণ নির্বাচন চায়। আগামী নির্বাচনে যাতে জনগণ অবাধে অংশগ্রহণ করতে পারে সেজন্য বিরোধী দলের সহযোগিতা ও ভূমিকা রাখা আবশ্যক।
শাহ মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন হিরো
কালিহাতি, টাঙ্গাইল
সংসদ রেখে নির্বাচন সম্ভব। কারণ বর্তমানে নির্বাচন কমিশন বিগত কয়েকটি স্থানীয় নির্বাচনে তাদের সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন। উন্নত দেশের মত আমাদের দেশেও সংসদ রেখেই নির্বাচন হোক। ১/১১-এর মত অগণতান্ত্রিক সুযোগ যেন আমাদের দেশে আর না আসতে পারে সেজন্য সংসদ রেখেই নির্বাচন করা উচিত।
মো. কবিরুল আজাদ
কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শেষ পর্যন্ত মনে হয় ১৮ দলীয় জোট তাদের যে অবস্থানে আছে সেটাতে অবিচল থাকতে পারবে না।
লিটন কুমার সাহা
২২ পুরানা পল্টন, হাউজ বিল্ডিং, ঢাকা
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন। ১৮ দলীয় জোট কোন দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না। রাজনীতিক, জাতিসংঘ, বিদেশি কূটনীতিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সংলাপের ওপর বার বার গুরুত্ব আরোপ করেছেন। আমার মতে, সেদিকেই যাওয়া দরকার।
মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)
আরামপুর, ঝিনাইদহ
বর্তমান সংসদ বহাল রেখে জনগণ কোনদিনই নির্বাচন মানবে না। এটা সম্পূর্ণভাবে অসাংবিধানিক ও অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপ। সকল দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি ব্যাপকভিত্তিক জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। এজন্য নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অবিলম্বে সংবিধানে সংযোজন করতে হবে। তা না হলে কোনভাবেই নির্বাচন হওয়া সম্ভব নয়।
রবিউল হুসাইন রবি
হাতিরপুল, ঢাকা
সংবিধানের দোহাই দিয়ে কোন লাভ নেই। দেশ ও জাতির স্বার্থে রাজনৈতিক সংঘাত, হানাহানি এড়াতে প্রয়োজনে আবারো সংবিধান সংশোধন করা সম্ভব। জনগণও তাই আশা করছে।
বজলুল করিম
ধানমন্ডি, ঢাকা
এদেশের মানুষ দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চায় না। ৫টি সিটি নির্বাচনের ফলাফলে সরকার বুঝে গেছে তারা আর নির্বাচনে জিততে পারবে না। তাই তারা দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মো. ফারুক আলম
মালিবাগ, ঢাকা
আমরা মনে করছি, বিরোধী দলের এখন দুই/তিনটি পথ আছে। এক. নির্বাচন বর্জন করা, দুই. আলোচনার পথে যাওয়া, তিন দাবি আদায়ে সরকারকে বাধ্য করা। এজন্য সরকার প্রধানের একগুঁয়েমি ও গোয়ার্তুমি দায়ী অনেকটা।
মারুফুজ্জামান মারুফ
খিলগাঁও, ঢাকা
আমার মতামত হচ্ছে পরিস্থিতি এত জটিল ও কঠিন করার কিছু নেই। আশা যদি সুন্দর থাকে তাহলে নির্বাচন সহজেই হয়ে যাবে এবং তা স্বচ্ছ ও সব দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফল হবে। তারা যদি বিএনপির মতো বোকামি করে, ইচ্ছা না থাকলেও অসম্মানজনক পরিস্থিতিতে পড়বেন, অতঃপর তাদের সম্মান ও জনগণের শ্রদ্ধা হারাবেন।
মুশফিকুল ইসলাম
মগবাজার, ঢাকা
১৮ দলীয় জোট আসন্ন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না বলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, তা মোটেও যুক্তিযুক্ত হয়নি। কারণ এজন্য বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া ইতিপূর্বে তাঁর বহু ভাষণে উল্লেখ করেছেন যে, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে তাঁরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। হতে পারে সেটা তত্ত্বাবধায়ক কিংবা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এটাকে যে নামেই ডাকা হোক না কেন, আসলে মূলত এর অর্থ একই। অন্যদিকে এর কাজকর্ম একই। অর্থাত্ অতি ছোট আকারের মন্ত্রিসভা গঠনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে সর্বতোভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করার জন্য সব ধরনের সাহায্য ও সহযোগিতা করা। তা না হলে দেশের সকল প্রকার শাসনযন্ত্রই বিকল হয়ে যাবে। বিরোধী দল যদি দেশের ক্রান্তিলগ্নে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তবে জনগণের সাপোর্ট অনেক কমে যাবে। আমি আশা করি, বিগত ৫টি সিটি নির্বাচনে তারা অংশগ্রহণ করে যে অবদান রেখেছে, আগামীতেও জাতীয় নির্বাচনে একইভাবে অংশগ্রহণ করুক।
মো. হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী (হিফজু)
হাউজিং স্টেট, রাজশাহী ৬০০২
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সংসদের মেয়াদ শেষে ৯০ দিনের মধ্যে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি ঠিকই বলেছেন। কেন না ৫টি সিটির নির্বাচনে কি সুফল হয়নি বিএনপির। তবে কেন তাদের এতো উত্কণ্ঠা?
