সম্প্রতি বেগম খালেদা জিয়া রংপুর জনসভায় বলেন, আমরা ভোট চাইতে আসিনি, অনিয়মের ভোট রুখতে এসেছি। রাজশাহীর জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, নির্বাচনী আচারণবিধি অমান্য করে নৌকায় ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন। কিন্ু্ত ভোট তো হবে না এবং আরো বলেন, আপনারা কে এম হাসানকে মেনে নেননি আমরাও নির্বাচনকালীন সরকার প্রধান হিসেবে শেখ হাসিনাকে রেখে নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। ইদানীং বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার পরস্পর বিরোধী কথাবার্তায় দেশের জনগণ ঝাঁঝ ও উত্তাপ অনুভব করছে। সংঘাত ও নৈরাজ্যিক পরিস্থিতি সৃষ্টির পদধ্বনিও শুনতে পাচ্ছেন। এ অবস্থায় দু’জনই যার যার অবস্থানে ঠিক আছেন বলে মনে করছেন। ভোট তো হবে না— প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে খালেদা জিয়ার এই বক্তব্য নিছক বলার জন্য যদি বলে থাকেন, তাহলে জনগণ ভাববে, রাজনীতিকরা এদেশে গাছে গরু হাঁটাতে পারেন, সেক্ষেত্রে ভোট হবে না, বলাটা একটা সহজ-সরল বক্তব্য। যদি ভোট হবে না বা ভোট হতে দেয়া হবে না, তা যদি বাস্তবায়ন করতে হয় তাহলে বিরোধীদলকে অবশ্যই তাদের যে মুরোদ আছে তা দেখাতে হবে, ওবায়দুুল কাদেরের উক্তির বিপরীতে। আমরা মনে করি রাজনীতিকদের অবহেলায় গণতন্ত্রের চারাগাছটি এখন পুঁইলতার মতো নেতিয়ে পড়েছে। গণতন্ত্রকে ডাঁটো করে তুলতে উভয়কে সমঝোতায় আসতে হবে। জনজীবনকে পর্যুদস্ত করে নয়, রক্ত ঝরিয়ে নয়, হিংসা-বিদ্বেষ ছড়িয়ে নয়, বিভাজন প্রক্রিয়া সৃষ্টি করেও নয়, উভয় দলকে একত্রে বসে সকলের অংশগ্রহণের সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের এক স্থায়ী পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য অনাস্থার দেয়াল ভেঙে পারস্পরিক আস্থার সুদৃঢ় দেয়াল তৈরি করতে হবে।
মুরাদ হোসেন
মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর
‘ভোট চাইছেন ভোট তো হবে না’— কথাটি বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার। নির্বাচন নিয়ে কোন সমঝোতা এখন পর্যন্ত হয়নি। কিন্তু সরকারি দল নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করে দিয়েছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন জেলায় জেলায় চলছে পথসভা এবং জনসভা। সরকারি দলের ধারণা শুধু সরকারের সফলতার লিস্ট জনগণের নিকট না পৌঁছানোর কারণে ৫টি সিটি নির্বাচনে তাদের ভরাডুবি হয়েছে—এ ভুল তাঁরা আর করতে চান না। প্রধানমন্ত্রী সিলেট এক জনসভায় বলেছেন, যে কোন মূল্যে তাঁরা নির্বাচন করবেন। এ কথার অর্থ বোঝায়, বিরোধীদল না এলেও নির্বাচন হবে, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ না থাকলেও নির্বাচন হবে, পেশীশক্তির আবির্ভাব ঘটিয়ে হলেও নির্বাচন হবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও এমপি প্রত্যেকে স্ব স্ব পদে বহাল থেকে কিভাবে নির্বাচন হবে? নির্বাচন তো হয় সমানে সমানে। সরকারি দল যদি ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের কথা ভুলে না গিয়ে থাকে, তবে তাদের উচিত আর কালক্ষেপণ না করে যে কোন নামে নির্দলীয় সরকারব্যবস্থায় নির্বাচন দিয়ে দেশকে নৈরাজ্যের পথ থেকে মুক্ত করা।
ডা. মর্জিনা আক্তার
বারিধারা পাইলস কিউর সেন্টার,
গুলশান, ঢাকা
ভোট হবে! হবে! হবে! আমার দৃঢ় বিশ্বাস ভোট ঠেকানোর ক্ষমতা খালেদা জিয়ার নেই। খালেদা জিয়া একজন মিথ্যাবাদী। ইতিপূর্বেও তিনি ঘোষণা দিয়েছেন এ সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবেন না। কিন্তু বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন ও উপ-নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিয়েছে, বিজয়ীও হয়েছে। নির্বাচনের পূর্বে ভোট চুরি হবে অভিযোগ এনেছেন, নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তা ভুলে গেছেন। দেশের জনগণ ঠিক করবে আগামী দিনে সরকারে কারা যাবে। নির্বাচন না করা হবে বিএনপির সেরা ভুল।
মো. আবু সুফিয়ান, খিলগাঁও, ঢাকা
‘ভোট হবে না’ বলে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া যে উক্তি করেছেন, তার অন্তর্নিহিত মাজেজা আছে সত্য; কিন্তু জনগণ অবাধ, সুষ্ঠু, নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য মুখিয়ে আছে। একথা সত্য যে, আমাদের দেশের মত উন্নয়নশীল দেশে ব্যালট অথবা বুলেটের মাধ্যমে ক্ষমতার পালা বদল ঘটে থাকে। তবে পৃথিবীব্যাপী ব্যালটের মাধ্যমে ক্ষমতার হাত বদলকেই স্বীকৃত পন্থা হিসেবে নিরূপণ করা হয়ে থাকে। এমনকি বুলেটের মাধ্যমে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিতদের পরবর্তী পর্যায়ে সেই ব্যালটের মাধ্যমেই স্বীয় ক্ষমতাকে তথাকথিত বৈধ ও দীর্ঘস্থায়ীকরণের পথে পা বাড়াতে হয়। আমাদের দেশে উচ্চাকাঙ্ক্ষীরা নিজেদেরকে দেবতার অবতার ভেবে বহুল প্রচলিত দুর্নীতির বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে বিদ্যমান নির্বাচিত সরকারের যে কোন প্রকার দুর্বলতার সুযোগে কিংবা নিজেরা অজুহাত সৃষ্টি করে বুলেটের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার জন্য সব সময় তত্পর থাকে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর তারা তাদের তথাকথিত জেহাদী জোশে অবগাহন করে সেই দুর্নীতিতে নিজেরাই আকণ্ঠ নিমজ্জিত হয়ে দেশ ও দশের সর্বনাশ করে থাকে। কাজেই কোন অবস্থাতেই বুলেটের মাধ্যমে নয় বরং ব্যালটের মাধ্যমেই নির্দিষ্ট মেয়াদন্তে ক্ষমতার পালা বদল জনগণের কাম্য।
ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী
৫-বিসিসি রোড, নবাবপুর, ওয়ারী, ঢাকা ১২০৩
ভোট চাইছেন, ভোট তো হবে না—বলে বিরোধী দলীয় বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া যে উক্তি করেছেন তা মোটেই যুক্তিযুক্ত নয়। দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রাম এবং লাখো শহীদের রক্তে অসংখ্য মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের প্রিয় এই বাংলাদেশ। এখানে জঙ্গিবাদ, স্বাধীনতা বিরোধী, সন্ত্রাসবাদ, দুর্নীতিবাজদের স্থান নেই। রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র কোন মতেই ধ্বংস হবার সুযোগ নেই।
এস কে মোহাম্মদ রমিজউদ্দিন
প্রশিখা প্রধান কার্যালয়, মিরপুর-২, ঢাকা
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ২৫ অক্টোবরের মধ্যে জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধন করে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবি জানিয়ে আসছেন। তার এই দাবি অযৌক্তিক নয়। কাজেই সরকারপ্রধান সেটা না করে তিনি সারাদেশ ঘুরে ঘুরে ভোট চাচ্ছেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সেটা না করে অন্য প্রসঙ্গে চলে গেছেন। সুতরাং বিরোধী দলীয় নেত্রী ভোট চাইছেন। ভোট তো হবে না বলে যে উক্তি করেছেন তা যথার্থই সত্য।
নীলুফা আক্তার
টোলারবাগ মিরপুর, ঢাকা
বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া বলেছেন, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখে বাংলাদেশে কোন নির্বাচন হবে না। হতে দেয়া হবে না। তিনি যথার্থই বলেছেন। তাই আমরা মনে করছি, এখনো সময় আছে সংবিধান পরিবর্তন করে নির্দলীয় সরকার পুনর্বহাল করুন।
মো. সেলিম
মহাখালী, ঢাকা
নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।
মোহাম্মদ সেকান্দার আলী
বুয়েট
বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নির্বাচনের আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে নৌকায় ভোট চেয়ে বেড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্ত করে বেড়াচ্ছেন, তা বলাটা সমুচিত হয়নি। কারণ আসন্ন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল এখনো ঘোষণা করা হয়নি। কে কী বলছেন না বলছেন তা নিয়ে এখন অযথা তর্ক-বিতর্ক করে সময় অপচয় করা মোটেই উচিত নয়। তবে তফসিল ঘোষণা করার পর যদি সরাসরি ভোট চেয়ে বেড়াতেন তাহলে তিনি অবশ্যই দোষীসাব্যস্ত হতেন। আসল কথা হলো জাতীয় সংসদ ভেঙে যাওয়ার পর দেশের স্বার্থে দলমত নির্বিশেষে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা। কাজেই নির্বাচনে প্রমাণিত হবে কোন দলের প্রতি আস্থা কত বেশি বা কম। আর ভোট হবে না বলে ভবিষ্যদ্বানী করাটাও ঠিক নয়।
আলহাজ হাফিজুল ইসলাম (হিফজু)
হাউজিং স্টেট, রাজশাহী
আমি নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই।
মোহাম্মদ রুহুল আমীন
লালবাগ, ঢাকা
গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর মাদ্রাসার মাঠে জনসভায় বিএনপির চেয়ারম্যান বলেছেন আওয়ামী লীগ ভোট চাচ্ছে, ভোট তো হবে না। এটা একেবারেই স্বাধীন বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে বলেছেন তিনি। জনগণ এই বর্তমান বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিল সুখে শান্তিতে ও তাদের ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের নির্বাচিত প্রার্থীদের গণতান্ত্রিক পন্থায় নির্বাচিত করে জনগণ ও দেশের উন্নয়ন করার জন্য। সরকার যখন নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন নিরপেক্ষ, অবাধ সুষ্ঠুভাবে জনগণের ভোট প্রয়োগের ব্যবস্থা করছে তখন বিশৃঙ্খলা, দাঙ্গা-হাঙ্গামা হচ্ছে। এতে জনগণ অতিষ্ঠ। জনগণ নির্বাচন চায়। ভোট হবে না, নির্বাচনে যাবো না এর সাথে জনগণ নেই।
ফারুক আহমেদ
বাগমারা, রাজশাহী
ভোট হবে কি হবে না তা নিয়ে দু’নেত্রী কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি করছেন। কিন্তু তাঁরা কেউই সাধারণ মানুষের কথা ভাবছেন না। এখন হরতাল চলছে। এভাবে দেশের মানুষের উন্নয়ন হতে পারে না। আর মানুষের উন্নয়ন না হলে দেশের উন্নয়ন হতে পারে না। তাই এদিকটা চিন্তা করে সবার উচিত আরো সহনশীল হওয়া।
প্রশান্ত ভৌমিক
চৌমুহনী, নোয়াখালী
শেখ হাসিনার অধীনে ভোট হওয়া উচিত হবে না।
মো. কমর শেখ
হালিশহর, চট্টগ্রাম
বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক স্বাধীন দেশ। এ দেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়। আমাদের দেশে ৫ বছর পর পর সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন জানুয়ারিতেই হবে গণতন্ত্রের স্বার্থে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের পক্ষে দেশবাসীর কাছে ভোট চেয়েছেন। ভোট তিনি চাইতেই পারেন, তা না হলে অগণতান্ত্রিক শক্তি আবার ক্ষমতায় আসবে।
