রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়লে শিক্ষার্থীদের সেশনজট বাড়ে
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সমঝোতা না হলে দেশের পরিস্থিতি পূর্বের ওয়ান ইলেভেনের চাইতে ভয়ানক হতে পারে। রাজনৈতিক অস্থিরতা আর সেশনজট যেন একই সূত্রে গাঁথা। কেননা, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তোলে। ফলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সবসময় ভয় ও উত্কণ্ঠার মধ্যে থাকেন। আবার অবস্থার অবনতি ঘটলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এতে শিক্ষার্থীরা সেশনজটের ফাঁদে পড়ে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট হয়। এ ব্যাপারে আমাদের সবাইকে ভাবতে হবে এবং দায়িত্বশীলদের সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।
মো. আব্দুর রশিদ
এমএ (শেষপর্ব),
তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগ,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
০০০০০
বাকযুদ্ধ নয়,
সমঝোতা চাই
বর্তমান সরকার যেটা চায় বিরোধী দল সেটা চায় না। কোন্ দল কোনটা চায় আর কোনটা চায় না সেটা দূর থেকে বাকযুদ্ধ না করে বরং আলোচনায় এসে সমঝোতা করা উচিত। বর্তমান সরকার ও বিরোধী দলীয় সরকারের এসব কার্যকলাপ সত্যিই আমরা আশা করতে পারি না। বাংলাদেশের যে রাজনৈতিক অবস্থা সেক্ষেত্রে সমঝোতা কিভাবে হবে তাই চিন্তার বিষয়। আর সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেনই কাম্য।
সুলতানা আনজুমান
অর্থনীতি বিভাগ,
গুরুদয়াল সরকারি কলেজ, কিশোরগঞ্জ
০০০০০
সংঘাত নিরসনে চাই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান
উভয় দলের অপ্রত্যাশিত সহিংস রাজনীতির মতাদর্শের কবলে অতিষ্ঠ এদেশের জনগণ। যে দেশের শতকরা ৯০ ভাগ মানুষ নির্দলীয় নিরপেক্ষ (সুষ্ঠু ও সুন্দর) সরকার পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়। সেখানে কেন উভয় দলের ব্যক্তিগত মতামতে অনড়। তাহলে কি জনগণের মতামতের কোন ভিত্তি নেই আপনাদের কাছে। এ দেশের আপামর জনগণের ভাষা বুঝুন তারা কি চায়। ভুলে যাবেন না—এদেশ গণতন্ত্রের দেশ, আর জনগণই সকল ক্ষমতার উত্স। আর কত দেখতে হবে রণাঙ্গনে লাশ হয়ে পড়ে আছে এদেশেরই সন্তান, আমারই ভাই। এ সকল দিক বিবেচনা করে Please, Please আলোচনার মাধ্যমে এদেশে সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করুন। আর তা না হলে ১/১১ আমাদের গ্রাস করবে।
মো. শামসুল ইসলাম (সজল)
সমাজবিজ্ঞান ও সমাজকর্ম বিভাগ,
গণবিশ্ববিদ্যালয়, সাভার, ঢাকা
০০০০০
বাংলাদেশে আবার ওয়ান ইলেভেনের চেয়ে ভয়ংকর কিছু ঘটার আশঙ্কা
ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের মুখোমুখি অবস্থান ওয়ান ইলেভেনের চেয়ে ভয়ংকর কিছু ঘটার আশঙ্কা ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে। বর্তমান সরকারের শেষ সংসদ অধিবেশন চলছে, সেখানে অথবা সংসদের বাইরে যেখানে হোক নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করুন, সমঝোতায় আসুন। দেশ বাঁচান, মানুষ বাঁচান। রক্ষা করুন গণতন্ত্র, অর্থনীতি এবং দেশের সকল উন্নয়ন কার্যক্রম। নইলে কোন অসাংবিধানিক শক্তি বা কোন তৃতীয় শক্তির চিত্র চিত্রিত হতে পারে। যা বাংলাদেশের কোন জনগণের কাম্য নয়।
একেএম ফরহাদ উদ্দিন
দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক
স্টাডিজ বিভাগ, অনার্স (তৃতীয় বর্ষ),
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
০০০০০
লটারির মাধ্যমে
সমাধান করুন
ভোট নয় লটারি, তাতে সংঘাত ও খরচ কমে যাবে। আমাদের বেশিরভাগ নাগরিক নিজ বিবেচনায় ভোট দেয় না, কাজেই যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত হয় না। প্রত্যক আসনে লটারি হবে, প্রত্যেক দল প্রতি আসনে একজন প্রার্থী দেবে। বহু দলীয় সরকার গঠন হবে, তারা দেশের মঙ্গল চিন্তা করবে, দলের নয়, নিজ পকেটের নয়। বিশ্বের কোথাও না থাকলেও পদ্ধতিটাতে নতুনত্ব আছে, খরচবিহীন সংঘাতবিহীন। হাস্যকর হলেও আলোচনা করা যেতে পারে।
মৌমিতা
রসায়ন বিভাগ,
বি,এম, কলেজ, বরিশাল
০০০০
আমরা সংঘাত চাই না, সমঝোতা চাই
দু’দলের রাজনৈতিক রোষানলের কারণে দেশের ভবিষ্যত্ অনিশ্চিত। দু’দলের সমঝোতা দিতে পারে সাধারণ মানুষের শান্তি। ১/১১-র মত দেশ পরিচালিত হলে দেশ কঠিন সময় অতিবাহিত করবে। এখনই সমঝোতায় না আসলে নির্বাচনকালীন সময়ে যদি সংঘাতের সৃষ্টি হয় তাহলে ২০০৬ সালের মতই তৃতীয় শক্তি ক্ষমতা দখল করবে। সমঝোতই বয়ে আনতে পারে দেশের কল্যাণ। আর তাই জাতিসংঘও সমঝোতায় আসার জন্য দু’দলের কাছে আশা করছে। তাই সমঝোতায় এসে সুষ্ঠু নির্বাচন করে দেশের মানুষকে শান্তি দেয়া উচিত। কাজেই, দেশের মানুষ বিশৃঙ্খলা চায় না, শান্তি চায়।
এম.এ. হাকিম সিকদার
বি.এস.এস. (অনার্স),
২য় বর্ষ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ,
কক্সবাজার সরকারি কলেজ
