আত্মবিশ্বাসী হয়ে বিশ্বকাপে যাব আমরা: মোসাদ্দেক

আপডেট : ১৮ মে ২০১৯, ১৫:০৩

আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বৃষ্টি আইনে ৫ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশকে প্রথমবারের মত কোন টুর্নামেন্টের শিরোপা এনে দিতে মহাগুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন সাত নম্বর ব্যাটসম্যান মোসাদ্দেক হোসেন। ২৪ বলে অপরাজিত ৫২ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হন তিনি।

 

এছাড়া ওপেনার সৌম্য সরকারের ৪১ বলে ৬৬ রানও দলের জয়ের পেছনে বড় অবদান রাখে। তাই মোসাদ্দেক-সৌম্যর হাত ধরে বাংলাদেশ পেল প্রথম শিরোপা জয়ের স্বাদ। আর এই জয় আসন্ন বিশ্বকাপে কাজে দিবে বলে মনে করেন ফাইনালের সেরা মোসাদ্দেক। তিনি বলেন, ‘অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে আমরা বিশ্বকাপে খেলতে যাব এবং আশা করি, বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফর্ম করতে এই আত্মবিশ্বাস কাজে দিবে।’

 

লিগ পর্বে চার ম্যাচের তিনটিতেই (একটি ম্যাচ বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত) হেসেখেলে জয় পায় বাংলাদেশ। তবে ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বড় চ্যালেঞ্জের সামনে পড়ে গিয়েছিলো টাইগাররা। বৃষ্টির কারনে ২৪ ওভারে নির্ধারিত ম্যাচে টার্গেট পায় ২১০ রান। ওভার প্রতি প্রায় ৯ রান করে তুলতে হবে।

 

জবাবে নিজেদের ইনিংসের শুরুটা দুর্দান্ত করেন ওপেনার সৌম্য সরকার। ৪১ বলে ৯টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৬৬ রান করে ফিরেন তিনি। তারপরও ম্যাচ জয়ের পথ খুঁজছিলো টাইগাররা। তবে শেষদিকে, মাত্র ২০ বলে হাফ-সেঞ্চুরি তুলে মহাকাব্যিক এক ইনিংস খেলে দলকে জয়ের স্বাদ এনে দেন মোসাদ্দেকই। ২৪ বলে ২টি চার ও ৫টি ছক্কায় অপরাজিত ৫২ রান করেন তিনি। ফলে ৭ বল বাকী রেখে ২১৩ রান তুলে ফাইনাল ম্যাচ জিতে নেয় টাইগাররা।

 

আয়ারল্যান্ডের মত ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপেও নিচের দিকে ব্যাটিং করে দলকে জেতানোর স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিয়েছেন মোসাদ্দেক। ইংল্যান্ডের উইকেট আরও ভালো হবে এমন প্রত্যাশায় মোসাদ্দেক বলেন, ‘ইংল্যান্ডে উইকেট এখানকার চেয়ে ব্যাটিংয়ের জন্য আরও ভালো হবে। যদি আমি নিচের দিকে খেলার সুযোগ পাই এবং এমন ইনিংস খেলতে পারি তবে দলের কাজে দিবে।’

 

ফাইনাল ম্যাচে দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে খুশী মোসাদ্দেক। তার চিন্তায় কাজ করছে, এই সিরিজ দিয়ে বিশ্বকাপের জন্য কতটা প্রস্তুত হতে পারলো বাংলাদেশ!! তিনি বলেন, ‘অবশ্যই দারুন পারফরমেন্স করেছি এবং ফাইনালে দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরেছি। কিন্তু এর চাইতে গুরুত্বপূর্ণ হলো, বিশ্বকাপের জন্য আমরা কত ভালোভাবে প্রস্তুতি সাড়তে পারলাম।’ বাসস।

 

ইত্তেফাক/এএম