তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচনে যাবে না জাপা

আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০১৩, ২১:১৫
বাংলাদেশ সত্যি সুন্দর। সুজলা-সুফলা শস্য শ্যামলা চিরসবুজের দেশ বাংলাদেশ। কবি বলেছেন, ‘এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি। সকল দেশের সেরা সে যে আমার জন্মভূমি।’ অথচ আজ এ দেশটা ক্রমে কেমন হয়ে যাচ্ছে। জন্মভূমি আমার। ‘শৈশব, কৈশোর, যৌবন কেটেছে সেখানে। আজ বাস্তবতার নিরিখে বিদেশে। কিন্তু সত্যি খুব কষ্ট হয়। যখন দেখি দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সবকিছু এলোমেলো। কোনকিছুতেই নেই আজ সহজ স্বাভাবিক। আসন্ন দশম নির্বাচন নিয়ে চলছে নানা রকম রাজনীতি। কিন্তু আমরা কি পারি না দেশের দুই নেত্রীকে একত্র করতে? এক টেবিলে বসাতে। সুষ্ঠু নির্দলীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা সংলাপের একটি আলোচনার বিষয়। তাহলে তো কোন সমস্যা থাকে না। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান যা বলেছেন তত্ত্বাবধায়ক বিষয়ে কথাটি ঠিক আছে। বিষয়টি জটিল হয়ে গেছে। তাই বলছি একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করুন। প্রয়োজনে একটি সংলাপের আয়োজন করুন। এটাই আজ দেশবাসীর প্রত্যাশা। সানিজদা জামান শিলা সিডিন, অস্ট্রেলিয়া জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বহুরূপী একজন মানুষ। ওনার কথার সাথে কাজের কোন মিল নেই। এখন হয়তো তার সুবিধার জন্য আজ এ কথা আবার কাল সে কথা বলছেন। মাসুম আহম্মেদ যাত্রাবাড়ী, ঢাকা এরশাদ সাহেব এক দিক থেকে ঠিক কথাই বলেছেন। অবশ্যই তার কথার মধ্যে শুদ্ধতা রয়েছে। আমার মতে, তিনি যথার্থই একজন নেতা। শহীদুল ইসলাম (রয়েল) কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের কথার সাথে একমত হতে পারছি না। কেননা তিনি সকালে এক কথা, বিকালে আরেক কথা বলেন। কাজেই কিভাবে সহজভাবে নেবো? নার্গিস নতুন পল্টন লাইন, ঢাকা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ যে উক্তি করেছেন তার সাথে একমত পোষণ করছি। বিশেষ করে তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন হওয়া বড়ই কঠিন। আলমগীর মতিঝিল, ঢাকা এরশাদ সাহেব যা বলেছেন তা ভিত্তিহীন। তার কথার কোন ঠিক-ঠিকানা নেই। মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য এসব কথা বলছেন। একজন রাজনীতিবিদ হিসাবে এসব কথা বলা ঠিক নয়। তিনি যেন চিন্তা-ভাবনা করে কথা বলেন—এই আবেদন জানাচ্ছি। আবদুর রহমান নাইম অনার্স ইংরেজি, ঢাকা কলেজ ‘সকাল বেলা দিলা কথা, বিকাল বেলা রাখলা না, বন্ধু তুমি মানুষ ভালা না’। প্রেমিক গায়ক তার প্রেমিকার ওয়াদা ভঙ্গ করার জন্য দুঃখ ভারাক্রান্ত হূদয়ে গানটি গেয়ে তার মনের সে যুক্তি প্রকাশ করেছে। জাপা প্রধান পল্লীবন্ধু তার জীবনের শেষ প্রান্তে এসে জনস্বার্থে জাতীয় নির্বাচনের পদ্ধতি নিয়ে বলা কথাটি যদি রক্ষা করতে বেঈমানি করেন বা ব্যর্থ হন তবে আমরা গানের সুরে সুর মিলিয়ে গাইবো ‘পল্লীবন্ধু তুমি না জানি কতবার কত কথা দিয়েছিলে যৌবনে কত সুন্দরীরে। মতলব হাসিলের পর বান্ধবী বদলিয়েছো বারে বারে। রাতের বেলা কথা, রাখোনি সকালে। শেষে কিনা এবার বন্ধু তুমি তোমার বৃদ্ধবেলার রাজনৈতিক জীবনে, নির্বাচন নিয়ে বেঈমানি করলে? মো. লুত্ফুর রহমান এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা সুবিধাবাদি নেতা হিসেবে পরিচিত জাপা চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বিভিন্ন দলের সমর্থন ও আসন্ন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলনকে চাঙ্গা করতে এ কথাটি বলেছেন। আসলে তিনি তত্ত্বাবধায়ক