দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী রাই রসায়ন পরীক্ষাগারে X নামক জৈব যৌগটিকে মৃদু জারণ করে দুই কার্বন বিশিষ্ট যৌগ Y উত্পন্ন করলো; যেখানে 54.54% কার্বন এবং 9.09% হাইড্রোজেন বিদ্যমান। রাই Y কে পুনরায় তীব্র জারণ করে Z উত্পন্ন করলো। পরীক্ষাকরে দেখা গেল X ও Z উভয়ের শেষ প্রান্তে OH গ্রুপ বিদ্যমান তবে NaOH এর সাথে X কোন বিক্রিয়া না করলেও Z বিক্রিয়া করে। ২
গ.উদ্দীপকের Y যৌগের কিটো মূলককে X এর মিথিলিন মূলকে রূপান্তর কোন বিক্রিয়া নামে পরিচিত?-বিক্রিয়াসহ ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. X ও Z উদ্দীপকের ক্ষারের সাথে বিক্রিয়ায় ভিন্নধর্মী আচরণের যৌক্তিক কারন ব্যাখ্যা কর। ৪
গতকালের পর
উত্তর ঃ গ. Y এর গাঠনিক সংকেত নির্ণয়-
54.54% কার্বন এবং 9.09% হাইড্রোজেন অর্থাত্ অক্সিজেনের পরিমাণ = 100-(54.54+9.09) = 36.37%
যেহেতু Y যৌগটিতে দুইটি কার্বন পরমাণু বিদ্যমান এবং যৌগটির স্থুল সংকেতেও দুইটি কার্বন পরমাণু বিদ্যমান সেহেতু যৌগটির স্থুল সংকেত ও আণবিক সংকেত একই। দেওয়া আছে X যৌগের শেষ প্রান্তে OH গ্রুপ বিদ্যমান এবং X নামক জৈব যৌগটিকে মৃদু জারণ করে দুই কার্বন বিশিষ্ট যৌগ Y উত্পন্ন করা যায় ফলে X একটি অ্যালকোহল এবং অ্যালকোহলকেই মৃদু জারণ করে অ্যালডিহাইড Y উত্পন্ন করা যায়। ফলে Y যৌগটি আণবিক সংকেত CH3- CHO। এবং CH3- CHO কে তীব্র জারণ করলে CH3- COOH উত্পন্ন হয়। অর্থাত্ রাই রসায়ন পরীক্ষাগারে যে বিক্রিয়া করেছিল তা নিম্নরূপ-
CH3CH2OH (X) CH3- CHO (Y) CH3- COOH (Z)
Y (CH3- CHO) যৌগের কিটো মূলক (>C=O) কে X (CH3CH2OH) এর মিথিলিন (-CH2-) মূলকে রূপান্তর ক্লিমেনসেন বিজারণ নামে পরিচিত। বিক্রিয়াটি নিম্নরূপ-
বিক্রিয়াটিতে জিংক অ্যামালগাম (Zn. Hg) গাঢ় HCl এর সাথে বিক্রিয়ায় জায়মান হাইড্রোজেন [H] উত্পন্ন করে।
Zn.Hg + 2HCl ? ZnCl2 + Hg + 2[H]
এই জায়মান হাইড্রোজেন কিটো মূলক (>C=O) কে মিথিলিন
(-CH2-) মূলকে এবং পানিতে রূপান্তর করে। ঘ আগামী শনিবার