মো. কবিরুল আজাদ
মনকাশাইল, কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বিরোধী দলীয় নেত্রী তাহলে নির্বাচন বানচালের চেষ্টায় আছেন। এজন্য তিনি এ ধরনের কথা বলছেন।
রুজেল সরকার
২/বি কে গাঙ্গুলি লেন, কায়েত টুলী, ঢাকা ১০০০
বিএনপির চেয়ারপার্সন যে কারণে নির্বাচন হবে না বলে উচ্চারণ করেছেন তার তাত্পর্য হলো— এ দেশের সরকারপ্রধান হয়ে জনগণের পয়সার চষে বেড়াছেন এবং নৌকায় ভোট চাচ্ছেন তা কি যুক্তিসঙ্গত? যদি হয় তা হলে দেশের জনগণ কী চায়? এদেশের মানুষ অসহায়। আমরা মেরুদণ্ডহীন হয়ে পড়ছি। কারণ বড় দলগুলো মুখে গণতন্ত্র বললেও তারা গণতন্ত্রমনা নয়। অতএব আমি বলতে চাই বিএনপির নেত্রী যে কারণে ভোট হবে না বলেছেন তা যুক্তিসঙ্গত বলে আমি মনে করি। এদেশে যারা নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চায় আমি তাদের একজন। শুধু গদি রক্ষার জন্য নির্বাচন নয়। দেশ ও দেশের মানুষকে রক্ষার জন্য নির্বাচন।
শফিউর রহমান
বনশ্রী, ঢাকা
আসলেই বাংলাদেশের মানুষকে যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার, জঙ্গি, সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজদের কবল থেকে রক্ষার জন্য নৌকায় ভোট দেয়া দরকার।
সোহাগ
ভাগলপুর লেন, নবাবগঞ্জ, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নির্বাচন বানচালের ক্ষমতা কারোরই নেই। জনগণ তা হতে দেবে না। অন্যদিকে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, ভোট চাইছেন, ভোট তো হবে না। এখন দুইজন দুই ডালে বসা। মাঝে দেশের মানুষ শঙ্কিত।
পারভীন সুলতানা
মালিবাগ, ঢাকা
ভোট হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যে কোন মূল্যে আগামী সংসদ নির্বাচন হবে। একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচন হতে হবে অবশ্যই নিরপেক্ষ। অন্যদিকে বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলছেন, ভোট চাইছেন, ভোট তো হবে না। এখন কথা হচ্ছে দুই বড় দলকে সময় থাকতে সংলাপে বসে বিষয়টি সুরাহা করতে হবে। নতুবা সামনে দেশের জন্য ভয়াবহ অশনি সংকেত।
হাসান মোহাম্মদ হোসাইন চৌধুরী
কবির হাট, নোয়াখালী
ভোট হবে— এটাই সত্য। বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ। ভোট না হয়ে পারে না। বিরোধী দলীয় নেত্রী যা বলছেন তা এক ধরনের প্রলাপ বটে।
মাসুম আহম্মেদ
যাত্রাবাড়ি, ঢাকা
ভোট হবে। প্রধান বিরোধী নেত্রী যত কথা বলুন না কেন। তাঁর স্বার্থের বুকে হয়তো কালি পড়েছে। তাই এসব কথা বলছেন।
মো. মিজানুর রহমান
বড়বাড়ী, গাজীপুর
ভোট তো হবেই। কথায় আছে— যে লংকায় যায় সেই হয় রাবণ। এটা প্রধান বিরোধী দলের মধ্যে হলেও তিনিও তাই করতেন। তাই অনর্থক কথা না বলে নির্বাচনে অংশ নিন। দেশের মানুষ শান্তি পাক।
এস এম শাহ আলম
বাহেরকুচি, সিরাজদিখান, মুন্সিগঞ্জ
বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচন হবে না বলে যে হুংকার দিয়েছেন, আদতে এটা তাঁর মনের কথা নয়। এই কথা তাঁর শরিক দল জামায়াত-হেফাজতের মতাদর্শ। কারণ বিএনপি আগের সেই বিএনপি নেই। তাঁরা এখন জামায়াত-হেফাজতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যস্ত। বিএনপি ১৫ ফেব্রুয়ারি যে এক তরফা নির্বাচন করেছিল সেই নির্বাচন আর আজকের প্রেক্ষাপট এক নয়। কারণ শেখ হাসিনা এবং তাঁর সরকারের বিপুল জনপ্রিয়তা এখনও রয়েছে। দেশের মোট ভোটারের বড় একটা অংশ শেখ হাসিনাকে সমর্থন করে। দেশের মানুষ হাসিনা