আবদুল মালেক মিয়া
মিরপুর, ঢাকা
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব যে মন্তব্য করেছেন তার সাথে আমি একমত।
আবদুল মতিন
মতিঝিল বা/এ, ঢাকা
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের সাথে আমি একমত। সংবিধানে যা আছে সেভাবেই নির্বাচন হতে দোষ কোথায়? কেন উদ্বেগ-উত্কণ্ঠার মধ্যে সবাই আজ? কেন আমরা ভুলে যাচ্ছি, ৫টি সিটির নির্বাচনের জয়ের কথা।
মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন সেলিম
শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা
১৮ দলীয় জোট যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার সাথে আমি একমত পোষণ করছি।
আবদুল মান্নান
বাঞ্ছারামপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
আমাদের দেশের সংস্কৃতি হচ্ছে কেউ কাউকে বিশ্বাস না করা। বিগত নির্বাচনগুলোতে এ ধরনের নির্বাচনের প্রাক্কালে অনেক সহিংস ঘটনা ঘটে থাকে। গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ঘটনাগুলো আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। সেই প্রেক্ষাপটে আমি বলতে চাই, সে ধরনের পরিস্থিতি যাতে না হয়। এজন্য সংবিধান অনুযায়ী দুই নেত্রী একসঙ্গে বসে একটা সমাধান করবেন।
মো. ইলিয়াস
চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা
সরকারি দল আজ কথায় কথায় সংবিধান ও উন্নত দেশের দোহাই দিচ্ছে। গত ৫ বছরে এ সরকার তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার বলে সংবিধান নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী পরিবর্তন করেছে অনেক বার। সংবিধানের মত গুরুত্বপূর্ণ বিধান পরিবর্তনের জন্য কখনো কোন জনমত জরিপের প্রয়োজন মনে করেননি, মনে হয় যেন সংবিধান তাদের নিজস্ব সম্পত্তি। আর গণতন্ত্রের সূতিকাগার ইংল্যান্ড ও ভারতের মত রাষ্ট্রেও সংসদ ভেঙেই নির্বাচন হয়। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রকাশ্যেই বলে বেড়াচ্ছেন নির্বাচন বিঘ্নিত কিংবা বিলম্বিত হলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীই দেশ চালাবেন, কাজেই নির্বাচন নিয়ে তাদের তো কোন মাথাব্যথাই নেই। নির্বাচন হলে ভাল, না হলে আরো ভাল। জনগণের চাওয়ার কাছে তাদের এই একগুঁয়েমি আদৌ টিকবে কিনা জানি না। তবে সরকারের মনে রাখা উচিত জনগণের জন্য সংবিধান, সংবিধানের জন্য জনগণ নয়।
ডা. মর্জিনা আক্তার
বারিধারা পাইলস কিউর সেন্টার,
গুলশান, ঢাকা
দুই বৃহত্ রাজনৈতিক দলের মধ্যে যে ধরনের বৈপরিত্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে তাতে সংসদ বহাল রেখে সংসদ নির্বাচন করলে দেশ এক ভয়াবহ অবস্থার দিকে ধাবিত হবে এতে কোন সন্দেহ নেই। এ দেশের জনগণের মধ্যে সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধনের যে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বিশ্বে সমাদৃত ছিল তা আজ বিভাজিত। রাজনীতিবিদরা সমাজ ও রাষ্ট্রকে দুই ভাগে বিভক্ত করে ফেলেছে। এই ধরনের এক ভয়াবহ পরিস্থিতি যখন বিরাজমান ঠিক তখন সংসদ রেখে নির্বাচন করা কতটা কঠিন তা সহজে বোধগম্য। তাছাড়া সংসদ সদস্যরা সরকারি প্রটোকল ব্যবহার করে যখন প্রচারণায় নামবেন তখন অন্যদের জন্য তা কতটুকু সমান সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করতে সক্ষম হবে তাও প্রশ্নের দাবি রাখে। বিএনপির মত বৃহত্ দল এই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ কারণ সংসদে তাদের আসন খুবই সীমিত, তাই তাদের প্রার্থীরা স্বাভাবিকভাবেই সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।
