ভারত ও বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বর্তমানে যতটা ব্যাপকতা লাভ করেছে তা আর ইতোপূর্বে লক্ষণীয় হয়নি। ভারত-বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বৃদ্ধি পেলে উভয় দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার আরো বাস্তবায়ন হবে এবং পারস্পরিক প্রয়োজন পূরণ হবে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের রয়েছে ঐতিহাসিক সুসম্পর্ক, ভৌগোলিক নৈকট্য, সাংস্কৃতিক সেতু বন্ধন। ক্রমাগত সীমান্তে হত্যাকাণ্ড, উভয় রাষ্ট্রের সরকারের মধ্যে টানাপোড়েন আর অবিশ্বাসের কারণে অতীতে সম্পর্কের দূরত্ব বেড়েছে। আশার কথা হলো ইতোমধ্যেই উভয় রাষ্ট্র এমন নীতিবাচক দিকগুলো অতিক্রম করে পারস্পরিক সুসম্পর্ক ও ইতিবাচক ধারা সৃষ্টি করতে সম্মত হয়েছে। ভারত বাংলাদেশের শুধু বৃহত্ প্রতিবেশীই নয়, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সহায়তাকারী বন্ধু রাষ্ট্রও। বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান বলেছিলেন, ‘ভারত বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু’। যতো বিভ্রান্তিই সৃষ্টি করা হোক না কেন বাস্তবতা হলো উদীয়মান বৈশ্বিক শক্তি ভারত তিন দিক থেকে বাংলাদেশকে বেষ্টন করে আছে ভৌগোলিকভাবে। এতটা নৈকট্য আর সৌহার্দ্য পৃথিবীর অন্যকোনো দেশের মতো হতে পারে না। অতীতে প্রায়শ ধর্মীয় ইস্যুকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক ঘটনা দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক উত্তপ্ত হয়েছে, অভ্যন্তরীণভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হয়েছে। তাতে দুদেশের কোনো লাভ হয়নি। ভারতের হাইকোর্টের রায়ে রামমন্দির ও বাবরি মসজিদের সহাবস্থান জনগণ মেনে নিয়েছে কোনো রকম সংঘর্ষ ছাড়াই। ভারতে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ হিন্দু আর বাংলাদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ মুসলমান। উভয় দেশে কোনো সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটলে তার অনিবার্য প্রভাব পড়ে দুই দেশের সংখ্যালঘু শ্রেণীর ওপর। এতে জনগণের অশান্তি, উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা বাড়ে আর রাষ্ট্রীয় সুসম্পর্কের অবনতি ঘটে, ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। এসব তিক্ততা অতিক্রমের চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্তের সীমান্ত সংঘর্ষ আর হত্যাকাণ্ডও প্রায়শ উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠে। আশার সংবাদ হলো- ২০১০ সালের ৭ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহারের দিনহাটার চৌধুরীহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নির্মমভাবে নিহত কিশোরী ফেলানির বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেছেন ভারত সরকার। বহুল আলোচিত ফেলানি মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছিল ২০১৩ সালের ১৯ আগস্ট। এ ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও আইনি বিচার সম্পন্ন হয়নি। প্রাথমিকভাবে যে রায় হয়েছে তাতে সন্তুষ্ট হয়নি ফেলানির বাবা এবং বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ। এর সুষ্ঠু বিচার এবার হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। কারণ ফেলানির বাবা সুষ্ঠু বিচার না পেলে আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়ার কথা বলেছে। বাংলাদেশ সরকারও পুনরায় ফেলানি হত্যার সুষ্ঠু বিচার চেয়েছেন। এ বিচার সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বাড়বে, সুপ্রতিবেশী সুলভ সম্পর্ক গভীর হবে। ইতোমধ্যে সীমান্তে হত্যার ঘটনা বন্ধের কথা বলা হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার সীমান্তে হত্যা বন্ধে বৈঠক করার, যুদ্ধাপরাধীর বিচার শুরু, সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা পুন:প্রবর্তন, গণতান্ত্রিক এ সাংবিধানিক ধারায় ক্ষমতা হস্তান্তরে উদ্যোগী হওয়ায় বৃহত্ গণতান্ত্রিক ভারতের সরকারও সন্তুষ্ট। উদীয়মান বৃহত্ শক্তি হিসেবে ভারত চায় পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক ও সৌহার্দ্য বাড়ুক। এ সদিচ্ছা নিয়েই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মৈত্রী বন্ধনের নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে এক বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ চুক্তি। ২০১০ সালের ৭ আগস্ট ঢাকায় ক্রেডিট লাইন এগ্রিমেন্ট অনুযায়ী ৭ হাজার কোটি টাকা দেয়ার চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। বৃহত্ অর্থনীতির দেশ ভারতের তত্কালীন অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশের অকৃত্তিম বন্ধু এবং বর্তমান রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি ঢাকায় এসেছিলেন। তিনি বাংলাদেশের ক্ষতি হবে এসব কোন কাজ ভারত সরকার করবে না বলেও আশ্বস্ত করেন। ভারত সরকারকৃত এক বিলিয়ন ডলার ঋণচুক্তির আওতায় মোট ১৪টি প্রকল্পে অর্থ ব্যয়ের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সর্বাধিক অর্থ খরচের সিদ্ধান্ত হয় বাংলাদেশের ভেড়ামারা ও ভারতের বহরমপুরের মধ্যে ৪০০ কেভির আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুত্ সঞ্চালন লাইন নির্মাণে। পানি সম্পদ ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬টি ড্রেজার ক্রয়, বাংলাদেশ রেলওয়ের ১০টি ব্রডগেজ লোকোমটিভ (রেলের ইঞ্জিন) ক্রয়, ২য় ভৈরব ও ২য় তিতাস সেতু নির্মাণ, বিআরটিসির জন্য ডবল ডেকার এসি ও নন এসি বাস সংগ্রহ এবং ৫০টি আর্টিকুলেটেড বাস কেনা, আখাউড়া বন্দর উন্নয়নের জন্য সরাইল-ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-সুলতানপুর-চিনইর-আখাউড়া-সেনারদি স্থল বন্দর সড়ক জাতীয় মহাসড়কে উন্নয়ন। এছাড়া জুরাইন রেলক্রসিংয়ে ওভারপাস এবং মালিবাগ রেলক্রসিংয়ের ওপর একটি ফ্লাইওভার নির্মাণের প্রকল্প গৃহীত হয়। রাম্যাড় সাবরুম স্থল বন্দর সংযোগ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়। ভারতীয় ঋণের অর্থে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউটের উন্নয়নে চারটি প্রকল্প গৃহীত হয়েছে। এজন্য প্রায় ৯ মিলিয়ন ডলার খরচ ধরা হয়। বাংলাদেশ থেকে ভারতের উভয় পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্যে ইটসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী রপ্তানি হয়। এসব সামগ্রীর মান নিয়ন্ত্রণ ও পরীক্ষার জন্য গৃহীত হয়েছে প্রকল্প। ঢাকা-দিল্লি ৫০ দফা যৌথ ইসতেহার স্বাক্ষরিত হয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং-এর সঙ্গে দ্বি-পক্ষীয় বৈঠক শেষে। দুইটি স্বাধীন রাষ্ট্রের পারস্পরিক সহযোগিতার মূল ভিত্তি হলো অর্থনীতি। দুইটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রই চায় জনগণের আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন। উভয় দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে বহু বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। জনগণ চায় সেগুলোর যথাযথ ও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন।
জাতিসংঘের সমুদ্রসীমা আইন অনুসারে দুই দেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হবে ২০১৪ সালে বাংলাদেশের আশুগঞ্জ এবং ভারতের শিলঘাটকে ‘পোর্ট অব কল’ ঘোষণার সিদ্ধান্ত, আগুগঞ্জ থেকে ওডিসির (ওভার ডাইমেনশনাল কার্গো) মাধ্যমে পরিবহন ব্যবস্থা চালুর অবকাঠামোগত উন্নয়ন পর্যবেক্ষণে যৌথ টিম গঠনের উদ্যোগ, ভারতীয় পণ্য চলাচলে চট্টগ্রাম ও মংলাবন্দর ব্যবহারের সিদ্ধান্ত, ভারত মৈত্রী এক্সপ্রেস চালু, দুই দেশের মধ্যে বন্ধ থাকা রেল ও সড়ক যোগাযোগ পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত সুসম্পর্ককে আরো বাড়াবে। তিস্তা নদীর পানি প্রবাহ যাতে জনদুর্ভোগ না বাড়ায় সে ব্যপারেও আশাবাদ রয়েছে। যৌথ নদী কমিশন তিস্তা ছাড়াও ফেনী, মনু, মুহুরী, খোয়াই, গোমতী, ধবলা ও দুধকুমার নদীর বিরাজমান সমস্যা নিয়ে আলোচনায় সম্মত। বন্যা প্রতিরোধে নাব্য ও বন্দরে প্রবেশে বিরাজমান সমস্যার বিষয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশের নদী খননে ভারতের কৌশলগত সহায়তা এবং আইলাদুর্গত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে ড্রেজার সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের প্রধানমন্ত্রী টিপাইমুখ প্রকল্পে বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর কোনো উদ্যাগ গ্রহণ না করার নিশ্চয়তা দেয়ার পর এ নিয়ে অপপ্রাচার ও বিভ্রান্তি দূর হয়েছে। ভারতের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার অভিনন্দিত হয়েছে। ভারতের নিষেধের তালিকায় বাংলাদেশি পণ্যের সংখ্যা কমানোর আহ্বানও রয়েছে