সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন (!)

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২০:৫৮
সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন বর্তমানে আমাদের দেশের বৃহত্তম দু’দল গণতন্ত্রকে তাদের স্বার্থসিদ্ধির পথ হিসেবে বেছে নিয়েছে। তাদের গণতান্ত্রিক চেতনা হল— দেশের জন্য নয়, নিজ দলের ও নিজের উন্নতি সাধন। সরকারি দল যেকোনভাবে ক্ষমতায় থাকতে চায়। অন্যদিকে বিরোধী দল দেশকে অচল করে হলেও সরকারি দলের এ পদক্ষেপকে রুখতে চায়। সরকারি ও বিরোধী দল যদি আলোচনায় বসে এবং সমঝোতার মাধ্যমে যদি একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে সম্মত হয়, তাহলে দেশকে সম্ভাব্য নৈরাজ্যের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব। তা না হলে আমাদেরকে আবারও ২০০৭ সালের মত ১/১১’র সম্মুখীন হতে হবে। যা মোটেও কাম্য নয়। তাই আমাদের দেশের বৃহত্তম দু’দলকে যত দ্রুত সম্ভব আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় পৌঁছানো উচিত। মো. ইকরামুল আলম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমরা নবীনরা খুব শিগগিরই দু’দলের মধ্যে সমঝোতা চাই প্রতিদিনই দু’দল দুই মেরুতে থেকে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি চালাচ্ছেন। তাদের মধ্যে ইচ্ছেমতো পাল্টাপাল্টি বক্তৃতা চলছে। মনে হচ্ছে তাদের রঙ্গমঞ্চে তারা রঙ দেখাচ্ছেন আর আমরা দেখে দেখে খুবই আনন্দে আছি। কিন্তু এটা কি বিশ্বের কোনো রাজনীতিক দলের করা উচিত? তাই দু’দলের মধ্যে প্রধান প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে এক সঙ্গে বসে সমাধান করা উচিত। তা না হলে বাংলাদেশে এরকম পরিস্থিতির কারণে আবার যদি ১/১১’র মতো ভয়াবহ অবস্থা হয়, তাহলে আমরা বাঙালি জাতি চিরদিনের জন্য পঙ্গু হয়ে যাবো। কখনো বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবো না। খাজা মাহদী ফটো সাংবাদিক (DUPS), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা সমঝোতা না হলে সংঘাত আসন্ন বর্তমানে দেশে যে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছে তার সৃষ্টি আমাদের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে। আর এর সমাধান করতে হবে তাদেরকেই। কিন্তু আজ তারা তাদের স্ব স্ব অবস্থানে অনড় রয়েছে। সরকারি দল বলছে বর্তমান সংবিধানে নির্বাচনের কথা যেভাবে লেখা আছে ঠিক সেইভাবে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তার থেকে একচুলও নড়বো না। পক্ষান্তরে বিরোধী দল বলছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি ছাড়া আগামী জাতীয় নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। আর এ তত্ত্বাবধায়ক ইস্যু নিয়ে দু’দলই মারমুখী অবস্থানে। এদিকে আমরা সাধারণ জনগণের মধ্যে সন্দেহ দেখা দিয়েছে আগামী নির্বাচন হবে কি হবে না। আর হলেও কোন পদ্ধতিতে নির্বাচন হবে। তবে যাই হোক বর্তমানে যে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছে তা আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোকে একসাথে বসে সমঝোতার বৃত্তিতে নিরসন করতে হবে অন্যথায় সংঘাত আসন্ন ও ওয়ান ইলেভেনের চেয়েও ভয়ঙ্কর কিছু ঘটতে পারে। হাবিবুর রহমান স্নাতক, সম্মান (ইতিহাস), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ জনগণ সংবিধান বুঝতে চায় না, চায় সমঝোতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ‘চুলতত্ত্বে’ একদিকে অনড় থাকার কথা, অন্যদিকে বিরোধীদলীয় নেত্রীর ‘বাতাসতত্ত্বে’ বাতাসের বেগে চুল উড়ে যাওয়ার আগাম বার্তা বলে দেয় দেশ দিন দিন কঠোর সহিংসতা ও অস্থিরতার মধ্যে পড়ছে। প্রধান দু’দল সংবিধান নিয়ে কাঁদা ছুঁড়াছুঁড়ি করলেও সাধারণ জনগণ বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে সমঝোতা কামনা করে। এ কথা ভুলে গেলে চলবে না যে, কোন বিরোধী দলের যেমন পূর্ণাঙ্গ দাবি পূরণ হয় না, তেমনি সরকারি দলের ক্ষমতার মোহে গোঁ-ধরে বসে থাকাও গণতন্ত্র ও দেশের জন্য মঙ্গল নয়। এহেন পরিস্থিতিতে দেশে ১/১১’র মত কিছু আসলে প্রচুর রক্তপাত, সম্পদ নষ্টসহ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে যাবে যার মাশুল সবাইকে দিতে হবে। কাজী মাহফুজার রহমান এমএসসি (মাস্টার্স), রসায়ন বিভাগ, কারমাইকেল কলেজ, রংপুর ওয়ান ইলেভেন নয়, শান্তির বার্তা চাই দিন যত অতিবাহিত হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন তত নিকটে। এই নির্বাচন নিয়ে সমগ্র দেশ আজ হতাশার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মনে জল্পনা-কল্পনা। তাদের আশংকা যদি রাজনৈতিক বড় দু’দল সমঝোতা না করে তা হলে রাজনীতির আকাশে আবারও ওয়ান ইলেভেনের মতো ভয়ঙ্কর ঝড় আসতে পারে। যার কারণে দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে। রাজনৈতিক দলের নিকট আমাদের প্রত্যাশা— তারা যেন আমাদের শান্তির বার্তা প্রদান করে। সাধারণ মানুষের মনের ধারণা ভুল প্রমাণ হবে যে নির্বাচন মানে রক্তের খেলা, অশান্তির নাম। মো. আব্দুর রহমান সুমন বি.এস.এস, সরকারি তোলারাম কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়, নারায়ণগঞ্জ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন