সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন (!)

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৪৮
সমঝোতাই সংকট নিরসনের একমাত্র পথ দেশের প্রধান দুই দলের মধ্যে এখন ঘোর বিরোধিতা চলছে। কেউ কারো দাবি মানছে না। যে যার নিজস্ব মতে অটল। এভাবে চলতে থাকলে দেশে সংঘাতের পরিস্থিতি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়েই যাবে। আমাদের সময় আর একদম নেই। আর এই মুহূর্তে প্রয়োজন সমঝোতার। সমঝোতা বা সংলাপ ছাড়া কোন কার্যকর সিদ্ধান্তে আসা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। সংঘাতে শুধু রক্ত এবং প্রাণ ঝরে যা আমরা কেউই চাই না। এজন্য আলোচনার কোন বিকল্প নেই। অন্যথায় দেশে ১/১১-এর মতো পরিস্থিতি হয়ে যাওয়া অসম্ভব কিছু নয়। খন্দকার আরাফাত আহমেদ ডিগ্রী প্রাইভেট (বিএস এস ২য় বর্ষ), সরকারি বাঙলা কলেজ সরকার বা বিরোধী দল নয়, রায় দিবে জনগণ সংশয় আগামী নির্বাচন নিয়ে। হবে কি হবে না এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রশ্নে সরকার ও বিরোধী দলের ঐক্যমতের ওপর। কিন্তু তাদের মধ্যে ঐক্যমত আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে আরো বড় সংশয়। কেউ বলছে আলোচনার টেবিলে সমঝোতা হবে। আবার কেউ বলছে সমঝোতার প্রশ্নই আসে না। গত কয়েক মাস যাবত্ এসব শুনতে শুনতে বাম কানের যায় যায় অবস্থা। বাকি আছে ডান কানটা। ডান কান হারানোর আগে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে আকুল আবেদন। আপনি এ জাতির সর্বোচ্ছ অভিভাবক। এ জাতির সংকট নিরসনে আপনার সদয় দৃষ্টি দিন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রশ্নে গণভোটের আয়োজন করুন। সরকার বা বিরোধী দল নয়, রায় দিবে জনগণ। বেলায়েত হোসাইন ইংরেজি বিভাগ, সরকারি বাঙলা কলেজ, ঢাকা সমঝোতা না হলে বিপদ ঘটতে পারে আজ সবাই বলে দুই নেত্রীর সমঝোতা করা উচিত, আমি বলব এই দেশ কোন দলের নয়। এদেশ নিপীড়িত বাঙালির দেশ, তাই সাধারণ মানুষের এই ক্ষমতা তাদের নিকট ফিরিয়ে দিন। সমঝোতা করবে তারা, অর্থাত্ গণভোট দিন, তাদের ভবিষ্যত্ তাদের নিজেদের নির্ধারণ করতে দিন। দয়া করে কোন কিছু চাপিয়ে দিবেন না। মানুষ কি চায় তা তারাই বলবে। সাধারণ মানুষের জন্য রাজনীতি করুন। সংবিধান এর ৭ নম্বর অনুচ্ছেদ-এর ১ নম্বর ধারা ঃ প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। ২ নম্বর ধারা ঃ জনগণের ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন। আশাকরি তারা জনমতের মূল্যায়ন করবে। আহমেদ হোসেন এম এ, দর্শন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সমঝোতার বিকল্প নেই আপনি যে ধারার রাজনীতিই করেন না কেন, সংঘাতময় রাজনীতি কখনো কোন দেশকে ভালো কিছু দিতে পারে না। আর, ১/১১-এর মত রাজনৈতিক পরিস্থিতি কারো কাম্য নয়। রাজনৈতিক ঐক্যের মাধ্যমে সমৃদ্ধ দেশ গঠনে সমঝোতার বিকল্প কিছু আছে বলে মনে হয় না। বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংঘাত বিহীন রাজনৈতিক আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হোক এবং সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের রায় প্রাধান্য পাক এটাই আমাদের প্রত্যাশা। সুতরাং দেশ ও জাতির মঙ্গলের জন্য রাজনীতি করুন, তবেই না দেশের মানুষ শান্তিতে থাকবে এবং দেশ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির দিকে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাবে। মো. ইয়াছিন উদ্দিন বিএসসি (অনার্স) ৩য় বর্ষ, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, সরকারি শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী কলেজ, ঢাকা সমঝোতা হতেই হবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে দেশ ধীরে ধীরে খাদের কিনারে পতিত হতে যাচ্ছে। যতই সময় যাচ্ছে ততই নির্বাচনের ক্ষণ ঘনিয়ে আসছে, সাথে সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে উদ্বেগ, উত্কণ্ঠাও। বিশেষত নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে কিনা, নির্বাচন হলে তাতে বিরোধী দল অংশগ্রহণ করবে কিনা, আবার বিরোধী দল ছাড়া নির্বাচন হলে তা কতটুকু বৈধতা ও আন্তর্জাতিক সমর্থন পাবে তা নিয়ে জনমনে প্রশ্নের শেষ নেই। গণতন্ত্রের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য হল সমঝোতা। বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক দেশ, অথচ এখানে সমঝোতার কোন মূল্যায়ন নেই। এ কারণে বাংলাদেশের গণতন্ত্র আজ প্রশ্নবিদ্ধ। তাই রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা-নেত্রীদের প্রতি আমাদের অনুরোধ নির্বাচন প্রসঙ্গে দেশের গণতন্ত্রকে আরো প্রশ্নবিদ্ধ না করে একটি গ্রহণযোগ্য সমঝোতার উপায় খুঁজে বের করুন এবং গঠনমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে জোর প্রচেষ্টা গ্রহণ করুন। লাইজু আক্তার লোপা দ্বিতীয় বর্ষ, সমাজকর্ম বিভাগ, সরকারি আযিযুল হক কলেজ, বগুড়া

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন