সমঝোতা অবশ্যই
হতে হবে,
তা না হলে...
জনলক বলেছিলেন, জনগণের সম্মতিই হচ্ছে সরকারের ভিত্তি। আর আমাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশে সরকার গঠিত হয় জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে। এজন্য জনগণের কথা চিন্তা করে যাতে কোন অরাজকতা সৃষ্টি না হয়। এজন্য সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে প্রমাণ করতে হবে যে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি দল গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। তাই দরকার প্রধান দুই দল ‘জনগণের ক্ষমতায়ন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা। সার্বভৌমত্বের সর্বজনীনতা, স্বাধীনতা, স্বাধীনতার চেতনার মূল্যবোধকে মাথায় রেখে সমঝোতার মাধ্যমে সুষ্ঠু একটি নির্বাচন দিয়ে নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশকে একটি আদর্শ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ধারায় অব্যাহত রেখে বিশ্বের মানচিত্রে মাথা উঁচু করে দাঁড় করাতে সক্ষম হবে। তবেই আমরা স্বাধীনতার সর্বভৌমত্ব ও জনগণের ক্ষমতায়নকে বাঁচিয়ে রাখতে পারবো। তা না হলে কখনই শান্তি আসবে না দেশে।
মো. কমল সরকার
অনার্স ভর্তি পরীক্ষার্থী, মানবিক বিভাগ।
আহম্মদ উদ্দীন শাহ্ কলেজ।
গাইবান্ধা সদর।
সমঝোতা না হলে
“৯৬”-এর পুনরাবৃত্তি
ঘটবে
বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সমঝোতা না হলে কেউ কেউ মনে করেন যে, দেশে ১/১১-এর পুনরাবৃত্তি ঘটবে। তাদের এ ধারণা সঠিক নয় এবং আমি তাদের সাথে একমত নই। তবে দুই নেত্রীর গাফিলতি ও খামখেয়ালির ফলাফল একটি বড় ধরনের Social ও Political. disfuction বয়ে আনতে পারে। সম্ভবত এই Disorderটি ১৯৯৬ সালের প্রতিচ্ছবি ও পুনরাবৃত্তি হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঠিক ১৯৯৬ সালে যেমন তাঁর দলের বিজয়ের লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামের সহযোগিতায় লাঠি-বৈঠার দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক আন্দোলন করেছিলেন। তেমনভাবে সমঝোতার অভাবে বিরোধী দল অন্য দলগুলোর সহযোগিতায় একটি Social disorder করতে পারে। এ দেশের একজন নাগরিক ও বাঙালি হিসেবে আমার একটি দাবি যে, আপনারা দুই নেত্রীই দয়া করে সমঝোতায় আসুন এবং আমাদের এই ছোট সোনার দেশটির স্বার্থে সুষ্ঠু নির্বাচন করুন। তাহলেই, দেশে শান্তি আসবে ও কোন disfuction দেখা দেবে না।
মো. এনামুল হক
বি.এস.এস (অনার্স),
৩য় বর্ষ, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ,
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।
সমঝোতায় শান্তি ও
সমৃদ্ধি বয়ে আনে
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন চলছে হ-য-ব-র-ল অবস্থা। একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য হলো প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতামূলক সম্পর্ক থাকা। বিরোধিতা থাকবে তবে তা অবশ্যই গঠনমূলক হতে হবে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাজনীতিতে যে চরম অবস্থা বিরাজ করছে, যে ধরনের নির্বাচনী পদ্ধতির কথা বলা হচ্ছে তাতে এটা খুব সহজেই অনুমেয় যে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন তো নস্যি এর থেকেও ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়া বিরল কিছু নয়। আমাদের মত শিক্ষার্থী, সাধারণ জনগণই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দেশের কোটি কোটি টাকার সম্পদ ও জানমালের ক্ষয়ক্ষতি তো আছেই! আর তা না হলে দেশে সংঘাত অবধারিত। তাই সকল রাজনীতিবিদদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই। “অবশ্যই সমঝোতা শান্তি, সমৃদ্ধি বয়ে আনে। যা আপনাদের আমাদের সবার কাম্য।
মো. মনির হোসেন
বিজ্ঞান বিভাগ, ২য় বর্ষ
সরকারি বাংলা কলেজ, মিরপুর, ঢাকা।
দুই নেত্রীর কেউ কাউকে ছাড় না দিলে পরিস্থিতি
হবে ভয়াবহ
আমেরিকান গায়ক ববডিলানের বিখ্যাত একটি গানের লাইন-How many roads must a man walk down before you call a man. অর্থাত্ কতটা পথ হেঁটে গেলে কাউকে মানুষ বলা যাবে। ঠিক তেমনি আরো কতটা জীবন অকালে ঝরে গেলে আমাদের দেশের প্রধান দুই নেত্রীর বোধোদয় হবে আমার জানা নেই। বর্তমানে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে যে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে তাতে বোঝা যায় দেশ অনিবার্য সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন “সংবিধানের নিয়ম অনুসারে আগামী সংসদ নির্বাচন তার সরকারের অধীনেই হবে।” তা থেকে একচুলও নড়চড় হবে না। অপরদিকে, বিরোধী দলীয় নেত্রীও বলে দিয়েছেন “বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচন আমরা হতে দিব না বরং জনগণের আন্দোলনে চুল উড়ে যাবেই।” তাই দেখা যায়, দুই নেত্রীর কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি না। তারা উভয়ে নিজেদের জিদ নিয়ে বসে থাকবে এবং সাধারণ জনগণকে আন্দোলনের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করবে। এতে যাদের প্রাণ ঝরে যাবে তাতে পিতা-মাতা হারাবে তাদের প্রিয় সন্তানকে, স্ত্রী তার স্বামীকে এবং একজন বোন হারাবে তার ভাইকে। সর্বোপরি একটি পরিবার হারাবে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি এবং স্বপ্নকে।
এম এ হান্নান সরকার
বি.এ (সম্মান) তৃতীয় বর্ষ
শহীদ জিয়াউর রহমান হল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