সরকারের উন্নয়নে মুগ্ধ। প্রতিটি ক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে— বিশেষ করে শিক্ষা, খাদ্য, কৃষি, বিদ্যুত্ যোগাযোগ, আইটি, দুর্নীতি প্রতিরোধসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে। দেশের মানুষ শান্তি চাই, অরাজকতা কেউ চায় না। আজকে বেগম খালেদা জিয়া যেভাবে একগুঁয়েমি করছেন তাতে দেশেরও ক্ষতি হবে, তার দলেরও ক্ষতি হবে। এক সময় বিদেশিরা বলতো বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়ি। আর আজকে বলছে এশিয়ার অর্থনৈতিক টাইগার। সব দিক থেকে উন্নতি হয়েছে আমাদের। তাহলে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে গিয়ে দেখুন না। আপনি তো বলেছিলেন, পাগল আর অবোধ শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ হতে পারে না। আরেকবার ভেবে দেখুন, গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় প্রতিটি রাজনৈতিক নেতার কী অবস্থা হয়েছিল। মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী আপনার কাছে অনুরোধ করবো, একবার বিশ্বকে দেখিয়ে দিন— আমরাও পারি তোমাদেরকে ছাড়া আমাদের নির্বাচন সুষ্ঠু করতে। একবার মেনে নিয়ে প্রমাণ করুন, জামায়াত-হেফাজত নয়, আমরা রাজনীতি করি দেশের জন্য, দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য।
এ জেড এম খাইরুল হুদা (রাসেল)
ধুম সাহাদ্দী, ফেনী
আওয়ামী লীগের একদলীয় নির্বাচনের চেষ্টা বর্তমান বাংলাদেশে কোনক্রমেই সফল হতে পারে না। বর্তমান অবাধ তথ্যপ্রযুক্তির যুগ—জনগণ অনেক সচেতন। তাই বিরোধী দলের নেতা যা বলছেন তা অনেকটা সঠিক।
মো. ফকরুল ইসলাম টিপু
সেনবাগ, নোয়াখালী
নির্বাচন হবে। বিরোধী দলের নেতা যাই বলুক। তারা নির্বাচনে আসবে কি আসবে না এটা তাদের ব্যাপার।
গোলাম হোসেন, বাশাইল, টাঙ্গাইল
বিরোধী দলীয় নেতা যা বলেছেন তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী সিলেটের জনসভায় তার জবাব দিয়ে দিয়েছেন। অর্থাত্ টিট ফর টেট।
আমিনুর রশিদ, মিরপুর-১, ঢাকা
জনস্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে ভোট হতেই হবে। তবে সেটি সত্ উপায়ে, সমঝোতার মাধ্যমে এবং সকল দলের অংশগ্রহণে একজন হুংকার দিচ্ছেন, এক তরফা নির্বাচন হতে দেয়া হবে না, আর একজন দুই ধাপ এগিয়ে গর্জন করে উঠছেন, যে কোন মূল্যে নির্বাচন হবেই। যে কেন মূল্যে নির্বাচন হবে— মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গর্জনটিকে বিরোধী দলীয় নেত্রীর হুংকারের চেয়ে বেশি গুরুত্ব বহন করে বলে তাকে আমি দুই ভাগে ভাগ করছি। প্রথমটি হলো- প্রধানমন্ত্রী যদি এই ভেবে কথাটি বলে থাকেন যে, আমি জনস্বার্থে সবকিছু ভুলে গিয়ে সমঝোতা করে শেষমেষ বিরোধী দলকে সাথে নিয়ে নির্বাচন করবো। এমন যদি হয় তবে আলহামদুলিল্লাহ। দ্বিতীয়টি হলো— মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য ইচ্ছে পোষণ করে থাকেন তবে বলবো— বাঁচাও হে আল্লাহ। দুই প্রধান নেত্রীর হূদয়ে দাও সুবাতাসের দোলা।
মোহাম্মদ লুত্ফুর রহমান
এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা
বিরোধী দলের নেত্রী যে কথাটি বলেছেন, সেটা সঠিক নয়। ত্রিশ লাখ শহীদের আত্মা এবং কয়েক লাখ মা-বোনের সম্মান চিত্কার দিয়ে বলছে, এই দেশকে রাজাকারের হাতে আর তুলে দিও না। আমি বুঝি বাংলাদেশের ১৬ কোটি বাঙালি এই শহীদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করবে না।
সৈয়দ হায়দার আলী
মহাখালী, ঢাকা