মো. রেজাউল করিম
কাজলা, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা ১২৩৬
দেশের জনগণ সবার অংশগ্রহণে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়। সরকার ও বিরোধী দলসহ যেসব দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে তাদের সবাইকে নিয়ে একটি জাতীয় সংলাপ হওয়া জরুরি। সেই সংলাপেই এসব বিতর্কের অবসান হওয়া উচিত। অন্যথায় চাপিয়ে দেয়া সিদ্ধান্তে একতরফা নির্বাচন হলেও তা অতি অল্প দিনেই মুখ ধুবড়ে পড়তে বাধ্য। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা তা সহজেই বুঝতে পারি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদ বহাল রেখেই আগামী ২৪ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হবে বলে যে ঘোষণা দিয়েছেন তা সংবিধান সম্মত হলেও বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সাথে একদম সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বার বার সংবিধানের দোহাই দেয়া হচ্ছে। তাহলে দেশের জন্য সংবিধান না সংবিধানের জন্য দেশ?
মো. আবদুল্লাহ আল মামুন
সারিয়াকান্দী, বগুড়া
সংসদ বহাল রেখে জাতীয় নির্বাচন জনস্বার্থবিরোধী। একদিকে চলমান সংসদের এমপি সাহেবরা স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং অন্যদিকে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে আবার এমপি নির্বাচিত হবেন; এই নির্বাচন ব্যবস্থা জনগণ মানবে কি মানবে না এটাই এখন মুখ্য বিষয়। কেননা দলীয় সরকারের আধীনে নির্বাচন হলে ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা তাদের প্রভাব বিস্তার করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালায় যার দায়ভার জনগণকে নীরবে সহ্য করতে হয়। আর ১৮ দলীয় জোটের বর্তমান কার্যকলাপ থেকে এখনও মনে হয় না যে তারা তাদের অবস্থানে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারবে! কেননা তারা বিরোধী দল হিসাবে এখন পর্যন্ত কোন রাজনৈতিক দাবিই আদায় করতে পারেনি।
মো. ইয়াছিন উদ্দিন
বিএসসি অনার্স ৩য় বর্ষ
ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ,
সরকারি শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী কলেজ, ঢাকা
সংসদ রেখে নির্বাচন নয়— এর পক্ষে আমি।
মোহাম্মদ আহমেদ
মিরপুর
সংসদ রেখেই নির্বাচন হওয়া উচিত।
বাবুল দেবনাথ
নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বর্তমানে জোট সরকার বিভিন্ন সময়ে বিরোধী দলের এবং অরাজনৈতিক সংগঠনসমূহের বিভিন্ন দাবি আদায়ে মিটিং-মিছিল চলাকালীন যদি গণতন্ত্রিক পন্থায় তাদের প্রতি আচার-আচারণ করতো তবে আমি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বর্তমান দাবির প্রতি কখনো একমত পোষণ করতাম না। বর্তমান সরকার নিজেরাই নিজেদের অহেতুক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। বিএনপি ও আঠারো দলীয় জোট তাদের দাবির প্রতি যদি শেষ পর্যন্ত অবিচল না থাকে তবে ভাববো ডাল মে কুচ কালা হ্যায়, চল ভাই ভাগাভাগি করে খাই।
মো. লুত্ফর রহমান
এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা
১৮ দল নির্বাচনমুখি দল। নির্বাচন করেই তো তারা ক্ষমতায় এসেছে গণতন্ত্রের ভিত্তিতে। তাই সম্ভবত যদি প্রধানমন্ত্রীকে ব্যতিরেকে অন্য কাউকে করা হয় তাহলে তারা নির্বাচনে যাবে।
সোহরাব হোসেন হাওলাদার
শান্তনগর, মাদারীপুর
বিএনপি নির্বাচনে শেষ মুহূর্তে হলেও অংশগ্রহণ করবে। অন্তত তৃণমূলের কর্মীদের চাপে হলেও।
বিলকিস আরা বেগম
উত্তর বাসাবো, খিলগাঁও, ঢাকা
বিএনপি তাদের অবস্থানে শেষ পর্যন্ত অবিচল থাকবে। কারণ বিএনপি প্রধান বিরোধী দল, তাদের অনেক জনসমর্থন আছে এবং সবচেয়ে বেশি নির্বাচিত দল এটি। তাই বিএনপির অনুপস্থিতিতে নির্বাচন অসম্ভব। বিএনপিও জনগণের চাওয়া অনুযায়ী নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে বাধ্য করবে সরকারকে— শেষ পর্যন্ত সরকার তাই করবে।
ইবান রসিদ
কাওয়াইত, শ্রীপুর, গাজীপুর
যেহেতু জনগণের জন্য সরকার। তাই জনগণের কথা চিন্তা করতে হবে। শান্তিপ্রিয় জনগণ ভোটের সময় ভোট দেয়। তাই যেভাবে দুই দল কাদা ছোড়াছুড়ি করছে, তাতে মনে হয় সঠিকভাবে নির্বাচন হবে না। যে কোন জেলায় জরিপ করে সরকার দেখুক কিভাবে নির্বাচন হবে।
মো. শরীফ সরকার
মালিবাগ, ঢাকা
নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া যাবে না ১৮ দল— একথা বারবার বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। অপরদিকে নির্বাচনে কে এলো না এলো এ নিয়ে সরকার একটুও চিন্তিত নয়, সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় এসব কথা বলা হয়েছে। অধিকন্তু আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে ২৪ জানুয়ারির মধ্যে যে কোন দিন জাতীয় নির্বাচন হবে এ কথাও সরকার বলেছে। প্রশ্ন হলো, নির্বাচন জনগণ চায় এবং সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হোক এটা জনগণের প্রত্যাশা। এই প্রত্যাশার অপমৃত্যু ঘটিয়ে নির্বাচন হলে জনগণের জন্য তথা দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে বলে মনে হয় না।
ওয়াহিদ মুরাদ
নেছারাবাদ, পিরোজপুর
দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের পাল্টা-পাল্টি মত প্রকাশের কারণে আমাদের মত সাধারণ মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত তাদের মতের সাথে একমত পোষণ করতে গিয়ে আমাদের অনেকেরই প্রাণ দিতে হয়েছে। কিন্তু মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কোন আত্মীয় আমরা দেখতে পাইনি কোন ঘটনায় নিত হয়েছেন।
এম এন আবদুর রাজ্জাক
ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। সংসদের কার্যক্রম ৯০ দিনের আগেই বন্ধ হবে। তবে কয়েক জন মন্ত্রী নিয়ে একটি কমিটি থাকবে, তাদের দায়িত্ব থাকবে দেশের চলমান প্রকল্পের কার্যক্রম দেখাশোনা। তবে নতুন প্রকল্পে হাত দিতে পারবেন না। তাহলে সংসদ থাকছে না কিভাবে হলো? জনগণ সংবিধান অনুযায়ী ভোট দেবে। প্রধান বিচারপতি এবং নির্বাচিত কমিশনার দায়িত্ব নিয়ে দেখবেন। তাহলে জনগণের ভোট দেয়া না দেয়া তাদেরই বিষয়। নির্বাচন মানবে না একজন সুস্থ নাগরিক বলতে পারে না। জনগণ চায় ন্যায়সঙ্গত ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন হোক।
আশা এলিজাবেত গমেজ
লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা-১১০০
সংসদ রেখে নির্বাচন নয়। সংসদই যদি থাকে তাহলে তো প্রধানমন্ত্রীর হাতে ক্ষমতা থাকে। তাহলে সম্পূর্ণ প্রশাসনের ক্ষমতা তার উপর থাকবে। প্রত্যেক অফিসে দলীয় লোক রয়েছে। প্রথমত প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে এবং নির্দলীয় ব্যক্তির কাছে ক্ষমতা দিতে হবে। যদি না হয়, তাহলে দেশ হবে মিশরের মতো। তাই সরকারের উচিত নির্দলীয় সরকারের অধীনে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।
মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন
৩৭/১৬ রিং রোড,
শ্যামলী, ঢাকা
