২৫ অক্টোবরের পর রাজনীতির মাঠ উত্তপ্ত হয়ে উঠার তীব্র আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি মানার জন্য ওই দিন পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া। সরকার এরমধ্যে দাবি না মানলে হরতাল অবরোধের মাধ্যমে দেশ অচল করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে বিরোধী দল। বিরোধী দলের হুমকির জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর যদিও বলেছেন যে, ‘যুদ্ধ’ করার শক্তি বিএনপির নেই। কিন্তু দেশের মানুষ তাতে আশ্বস্ত হতে পারছে না। জামায়াত-শিবিরের সহিংসতা বন্ধ করতে সরকার সফলতার পরিচয় দিতে পেরেছেন বলে দেশের মানুষ মনে করছে না। বিএনপির আন্দোলনের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড শুরু করলে পরিস্থিতি সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে কিনা সে বিষয়ে কারো কারো মনে সংশয় আছে।
২৫ অক্টোবরের পর বিএনপির মাঠে নামার লক্ষ্য হচ্ছে আন্দোলন জোরদার করে নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের দাবি মানতে সরকারকে বাধ্য করা। বিএনপি ১৮ দলীয় জোট ছাড়াও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে সমমনা অন্য রাজনৈতিক দলগুলোকেও আন্দোলনের সঙ্গী হিসেবে পাওয়ার জন্য সচেষ্ট রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলামী ছাড়া ১৮ দলভুক্ত অন্য দলগুলোর পক্ষে আন্দোলনে বাড়তি শক্তি জোগানোর ক্ষমতা নেই। তারা কেবল জোটের সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর ক্ষেত্রেই ভূমিকা রাখছে। তবে বিএনপি নতুন মিত্র হিসেবে সঙ্গে পাবে হেফাজতে ইসলামকে। হেফাজতের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে যে, তারাও আবার মাঠে নামবে এবং ১৩ দফা দাবি মানতে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে। ৫ মে শাপলা চত্বর থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর হেফাজত আবার সংগঠিত হয়ে তাদের শক্তি দেখাতে তত্পর রয়েছে।
বিরোধী দলের আন্দোলন মোকাবিলায় আওয়ামী লীগের তেমন সঙ্গী-সাথী আছে বলে মনে হচ্ছে না। ১৪ দলকে সক্রিয় করা এবং তাদের মাঠে নামানোর পরিকল্পনার কথা শোনা গেলেও বাস্তবে তার কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না। ১৪ দলভুক্ত একটি ছোট দলের একজন নেতা জানিয়েছেন, ১৪ দলের ঐক্য সুসংহত ও তা সারা দেশে সম্প্রসারণের ব্যাপারে যেসব সিদ্ধান্ত হয়েছে, তার অধিকাংশই বাস্তবায়ন হয়নি। আওয়ামী লীগ যখন মনে করে কেবল তখনই ১৪ দলের বৈঠক আহ্বান করা হয়। তবে ১৪ দলীয় জোটকে সম্প্রসারিত করার জন্য নতুন করে উদ্যোগ নেয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। ১৪ দলের বাইরে থাকা বাম বলয়ের দলগুলোর সাথে ঐক্য আলোচনা শুরু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে ফলাফল কি দাঁড়াবে সেটা এখনই বলা যায় না। আবার জাতীয় পার্টি এখন মহাজোটে আছে নামে মাত্র। এ দলের কাছ থেকে আওয়ামী লীগের আর সহযোগিতা পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। বেশ কিছুিদন