দুই দল যদি এক না হয়ে নির্বাচন না করে তা হলে নির্বাচন কী করে হবে। আর যদি হয়ও তা হবে একপক্ষের। তাই বেগম জিয়া ভবিষ্যত্ কথাটি আগেই বলে দিয়েছেন।
মো. মজিবুর রহমান
৭৭/বি কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ,
বনানী, ঢাকা
বর্তমান বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া অবশ্যই নির্বাচনে আসবেন। তার অনেক নিদর্শন রয়েছে। তিনি যে গোপনে গোপনে নির্বাচনের প্রস্ততি নিচ্ছেন তা তার বক্তব্যের মধ্যেই লক্ষ্য করা যায়।
আলহাজ আবদুস সামাদ
মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ
বিরোধী দলীয় নেত্রী যে কথা বলছেন আসলে তা সত্য— প্রধানমন্ত্রী যা করছেন তা গায়ের জোরে।
হাসান মাহমুদ
বনানী, ঢাকা
বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন ভোট চাইছেন, ভোট তো হবে না—এর সঙ্গে আমি একমত। কারণ সরকার বিরোধী দল ও জনগণের চাওয়ায় নির্বাচন দিচ্ছে না। এজন্য সরকার বিরোধী দলের কথামত না এলে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না।
ইভান
কাওরাইড, শ্রীপুর, গাজীপুর
বাংলাদেশে আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে নানা জনে নানা ধরনের মন্তব্য করছে। রাজশাহীর জনসভায় বেগম খালেদা জিয়া মন্তব্য করেছেন, প্রধানমন্ত্রী নৌকায় ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন কিন্তু ভোট তো হবে না। নির্বাচন সময়মতো হলে অবশ্যই জনগণ ভোট দেবে। কে জিতবে কে হারবে এটা পরের কথা। তবে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শুধু প্রধানমন্ত্রী কেন বেগম খালেদা জিয়াও জনগণের ভোট চাইতে পারেন। ভোট চাইতে বাধা কোথায়? না কাঁদলে মাও কোলের শিশুকে দুধ দেয় না। আর প্রধানমন্ত্রী তো দেশবাসীর মায়ের মতো। তাই ভোট চাইতে অপরাধ নেই।
আশা এলিজাবেধ গোমেজ
লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা ১০০০
বিরোধী দলের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উক্তির সাথে আমি একমত। যা কিছু করার বিরোধী দলকে নিয়ে করা দরকার। তা না হলে এক দলীয় সরকার নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না।
ফারুক
মালিবাগ, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যে কোন মূল্যে আগামী নির্বাচন হবে। কিন্তু গায়ের জোরে বললেই কি সেটা কার্যকর হবে? অন্যদিকে বিরোধী দলীয় নেত্রী যে মন্তব্য করেছেন সেটার সাথে আমি একমত।
বিপ্লব আলম
উর্দুরোড, লালবাগ, ঢাকা
বিরোধী দলীয় নেত্রী নির্বাচনে অংশগ্রহণ অবশ্যই করবেন তবে তা হতে হবে অবাধ নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় সরকারের অধীনে।
জাহাঙ্গীর
মতিঝিল, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আন্দোলন করে সরকার হটানো বা নির্বাচন প্রতিহত করা যাবে না। এর সাথে একমত নই। কেননা ’৯০-এর গণআন্দোলনের কথা কি মনে নেই?
নার্গিস
লালবাগ, ঢাকা
“ভোট চাইছেন-ভোট তো হবে না”— বিরোধী দলীয় নেত্রী যে উক্তি করেছেন সেটার সাথে আমি একমত। কিভাবে নির্বাচন হবে কোন কিছুই নেই। এখানে পক্ষপাত একদলীয় নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না।
মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহীদ উল্লাহ
ফেনী, নোয়াখালী
নির্দলীয় সরকার ছাড়া কোন নির্বাচনে অংশ নেবে না বিরোধী দল। বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। কে এম হাসানকে তাঁরা মেনে নেননি। এখন কেন তাঁরা মেনে নেবে এই পদ্ধতি?