বাংলাদেশ সরকারের। ইতোমধ্যে ফারাক্কা সমস্যা এবং গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় হয়েছে। উভয় দেশের পণ্য বিক্রির জন্য যৌথ উদ্যোগে গৃহীত সীমান্ত হাট প্রশংসিত হয়েছে। ২০১১ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের ১৫০তম জন্মবার্ষিকী দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে পালিত হয়েছে। ভারতের সরকার প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পাঁচ বছর মেয়াদী কোর্সে বাংলাদেশিদের জন্য তিনশত মেধা বৃত্তির ব্যবস্থা করেছে। এ সংখ্যা আরো বৃদ্ধির আশ্বাস রয়েছে। সার্ককে শক্তিশালী করে এবং বিসমটেকের ভিত্তিতে আঞ্চলিক সহযোগিতাকে আরো শক্তিশালী করার উদ্যোগ ও সম্মতি ইতিবাচক। বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উভয় রাষ্ট্র দ্বি-পাক্ষীয় ও বহুপাক্ষীয় সহযোগিতার উপর গুরুত্ব দিয়েছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারে এবং ক্ষুদ্র দেশগুলোর অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে উভয় রাষ্ট্রের ঐকমত্যের প্রতিফলন ঘটেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের উভয় রাষ্ট্রের প্রার্থিতা ও প্রতিনিধিত্ব উভয় রাষ্ট্র কর্তৃক সমর্থিত হয়েছে।
ইতোমধ্যে পারস্পরিক আইনি সহায়তায় অপরাধ দমন, সাজাপ্রাপ্ত বন্দী বিনিময় চুক্তি, আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, সংঘটিত অপরাধ ও অবৈধ মাদক পাচার মোকাবেলার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিদ্যুত্ খাতে সহযোগিতার স্মারক চুক্তি এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচির বাস্তাবয়নে উভয় রাষ্ট্রের জনগণ আশাবাদী। উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে সমতাভিত্তিক সুসম্পর্ক, সত্ প্রতিবেশী সুলভ ইতিবাচক কর্মধারা, বাণিজ্যিক ঘাটতি ও বৈষম্য দূরীকরণের সরকারি উদ্যোগ জনগণ আশা করে। ভারতের বৃহত্ বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়াতে পারলে বাংলাদেশের আয় বাড়বে। অর্থনৈতিক উন্নয়নে ও দারিদ্র্য হ্রাসে বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতার বিকল্প নেই। ভারত-বাংলাদেশ সুসম্পর্কের সুদৃঢ় ভিত্তি হিসেবে নতুন ক্ষেত্র সন্ধান করতে হবে। বিনিয়োগ সম্ভাবনা বাড়ানো, ভিসামুক্ত চলাচল, সার্কের আলোকে আঞ্চলিক ইউনিয়ন গঠন, কানেকটিভিটি বৃদ্ধি করা, জনগণের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহযোগিতা সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থানের উদ্যোগ গ্রহণ, সন্ত্রাসবাদ-জঙ্গীবাদ দমনে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি প্রয়োজন। ইতোমধ্যে সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ, পার্বত্য শক্তিচুক্তি, বিচ্ছিন্নতাবাদির তত্পরতা দমন কার্যকর প্রশংসিত হয়েছে। ভারত চায় বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় থাকুক। প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-সংঘাত, বিরোধ-সহিংসতা থেকে মুক্ত থাকলে ভারতের জন্যও ভালো। এজন্য এসব ব্যাপারে ভারত সহযোগিতা দিতে চায়। ইতিহাসের গতিধারায় বাংলাদেশ-ভারতের সুসম্পর্ক ও সহযোগিতার ভিত্তি আরো সম্প্রসারিত হোক- জনগণও তা চায়। অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করেছেন। বাংলাদেশের নিকট ভারতের শিক্ষণীয় আছে বলে উল্লেখ করেছেন। প্রয়াত কবি ও কথাসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন, বাংলাদেশ যা চায় ভারতের তাই দেয়া উচিত। বড় রাষ্ট্রের নিকট ছোট রাষ্ট্রের চাহিদা একটু বেশি। বড়র কাজ হলো ছোটর আকাঙ্ক্ষা পূরণ করা। উভয় রাষ্ট্রের সুসম্পর্ক ও মর্যাদা প্রত্যাশিত। ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি একজন বাঙালি এবং বাংলাদেশের আত্মীয় ও নিরন্তর শুভাকাঙ্ক্ষী। তা সত্ত্বেও তিনি বলেছেন, ভারত সরকার চুক্তি করেছে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে, কোনো দলের সঙ্গে নয়। এতে বুঝা যায় বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত অব্যাহত সুসম্পর্কে বিশ্বাসী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার রয়েছে সুসম্পর্ক। বাংলাদেশের জনগণ চায় ভারতের সঙ্গে এদেশের সুসম্পর্ক আরো বৃদ্ধি পাক এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলোর নিরসন ঘটুক।
লেখক : প্রাবন্ধিক ও গবেষক