ধরেই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রকাশ্য সভা-সমাবেশে মহাজোট ছাড়ার কথা বলে আসছেন। ৫ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীদের বিজয়ের পর এরশাদ মহাজোট ছাড়ার বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত করেছেন বলেই মনে হয়। এই সরকারের মেয়াদকাল শেষ হওয়ার আগেই এরশাদ মহাজোট ছাড়ার ঘোষণা দেবেন বলে জানিয়েছেন। তবে তিনি এটাও বলেছেন যে, জাতীয় পার্টি ১৮ দলীয় জোটে যোগ দেবে না। আগামী সংসদ নির্বাচনে এককভাবেই অংশ নেবে জাতীয় পার্টি। অবশ্য মহাজোটে থাকা না থাকা নিয়ে জাতীয় পার্টির মধ্যেও মতভিন্নতা আছে। দলের শীর্ষ নেতাদের অধিকাংশই মহাজোট ছাড়ার পক্ষে হলেও মহাজোটের সঙ্গে থাকার পক্ষেও প্রভাবশালী কয়েকজন নেতা আছেন। মহাজোটে থাকা না থাকার ইস্যুতে জাতীয় পার্টিতে আরেক দফা ভাঙ্গন দেখা দিতে পারে বলেও কোন কোন পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে। এই খবরের সূত্র ধরে এরশাদ বলেছেন, কারো যদি ‘রাজনৈতিক এতিম’ হওয়ার বাসনা থাকে তাহলে জাতীয় পার্টি ত্যাগ করতে পারেন। ঘটনা যাই ঘটুক না কেন ২৫ অক্টোবরের পরে মাঠের আন্দোলনে নামলে আওয়ামী লীগ যে জাতীয় পার্টিকে সঙ্গে পাবে না এটা প্রায় নিশ্চিত। তাহলে এটা বলা যায় যে, ২৫ অক্টোবরের পর বিরোধী দলের যে আন্দোলন পরিকল্পনা তা মোকাবিলা করতে হবে আওয়ামী লীগকে একাই।
প্রশ্ন হচ্ছে বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট ২৫ অক্টোবরের পর সত্যি বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তুলতে পারবে কি না? দেশের মানুষ আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত আছে কি না? এখন আন্দোলনের নামে যে ধরনের সহিংসতা চলে মানুষ তা পছন্দ করে না। গত কমপক্ষে দুটি ঈদের আগে বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে, ঈদের পর সরকারবিরোধী কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। ঈদের পর ‘সর্বশক্তি’ নিয়ে মাঠে নামার কথা গত দুই ঈদের আগেও বিএনপি বলেছিলো। সরকারকে তার মেয়াদ পূর্ণ করতে না দেয়ার ঘোষণাও বিএনপি দিয়েছিলো। কিন্তু ঈদের পর বিএনপি আন্দোলনের এমন কোন কর্মসূচি দিতে পারেনি যার জন্য সরকার চাপের মুখে পড়ে। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে অনেকেই এটা মনে করছেন যে, এবারও ২৫ অক্টোবরের পর জামায়াতের সমর্থনে কিছু হিংসাত্মক কর্মসূচি পালনে সক্ষম হলেও সরকারকে দাবি মানতে বাধ্য করার মতো আন্দোলন গড়ে তুলতে পারবে না বিএনপি। সরকারের মেয়াদ শেষে এসে সরকারবিরোধী আন্দোলনে সাধারণ মানুষের আগ্রহী হয়ে ওঠার বাস্তবসম্মত কারণও দেখা যায় না।
‘নির্দলীয়’ সরকারের দাবি অব্যাহত রেখে বিএনপি বর্তমান সরকারকে চাপের মধ্যে রাখার কৌশল নিলেও তারা নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রস্তুতিও পুরোপুরিভাবেই রাখছে। আন্দোলন করে যদি নির্দলীয় সরকারের দাবি আদায় করা যায় তো ভালো, আর যদি তা শেষ পর্যন্ত না-ই হয়, তাহলেও তারা নির্বাচনের মাঠ আওয়ামী লীগকে ফাঁকা ছেড়ে দেবে বলে মনে হয় না। আওয়ামী লীগ তথা সরকার বিএনপির দাবি মেনে নির্দলীয় কিংবা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করবে না- আওয়ামী লীগের বক্তৃতা-বিবৃতি পর্যালোচনা করলে সেটাই মনে হয়। বিএনপি যদিও বলছে যে, তাদের দাবি না মানলে তারা নির্বাচনে যাবে না। তবে তাদের কথার মধ্যে এখন যথেষ্ট ফাঁক থাকছে বলে অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকই মনে করছেন। বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘নির্দলীয় সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হবে। আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনার অধীনে নয়’। স্পষ্টতই বোঝা যায়, বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে অনড় নেই। এখন নির্দলীয় সরকার নিয়েই দর কষাকষি করতে চায়। এই নির্দলীয় সরকার বলতে বিএনপি প্রকৃতপক্ষে কি বোঝাচ্ছে, কিভাবে এই সরকার গঠিত হবে, নির্দলীয় ব্যক্তিদের কোন মাপকাঠিতে এবং কিভাবে চিহ্নিত করা হবে এসবকিছু পরিষ্কারভাবে জাতির কাছে বিএনপির পক্ষ থেকে তুলে ধরা হয়নি।
আওয়ামী লীগ যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচনের কথা বলছে স্বাভাবিকভাবেই সে সরকারের প্রধান থাকবেন শেখ হাসিনা। কিন্তু শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যেতে বিএনপির প্রবল আপত্তি। তাহলে শেখ হাসিনাকে বাদ দিয়ে আর কোনও উপায়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হতে পারে কিনা, সেটা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে একটি সমাধানে পৌঁছানোর তাগিদ বিভিন্ন মহল থেকে দেয়া হচ্ছে। কিন্তু এ ব্যাপারে আগে বিএনপিকে তার অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে। তাদের ঝেড়ে কাশতে হবে। কারণ কেউ কেউ এমনও মনে করছেন যে, নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা যাই হোক না কেন বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। বিশেষ করে ৫ সিটি নির্বাচনে জয়ের পর নির্বাচন প্রশ্নে বিএনপির মধ্যে যে দোদুল্যমানতা ছিলো এখন তা অনেকটাই দূর হয়েছে। তাদের এখন আস্থা ফিরে এসেছে। বিএনপি গত ৪ বছর সরকারবিরোধী আন্দোলন করে বস্তুত কিছুই অর্জন করতে পারেনি। অথচ ৫ সিটি নির্বাচনে অংশ নিয়ে এবং জয়লাভ করে তারা যে রাজনৈতিক ফায়দা অর্জন করেছে তা এককথায় তুলনাহীন। বিএনপির নীতিনির্ধারকদের অনেকেই এখন এটা মনে করছেন যে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিলে তাদের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না। বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নাল আবদিন ফারুক সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, নিজেদের সরকারের অধীনে নির্বাচন হলেও আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে হারবে। এটা যদি তার কথার কথা না হয়, তাহলে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ হারবে জেনে বিএনপি সে নির্বাচন থেকে দূরে থাকবে কেন? আর বিএনপি যদি দূরেই থাকে তাহলে আওয়ামী লীগ হারবে কার কাছে?
নির্দলীয় সরকারের দাবিতে রাজপথে থাকার কৌশল বিএনপি সম্ভবত এই কারণেই নিচ্ছে যে, যদি তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে মানুষ ব্যাপকভাবে রাস্তায় নেমে আসে তাহলে সরকার হয়ত দাবি মানতে বাধ্য হলেও হতে পারে। সরকার আন্দোলনের মুখে দাবি মেনে নিলে বিএনপি নির্বাচনের আগেই রাজনৈতিক খেলায় জিতে যাবে। আর মানুষ যদি বিএনপির আন্দোলনের ডাকে সেভাবে সাড়া না দেয়, তাহলেও বিএনপির কোনো ক্ষতি নেই। আন্দোলনের নামে লাগাতার হরতাল-অবরোধের কর্মসূচি দিয়ে তারা দেশ অচল করে দিবে, জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলবে। এতে মানুষ সরকারের ওপরই ক্ষিপ্ত হবে। সরকার জনপ্রিয়তা হারাবে। ২৫ অক্টোবরের পর বিএনপি নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আন্দোলন কতটুকু জোরালো করে তুলতে পারবে সে বিষয়ে রাজনৈতিক পন্ডিতদের মধ্যেও সংশয় রয়েছে। দেখা যাচ্ছে, আন্দোলন-সংগ্রামে দেশের মানুষের আগ্রহ কম। কারণ আন্দোলন মানেই এখন ধ্বংস, মৃত্যু, রক্তপাত, সংঘাত, হানাহানি। মানুষ এসব চায় না। মানুষ শান্তি চায়। আর সেজন্যই ভোট দিয়ে তারা সরকার পরিবর্তন করতে চায়। সরকারের প্রতি মানুষের অনাস্থা থাকলেও বিরোধী দলের প্রতি আস্থা আছে- বিষয়টি তেমনও নয়। তারপরও মানুষ নিরুপায় হয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে বিরোধী দলকে ভোট দিয়ে থাকেন। এটা বিরোধী দলের সাফল্য নয়, সরকারের ব্যর্থতা।
তবে ২৫ অক্টোবরের পর আন্দোলনে নামলে বিএনপির জন্য কিছু বোনাস পরিস্থিতি থাকবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাধিকবার বলেছেন, এ সরকারের মেয়াদকালেই মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের কয়েকটি রায় কার্যকর করা হবে। অন্যদিকে বর্তমান সরকার যাতে কোনো রায় কার্যকর করতে না পারে সেজন্য তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করবে জামায়াত-শিবির। জামায়াত-শিবিরের প্রতিরোধ কতটা হিংস্র, ভয়ংকর ও ভয়াবহ হয় সেটা গত কয়েক মাসে দেশের মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে। জামায়াত-শিবিরের প্রস্তুতির পাশাপাশি মাঠে নামার কথা জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। হেফাজতের আমির মাওলানা শাহ আহমদ শফী বলেছেন, ‘দেশের আলেম-ওলামা ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ওপর সরকার যে নিষ্ঠুর নির্যাতন চালিয়েছে, যে রক্ত ঝরানো হয়েছে তার জবাব দেয়া হবে’। তাদের এই জবাবদান প্রক্রিয়া ৫ মে’র সহিংসতাকে ছাড়িয়ে যাবে কি না সেটাই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে সামনে আসছে।
দেশের পরিস্থিতি চরম অস্থিতিশীল হয়ে উঠলে সরকার কি করবে, কিভাবে পরিস্থিতি সামাল দেবে সেটা নিয়েও মানুষের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। সরকারের মেয়াদ শেষে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য রক্তপাত ঘটালে সেটাও সরকারের জন্য সুখকর হবে না। তবে আওয়ামী লীগ একটি দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দল। অনেক চড়াই-উত্রাই, পতন-অভ্যুদয়ের মধ্য দিয়েই আওয়ামী লীগ বর্তমান অবস্থায় এসেছে। এই দলে এখনও অসংখ্য পোড় খাওয়া নেতা-কর্মী আছেন, যারা বিপদ-আপদে দলের জন্য বুক পেতে দেবেন কিন্তু পিঠ দেখাবেন না। সিটি নির্বাচনে পরাজয়ের গ্লানি কাটিয়ে ওঠার চেষ্ট করছে আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় আওয়ামী লীগের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। জয় আওয়ামী লীগের নৌকার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করতে সক্ষম না হলেও আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের যে যথেষ্ট চাঙা করতে পারবেন, তাতে সন্দেহ নেই। সংঘাত সংঘর্ষ এড়িয়ে দেশ একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাক- এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা। এই প্রত্যাশা পূরণে শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্রনায়কোচিত ভূমিকা পালন করেন কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়।
লেখক : সাংবাদিক ও কলামিষ্ট
ই-মেইল: [email protected]
