সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন (!)

আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৫৯
ওয়ান ইলেভেনের আগমনী বার্তা ‘ওয়ান ইলেভেন’ প্রত্যয়টি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অভিধানে নতুন সংযোজন হলেও এই মুহূর্তে এটি সবচেয়ে আলোচিত এবং পরিচিত ইস্যু। ২০০৭ সালে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে কোন সমঝোতা না হওয়ায় ফখরুদ্দীন সরকারের সৃষ্টি হয়েছিল, যা ৩ মাসের জন্য দায়িত্ব নিয়ে ২ বছর দেশ শাসন করেছে। সে সরকারের অনেক আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে। আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে, সেই একইরকম সমস্যা আবার দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, দেশের মানুষ এখন নির্বাচন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছে। নিঃসন্দেহে এই পরিস্থিতি দেশে আবারো ওয়ান-ইলেভেনের আগমনী বার্তা প্রকাশ করছে। এমতাবস্থায় গণতন্ত্রের স্বার্থে উভয় দলকে অবশ্যই সংলাপের মাধ্যমে সমঝোতা করতে হবে। এখনই সমাধান করতে না পারলে দেশ যে অনেক পিছিয়ে যাবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। এ.এইচ.এম ওবায়দুল্লাহ বিএসএস (অনার্স) এমএসএস নৃবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় === ১/১১ নয়, সমঝোতা জাতির প্রত্যাশা আমাদের দেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ। কিন্তু বর্তমানে গণতন্ত্র কোথায় তা জনগণ জানে না। কারণ তাদের সামনে দেশে একদিকে ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, হত্যা, মারামারি, ছিনতাই, গুম বেড়েই চলেছে। অন্যদিকে আবার নির্বাচনের ঝামেলা। এক পক্ষের দাবি তত্ত্বাবধায়ককের মাধ্যমে নির্বাচন হোক এবং অপর পক্ষের দাবি তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন হবে। আমি সরকার পক্ষকে বলব দেশের জনগণ যেটা চায় আপনি সেটাই করেন। আর আপনি ভাল করেই জানেন দেশের জনগণ কোনটা চায়। কেননা বিগত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দেশের জনগণ তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাই কি চাই না তারই পরিচয় দিয়েছেন। মানুষ শান্তি চায়— অশান্তি নয়। কেন “যে যাই বলুক তাল গাছটি আমার” এই নীতি বাদ দিচ্ছেন না। ভুলে যাবেন না যে জনগণের মাধ্যমে দেশের ক্ষমতায় অবতীর্ণ হন সেই জনগণই কিন্তু টেনেছিঁড়ে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে পথে বসিয়ে দিতে পারে। আল্লাহকে ভয় করুন। আল্লাহই সকল ক্ষমতার অধিকারী— এ কথা ভুলে যাবেন না। অতএব, দেশের জনগণের প্রত্যাশা মাফিক, দেশের জনগণের কল্যাণের নিমিত্তে, নিজের স্বার্থকে নগণ্য মনে করে উভয়ের সমঝোতার মাধ্যমে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে “দেশ ও জাতিকে” ১/১১ এর হাত থেকে রক্ষা করুন এটাই আমার প্রত্যাশা। মো. আবুল বাশার (স্বপ্ন) হিসাববিজ্ঞান বিভাগ, অনার্স ৪র্থ বর্ষ, সরকারি এম.এম কলেজ, যশোর === সমঝোতায় আসুন, সবার স্বার্থে বর্তমানে আমাদের দেশ একটি সংকটপূর্ণ অবস্থানে আছে। দেশের ভবিষ্যত্ কি হবে তা বলা মুশকিল। এ পরিস্থিতি আমাদেরকে ১/১১-এর কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। ১/১১-এর ভয়াবহতা সবারই কমবেশি মনে আছে। সে সময় দেশের নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ জনগণ অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। তবে সাধারণ জনগণ একটু সমস্যায় পড়লেও, জানতে পেরেছে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। মানুষ জানতে পেরেছে, আমাদের টাকায় কতজনে কত কি করেছে। বর্তমানেও যদি এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটে তবে তা যেমনি দেশের সাধারণ জনগণের জন্য সমস্যার কারণ হবে, তেমনি রাজনীতিবিদদের জন্যও। ১/১১-এর পুনরাবৃত্তি ঘটলে হয়তোবা (আল্লাহ না করুক) দুই নেত্রীকে আবারো জেলে যেতে হবে। বেরিয়ে আসবে নতুন নতুন দুর্নীতির খবর। মানুষ জানতে পারবে বড় বড় দুর্নীতির পিছনে কে দায়ী। তাই সরকারের কাছে আমাদের সাধারণ মানুষের আবেদন, “দয়া করে আপনারা সমঝোতায় আসুন”। আপনাদের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে। দেশের মানুষের স্বার্থে। ‘বাংলাদেশ চিরজীবী হোক’। মো. আ. রহমান হাওলাদার বি.এসএস (অনার্স) ২য় বর্ষ শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় == ওয়ান ইলেভেন দেশের জন্য ভয়াবহ বাংলাদেশ একটি দেশ। এদেশ হওয়ার পেছনে এক মহামন্ত্র বিদ্যমান ছিল। বাংলাদেশের বর্তমান পেক্ষাপটে তাকালে মনে হয় এদেশ যেন শাসকের কষাঘাতে জর্জরিত। একজন বাংলাদেশি হিসেবে প্রত্যেকের ন্যায় আমারও কিছু করার আছে। আমাদের মত যারা নতুন প্রজন্ম তারা হয়তো এই অবস্থা দেখে খুবই উদ্বিগ্ন। আজ দেশটা দুই মেরুতে অবস্থান করছে। এভাবে দেশ চলতে পারে না। দেশের মানুষ সব সময় দেশের কথা ভাবছে। দেশে অরাজকতা বিরাজ করবে এমনটা কেউ আশা করে না। এক্ষেত্রে একটাই উপায় সেটা হল সমঝোতা। সমঝোতা বিহীন দেশে ওয়ান ইলেভেন আশার পাঁয়তারা বিদ্যমান। আমাদের দু নেত্রী এ বিষয়ে গুরুত্ব দিলে দেশ হয়তো ওয়াবহ অবস্থা থেকে বেঁচে যেত। মানুষ মরবে না, জ্বালাও পোড়াও হবে না। জীবন বিনাশ হবে না। আমরা সবাই এই আশায় বুক বেঁধে চলেছি। মো. রবিউল ইসলাম (সাব্বি) বি.এস.এস (সম্মান) ৩১৪০ কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়), কুষ্টিয়া

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন