রাজধানী ও এর আশেপাশে অভিযান চালিয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ছিনতাই হওয়া ৬টি প্রাইভেট কার ও ৮টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে। এসময় এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ছয় ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে। তাদের কাছ থেকে ২টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫ রাউন্ড গুলি ও ৩টি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে। গতকাল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে ডিবির উপ-কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায় জানান, বৃহস্পতিবার রাতে পান্থপথ এলাকায় সন্দেহভাজন হিসাবে একটি প্রাইভেটকার আটক করা হয়। ঐ প্রাইভেট কার থেকে নেছার হোসেন নাছির (৩৫), আল-আমিন রিয়াজ (২৪), মিজানুর রহমান মির্জা (২২) ও মঞ্জুর এলাহী পাখিকে (২৩) গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ১টি রিভলবার, ১টি পিস্তল, ৫ রাউন্ড গুলি ও ৩টি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার হয়।
গ্রেফতারকৃতরা রাজধানীতে প্রাইভেট কার ও মোটরসাইকেল ছিনতাই করে। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাবু (২২) ও টিটু নামে আরো দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। রাতেই আশুলিয়ার সোহেলের গ্যারেজ হতে ৩টি মোটরসাইকেল ও ২টি প্রাইভেট কার উদ্ধার করা হয়। আশুলিয়ার কুরগাঁওয়ের নূরুল আমিনের বাড়ি থেকে ২টি মোটরসাইকেল, ঠাটিবাড়ীর রাসেলের গ্যারেজ হতে ১টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে ১টি মোটরসাইকেল, পল্টন এলাকার এসএ পরিবহনের সামনে থেকে একটি মোটরসাইকেল, কমলাপুর এলাকা থেকে ১টি প্রাইভেট কার, ধানমন্ডি এলাকা হতে ১টি ও গাজীপুর থেকে ১টি প্রাইভেট কার উদ্ধার করা হয়।
কৃষ্ণ পদ রায় আরো জানান, উদ্ধারকৃত গাড়ি ও মোটরসাইকেলগুলো গত কয়েক মাসের মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে চুরি অথবা ছিনতাই করা হয়। পরে এগুলো ঢাকার পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন গ্যারেজে রঙ পরিবর্তন করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চোরাই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়। আটককৃত গাড়িগুলোর মধ্যে জি করোলা, টয়োটা এলএক্স, স্টারলেট ও এফ প্রিমিও গাড়ি রয়েছে। মোটরসাইকেলগুলোর মধ্যে চারটি কালো রঙের পালসার, তিনটি অ্যাপাচি এবং একটি আর-১৫।