এ সরকারের অধীনে নির্বাচন ঠিক হবে না। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে উক্তিটি করেছেন তার সাথে আমি একমত।
কামাল হোসেন
নারায়ণগঞ্জ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের কথার সাথে একমত। যারা এমপি যারা সংসদে নিয়োজিত, তারা সবাই থাকা সত্ত্ব্বেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। কিন্তু বিরোধী দলের প্রার্থীরা তাদের কোন সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে না। কাজেই যেসব কেন্দ্রে নির্বাচন হবে সেসব কেন্দ্রে সরকার দলীয় লোকের তত্ত্বাবধায়ক বেশী থাকবে। বিরোধী দলের লোকেরা নিজেদের ইচ্ছে অনুযায়ী কেন্দ্রে গিয়ে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবে না।
কাজী মোহাম্মদ ফয়েজুল ইসলাম
চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা
বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট জরুরি বৈঠক করে গত মঙ্গলবার জানিয়ে দিয়েছেন— বিদ্যমান কাঠামোর মধ্যে তথা বর্তমান সরকারের অধীনে তারা নির্বাচন অংশ নেবে না। সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন জনগণ মানছে না, মানবে না।
মো. সেলিম
মহাখালী, ঢাকা
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে আমি একমত। বর্তমান সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন জনগণ মানছে না, মানবে না, মানবে না। এটাই সত্য।
অ্যাডভোকেট হামিদুর রহমান
টাঙ্গাইল
অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সব দলকে ঐকমত্যে আসতে হবে বলে মনে করেন রাজনৈতিক দলের নেতারা। ১৮ দলীয় জোট স্পষ্টভাবে বলেছেন তারা কোন দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না। তাদের সংসদ বহাল রেখেই নির্বাচন করতে হবে। এটাই তাদের এখন প্রত্যাশা। কিন্তু জনগণ তা মেনে নেবে না।
মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহীদ উল্লাহ
ফেনী
সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন করার প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় দেশের রাজনীতিতে আবার উত্তাপ ছড়াচ্ছে। বিএনপি যদি এই নির্বাচনে অংশ না নেয় তার ফলাফল কী হতে পারে সেটাও আজ ভাবনার বিষয়।
হোসনে আরা করিম
এনায়েতগঞ্জ লেন, ঢাকা।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে আমরা আশা করছি প্রধানমন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের চিন্তায় পরিবর্তন আসবে। তারা নতুন উপলব্ধিতে সবার অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বিরোধী দলের সঙ্গে সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসবেন।
লাডলা
পিলখানা, ঢাকা
মানুষ চায় এখন শান্তিতে থাকতে। ভোটের মাধ্যমে সরকার কায়েম। তাই একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিকল্প নেই।
শফিউর রহমান
বনানী, ঢাকা
বিএনপি ১৯৯৬ সালে প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে এক তরফা নির্বাচন করেছিল, কিন্তু তারা ১ মাসও ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। এই কঠিন ও ঐতিহাসিক সত্যটি বর্তমান সরকারকেও উপলব্ধি করতে হবে। তাই আমরা আশা করছি বিএনপি যে সংসদ রেখে নির্বাচনের কথা বলেছেন তাতে শেষ পর্যন্ত তারা অবিচল থাকবে।
শিশির
আজিমপুর, ঢাকা
নির্বাচন কীভাবে হবে— এ নিয়ে আমরা ভাবি না। বোকায়ও বোঝে, বিরোধী দল কী করে ক্ষমতায় গিয়ে হাওয়া-বাতাস ভবন বানিয়ে লুটপাট করবে! তাই তাদের কোনো আন্দোলনে জনগণ সমর্থন জানিয়ে আর পস্তাতে চায় না।
রাজু, রাম, জাভেদ,
অষ্টগ্রাম, কিশোরগগঞ্জ
