পাট শিল্পের উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কীমের সিদ্ধান্ত

আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০১৩, ২০:৪৩
পাট ও পাটজাত শিল্পের উন্নয়নে ১০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কীম চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাট শিল্পের উন্নয়ন ও কৃষক পর্যায়ে পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে বস্ত্র ও পাট, কৃষি এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এ তহবিল চালু হতে যাচ্ছে। চলতি বছরের মধ্যেই এ স্কীমের কার্যক্রম ও সুফল দেশের পাট চাষীরা এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা পেতে শুরু করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস. কে. সুর চৌধুরী। এসময় নির্বাহী পরিচালক এস.এম. মনিরুজ্জামান ও প্রিন্টিং এন্ড পাবলিকেশন্স বিভাগের মহাব্যবস্থাপক ও সহকারী মুখপাত্র এএফএম মোকাম্মেল হক উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে ডেপুটি গভর্নর বলেন, পাট ও পাট শিল্পের পুনঃজাগরণের ফলে এখাতের পাশে থাকা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংক এ স্কীম গ্রহণ করেছে। এছাড়া পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ও উন্নত জাতের পাট উত্পাদন হয় বাংলাদেশে। বলা যায় বাংলাদেশের পুরো ভূখণ্ডই পাট উত্পাদনের জন্য দারুণ উপযোগী। সম্প্রতি পাট উত্পাদনের বৈজ্ঞানিক সাফল্য জ্বিন আবিষ্কারের ফলে বাংলাদেশে পাটের ভবিষ্যত্ অতি উজ্জ্বল। এসব কিছু বিবেচনায় রেখেই এ তহবিল চালু হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরীর নেতৃত্বে এবং উল্লেখিত মন্ত্রণালয়ের সদস্যদের সমন্বয়ে ইতিমধ্যে একটি কমিটি গঠিত হয়েছে। আর ওই কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সচিবালয়ের নির্বাহী পরিচালক এস.এম. মনিরুজ্জামান। শিগগিরই এ কমিটি স্কীমের সুদ নির্ধারণসহ সার্বিক শর্তাবলী নির্দিষ্ট করবে। এ স্কীমের আওতায় কৃষক পর্যায়ের ঋণে সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিট (দশ শতাংশের নিচে) থাকবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।