ছাড়াই নির্বাচনে যাবেন এবং ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে শরিক হবেন বলে আমি মনে করি। নাসির উদ্দিন ফুরকান শিক্ষার্থী বাংলা বিভাগ, সরকারি বাংলা কলেজ, ঢাকা জাপার সভাপতি এইচ এম এরশাদ যদি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক বা যে কোনভাবেই হয় তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন। তার কথাটা আমরা বিশ্বাস করতে পারলাম না। কারণ তিনি তো একেক সময় একেক কথা বলেন। জসিম উদ্দিন ভালুকা বাজার, ভালুকা, ময়মনসিংহ তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে জাতীয় পার্টি জাপা প্রধান যা বলেছেন তা সঠিক নয়। সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সুযোগ নিয়ে এখন বলছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার না হলে তিনি নির্বাচনে যাবেন না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার অতীতে যা করেছে তা সবাই জানে। তাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পরিবর্তে নির্বাচন করলে হয় সুষ্ঠু। তাই তত্ত্বাবধায়ক নয়, বর্তমানে সরকার যেভাবে নির্বাচন করতে চাচ্ছে সেটাই হবে উত্তম। ফারুক আহমেদ, বাঘমারা, রাজশাহী জাতীয় পার্টির (জাপা) সভাপতি এইচ এম এরশাদ সাহেব কত কথাই না বলেন। উনার কথা ধরলে রাজনীতিই বদলে যাবে। তিনি কখন কী বলেন সে কথার মাথা নেই। তাই তার কথাকে ধরা ঠিক নয়। আবু আফজাল খান আখড়াবাজার, কিশোরগঞ্জ এরশাদ সাহেব জনগণের কথাই বলেছেন। তার কথা যুক্তিযুক্ত। আমার মত হলো উনি যা বলেছেন তাই। আবদুল কদ্দুস মহাখালী, ঢাকা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের বক্তব্যের সাথে আমি একমত। হাফেজ মোস্তাফিজুর রহমান, টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ দেশ পরিচালনায় সফলতা ও দুর্বলতা দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের রয়েছে। আমরা মনে করি, এখনো কিছু সময় হাতে রয়েছে দেশকে বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার। কাজেই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন। শাহজাহান, নবাবগঞ্জ, ঢাকা এখনও সময় আছে গণতান্ত্রিক সহনশীলতা প্রদর্শনের। এজন্য প্রয়োজন সুশীল সমাজ এমনকি বিদেশি কূটনীতিকদের সহায়তা গ্রহণ করা অন্যায় হবে না। এরশাদ সাহেবের বক্তব্যটি সঠিক। মনির হোসেন মনির বুক এন্ড সংবাদ বিক্রয় কেন্দ্র, মিরপুর, ঢাকা সম্প্রতি জাতীয় পার্টির (এ) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ ৭ অক্টোবর বনানীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া তার দল নির্বাচনে যাবে না। তার আগের দিন রংপুর মহানগরীর পল্লীনিবাস বাসভবনে নেতা-কর্মী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেন, আমি এখন মহাজোটে নেই। আগামী নির্বাচনে কার সঙ্গে জোট করবো, তা সময়ই বলে দেবে। আরো বলেন, সকল দল নির্বাচনে অংশ না নিলে, জাতীয় পার্টিও অংশ নেবে না। পার্টিপ্রধানের কথা ও কাজে পদে পদে রয়েছে স্ববিরোধিতা। রাজনীতি এখন কতো পচা পচলে পার্টি প্রধানরা রঙ-বেরঙের কথা বলতে পারেন। হু. মু. এরশাদ তার সর্বশেষ উদাহরণ। উনি নিজেও জানেন না কখন কী কথা বলছেন। সিলেট সফরের এক পর্যায়ে বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনে না এলে তিনিও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না। এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে দালাল বলে চিহ্নিত হবেন। আবার তার কয়েক ঘণ্টা পর ঢাকাতে এসে সুর বদলে, নির্বাচন হলে তিনি অবশ্যই অংশগ্রহণ করবেন বলে জানালেন। দলীয় প্রধানের এই ঘরকা না ঘাটকা চরিত্রই বলে দেয় রাজনীতিতে এরশাদ দেউলিয়া