শাহীন
মহাখালী, ঢাকা
এতদিন সবাই আশা করেছিল অন্তত সরকার সংলাপে এগিয়ে আসবে কিন্তু তারা করেনি। জাতিসংঘের মহাসচিব, ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান প্রত্যাখান করেছে। এদেশের মানুষ কখনোই একদলীয় নির্বাচন মেনে নেবে না। সেটা কখনোই সুষ্ঠু হবে না, নিরপেক্ষ হবে না। এতে করে সাধারণ মানুষের মতামত প্রকাশের সুযোগ তাদের থাকবে না। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোট সবার জন্য গণতান্ত্রিক অধিকার। প্রধানমন্ত্রী ভোট চাইতেই পারেন। এটা কোন কঠিন বিষয় নয়। বিরোধীদলের নেতা বেগম খালেদা জিয়া বলেন— ভোট চাইছেন, ভোট তো হবে না। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া বিএনপি কোন নির্বাচনে অংশ নেবে না এটাই সত্য।
লাড্লা
পিলখানা, ঢাকা
নির্বাচন হতে হবে সমঝোতার ভিত্তিতেই। তা না হলে জাতি আবার রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের করে তিক্ত অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি দেখতে বাধ্য হতে পারে। দেশের মানুষ বড় অসহায়। নির্বাচন পদ্ধতি ও নীতিমালা অনুসরণ করতে উভয় দলকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের প্রতি দৃষ্টি দিতে হবে।
সৈয়দা নাসরিন সুলতানা
স্যানি সাইড, নিউইয়র্ক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যে কোন মূল্যে যথাসময়ে আগামী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপির নেত্রীর সাধ্য নেই এই নির্বাচন বানচাল করার। অন্যদিকে বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া বলেছেন, ভোট চাইছেন, ভোট তো হবে না। দেশের শীর্ষ দুই নেত্রীর পরস্পর বিরোধী বক্তব্যে দেশের সাধারণ মানুষ আজ বড় অসহায়। তারা চাচ্ছে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় নির্বাচন।
আইরিন সুলতানা সন্জু
ধুপপুর, মাইজপাড়া, চট্টগ্রাম
বিএনপি চেয়ারপার্সন ও বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরবঙ্গ সফর অত্যন্ত তাত্পর্যপূর্ণ। তিনি যথার্থই বলেছেন ভোটের কথা। বিরোধীদল চান নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। কিন্তু সে আলামত দেশের মানুষ তো দেখতে পাচ্ছে না। তাহলে ভোট হবে কীভাবে।
মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)
আরাপপুর, ঝিনাইদহ
বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার এরকম অসংখ্য অসার উক্তির অন্যতম উক্তি। দোষগুণে যেমন মানুষ, তেমনি ভালমন্দ নিয়ে সরকার। সরকারের সকল পদক্ষেপ যেমন খারাপ বলা যাবে না। তেমনি ভালও বলা যাবে না।
আলমগীর হোসেন
ইপিজেড, সাভার, ঢাকা
বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা যে উক্তি করেছেন তার সাথে সম্পূর্ণভাবে আমি একমত। যেহেতু নির্বাচনী আচরণবিধি অমান্য করে নৌকায় ভোট চেয়ে যেভাবে ভোট সংগ্রহ করে যাচ্ছেন তাতে করে বিষয়টি মোটেই শোভন নয়। বরঞ্চ এটা দৃষ্টিকটুও বটে।
শিশির
পিলখানা, ঢাকা
সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক বিল পাস করুন, না করলে পালানোর পথ পাবেন না বলে বিরোধীদলীয় নেত্রী যে উক্তি করেছেন তা ঠিক নয়। দেশে সিটি নির্বাচন হয়েছে এ সরকারেরই সময়। সুতরাং এটাও হোক। আস্থা অর্জন করুন। বিরোধীদলকে অবশ্যই এখন সরকারের সাথে এগিয়ে আসতে হবে। নির্বাচন হবেই তবে তা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই হবে।
আবদুল মালেক মিয়া
দলিল লেখক
মিরপুর, ঢাকা
বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বক্তৃতার উদ্ধৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নৌকা কখনো ডুববে না, ডুবলে আবার জেগে উঠবে। নৌকা বাংলাদেশের জনগণের মার্কা। বাংলাদেশের মানুষকে যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার সন্ত্রাসী, দুর্নীতিবাজদের কবল থেকে নৌকাই তীরে নিয়ে যাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, কোন বাধাই নির্বাচন রুখতে পারবে না। আওয়ামী লীগ অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে জানে, করেও দেখাবে। সুতরাং বিরোধীদলীয় নেত্রী যা বলেন তা ঠিক নয়।
মো. মেজবাহউদ্দিন সেলিম
শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা
আমরা নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকার পদ্ধতির মাধ্যমে ভোট চাই।
মো. আমিন
বুয়েট, ঢাকা
ভোট হবে না খালেদা জিয়ার মন্তব্যটির সাথে জনমতের কোন সম্পৃক্ততা আছে বলে আমার বিশ্বাস হয় না। তিনি অনাবরত হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছেন। একইসাথে প্রশাসনকে ধমক দিয়ে বেড়াচ্ছেন ক্ষমতায় এলে দেখে নেবেন। তাতে বোঝা যায় যে, তিনি ক্ষমতায় এলে দেশে কী পরিমাণ ভয়াবহতা দেখা দিতে পারে। সামাজিকভাবে বসবাস করা কঠিন হয়ে যেতে পারে। হয়তো বা পরিবেশ পরিস্থিতি এমন হতে পারে যা কিনা বিশ্বের কোন জঙ্গি রাষ্ট্রের অবস্থাকেও হার মানাবে। যা ইতোমধ্যে সাধারণ রাজনৈতিক কর্মী সমর্থক নিরীহ বিবেকবান মানুষ ভাবনা চিন্তা করছেন। একইসাথে মহাআতংকে আছেন। বেগম খালেদা জিয়ার একের পর এক এ ধরনের উক্তিগুলো দিন দিন মানুষের আতংককে আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। এ ধরনের উক্তির ফলে কিছু ধান্দাবাজ, চান্দাবাজ কর্মী চাঙ্গা হয় সত্য, কিন্তু সাধারণ কর্মী সমর্থকসহ মানুষ আতংকিত হয়। তাই এ ধরনের উক্তি পরিহার করার জন্য অনুরোধ করছি।
দিদারুল আলম
সাভার, ঢাকা
বিরোধী দলের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাজশাহীর জনসভায় প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্যে করে বলেছেন ভোট চাইছেন, ভোট তো হবে না-এ কথার মানে কী দাঁড়ায়— ৫টি সিটি নির্বাচনে জনগণ কি ভোট দিতে পারেননি? দেশে যখন জামায়াত-শিবির, হেফাজত, সরকারের সাথে মোকাবেলা করার জন্য বৃহত্ যুদ্ধের জন্য পাঁয়তারা করছে বিরোধী দলীয় নেত্রীর এ হেন বক্তব্যে জঙ্গি, সন্ত্রাসী, খুনিরা সাহস ও উত্সাহ পাচ্ছে নিঃসন্দেহে। হরতালের নামে তারা সমবেত হয়ে ভাংচুর, সন্ত্রাস, আগুন লাগিয়ে দেশের সম্পদ নষ্ট করাসহ সকল অপরাধে জড়িত হয়ে দেশের সম্পদের ক্ষতি করছে। বিরোধী দলের ভূমিকা এখন অনেক অন্যায়কে প্রতিহত করতে পারে। এ ক্ষেত্রে সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে প্রধান ভূমিকা পালন করতে পারে। তার মানে এই নয় ভোট চাইছেন, ভোট তো হবে না। জনগণ যদি ভোট দিতে না পারে আর ভোট যদি নাই হয় তাহলে ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্যটা কী হবে? তা জানার অধিকার জনগণের রয়েছে।
শাহ মোহাম্মদ হেলালউদ্দিন (হিরো)
কালিহাতি, টাঙ্গাইল