হয়ে পড়েছেন। এইচ এম এরশাদ বহুরূপী, ভোল পালটানোতে পারঙ্গম, ডিগবাজি বিশারদ। ধর্মরক্ষায় ছিঁচকাঁদুনে, বিশেষ ক্ষেত্রে কেলেঙ্কারিতে বিশেষজ্ঞ। তাই তিনি যখন বলেন তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচনে যাবেন না, তখন দেশবাসী, জলে শিলা ভাসতে দেখেন। প্রতিদিন যিনি নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙেন, তখন তার কথাবার্তায় সরল-গরল ঠাওর করতে বিশেষজ্ঞ লাগে না। এমনিতেই রাজনীতিতে নীতি-নৈতিকতার আকাল যাচ্ছে, সেক্ষেত্রে এরশাদের ভণ্ডামি জনগণকে রাজনীতিবিমুখ করে তুলছে। কবি, সৈনিক, অনৈতিকভাবে ক্ষমতা দখলকারী এইচ এম এরশাদের কাছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারই বা কী, ক্ষমতাশ্রয়ী সরকারের অধীনেই বা কী সবই সমান। একারণে তার বক্তব্য-বিবৃতি জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করে না, বরং পাগলে কিনা বলে, এই বিশেষণে বিশেষিত হয়। নির্বাচনে জিতে উনি দেখিয়ে দিতে চান পুরুষ কাকে বলে। দেশে যেন পুরুষের দুর্ভিক্ষ যাচ্ছে। তিনি যত কথাই বলুন না কেন, রাজনীতি সচেতন জনগণ মনে করেন, তার ঘোষিত ছোট বোন এবং তার সরকারের দয়া ও করুণার বাইরে যেতে পারেন না। এদেশের রাজনীতি যেখানে বিদেশি মহাজন রাষ্ট্রগুলোর নীতি-নির্ধারণে চলে। সেক্ষেত্রে বিশেষ দেশের ইচ্ছের বাইরে যেয়ে পৌরষিক সাহসের পরিচয় দেবেন এ সাহস তার নেই। আমরা মনে করি এরশাদ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলা হবে দেশ ও দশের জন্য মঙ্গল। মুরাদ হোসেন মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর সব দল অংশ না নিলে জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশ নেবে না। এমন একটি কথা রাজনৈতিক দিক থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এ কথা বলে বিরোধী শিবিরে তিনি ঝুঁকেছেন বলে মনে হয়; কিন্তু এখানে একটা বড় ধরনের ফাঁক আছে। তা হলো— জাতীয় পার্টির প্রধান যিনি তিনি তো বার বার বিভিন্ন ধরনের কথা বলেন এবং যেসব কথায় তিনি অনড়-অবিচল থাকতে পারেন না। যদিও তার কথার গুরুত্ব অনেক। যেহেতু তিনি এক সময় সেনাপ্রধান ছিলেন। ছিলেন রাষ্ট্রপতি এবং বর্তমানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান। যে দলটি ক্ষমতার মধ্যেও জড়িত আছে। এ অবস্থায় আমরা মনে করি, সরকারি দল তার কথায় নড়েচড়ে বসে। সেজন্য তার ওপর সরকারি দলও কড়া নজর রাখে। অতীত দিনের কথা মনে পড়লে আমরা ১০০ ভাগ বিশ্বাস তার কথায় রাখতে পারি না। কারণ বিভিন্ন সময়ে তার কথা এদিক সেদিক হয়েছে। যদিও আমরা মনে করি ব্যক্তিগত কথার চেয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায় গুরুত্ব অনেক বেশি। সে কারণে বলবো, কথা কখনো যেন কথার কথা না হয়। দেশবাসী দেখতে চায়, ব্যক্তি এবং রাষ্ট্র অনেক গুরুত্বপূর্ণ যেটি রাজনৈতিক অঙ্গনে আরো জোরালো হিসাবে গণ্য করা যায়। ওয়াহিদ মুরাদ, স্বরূপকাঠি, বরিশাল আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান যে মন্তব্য করেছেন তা ঠিক নয়। মোস্তাক ইব্রাহিমপুর, ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা দেশে চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সংকট ও সহিংসতার কারণে থমকে গেছে অর্থনীতির চাকা। দুইটি বড় দল এখনো অনড় অবস্থানে। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ যে উক্তি করেছেন তা অনেকটা সত্য। জাহাঙ্গীর হোসাইন, কাজীপাড়া, ঢাকা সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ উভয় সংকটে ভুগছেন। সম্ভবত তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার কারণে। যেদিকের পাল্লা ভারী তিনি সেদিকেই থাকবেন। সরকার যদি বিরোধী দলবিহীন নির্বাচন করতে সক্ষম হয় তাহলে তিনি বিরোধী দলের ভূমিকায় শেষ পর্যন্ত অংশগ্রহণ করবেন। তবে ২৪ অক্টোবরের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অবনতি হলে তত্ত্বাবধায়ক প্রশ্নে তিনি সরকারকে ছাড় দেবেন না। জাহাঙ্গীর আলম গোলাপবাগ, ঢাকা দেশে সংকটাপন্ন অবস্থা নিরসনের জন্য একমাত্র উপায় হচ্ছে ফলপ্রসূ আলোচনা। তাই দেশ ও জনগণের স্বার্থের দিকে নজর রেখে সবকিছু ভুলে দুই নেত্রী মিলেমিশে কাজ করুন। পাশাপাশি সাবেক রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু, সাবেক সেনাপ্রধান ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলেছেন সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মো. মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু মহাখালী, ঢাকা জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ মূলত কী বলেন আর কী করেন তা নিয়ে সিংহভাগ জনগণের কোন মাথাব্যথা আছে বলে নির্ভরযোগ্য কোন তথ্য ও উপাত্ত নেই সত্য তবে রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষমতারোহণের জন্য তিনি ও তার দল যে অন্যতম সোপান তা অস্বীকার করার জো নেই। রাজনৈতিক মাঠে চাণক্য নীতির চর্চাকারী হিসেবে তিনি মহাসমাদৃত। সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় তার আরোহণও ছিল চরম নাটকীয়তায় ভরপুর। জনশ্রুতি আছে, একজন বরখাস্ত সেনানায়ক থেকে তদানীন্তন তথ্যমন্ত্রীর কারসাজিতে তিনি রাষ্ট্রনায়ক হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করে সুদীর্ঘ নয় বছর দেশ শাসনের সুযোগ পান। তার শাসনের আদর্শ ছিল মেকিয়াভ্যালি তত্ত্ব। অর্থাত্ শাসনকার্য চালাতে তিনি সময়ে সিংহের মত সাহসী, ব্যাঘ্রর মত হিংস্র, শৃগালের মত ধূর্ত ও কুকুরের মত প্রভুভক্তি দেখাতে ক্ষেত্রবিশেষে মোটেও কুণ্ঠাবোধ করেননি। তার সাথে তিনি যোগ করেন মোগল হেরেমের ভোগবিলাস, রম্য প্রাসাদ বার্তা ও হুকুম। ফলে রাজনৈতিক ইতিহাসে বহু কেলেঙ্কারীর হোতা হিসেবে তিনি দেশের জনসাধারণের কাছে ব্যাপক পরিচিত। তারই ফলে পটুয়া কামরুল হাসান কর্তৃক তিনি তখন বিশ্ব বেহায়া উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন। পাশাপাশি রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় অসামপ্রদায়িক বাঙালি জাতির ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে ধর্ম নিয়ে তিনি যে ভণ্ডামিতে (তথাকথিত মাজার, পীর মুর্শেদের পৃষ্ঠপোষক ও ভক্ত সাজা) মেতেছিলেন তার তুলনা পাওয়া ভার। মূলত অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলসহ নানা দুর্নীতিতে তিনি আকণ্ঠ নিমজ্জিত থেকে শেষ রক্ষা করতে পারেননি বলে তার বিরুদ্ধে মহামান্য আদালতের পর্যবেক্ষণ ও নানা নির্দেশনা বিরাজমান। অধিকন্তু তিনি বিভিন্ন স্পর্শকাতর মামলায়ও জড়িত আছেন। ফলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, “যেমনি নাচাও তেমনি নাচে, পুতুলের কী দোষ” হিসেবে ইতিমধ্যে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছেন। এদিকে রংপুরবাসী তাদের ‘ছাওয়াল’ কে সর্বাবস্থায় ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিকোণ থেকে দেখায় প্রেসিডেন্সিয়াল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পদ্ধতি থেকে ক্ষমতাচ্যুত হয়েও তিনি সংসদীয় গণতন্ত্রে জেঁকে বসেছেন। ফলে তাকে এড়িয়ে যাওয়ারও সুযোগ নেই। কাজেই সংসদীয় পদ্ধতির ভোটের রাজনীতিতে তার কদর থাকলেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে তার দল যাবে না বলে তিনি যে ঘোষণা দিয়েছেন তার গুরুত্ব জনগণের কাছে খুব একটা আছে বলে কোন আলামত দেখা যাচ্ছে না। মূলত তার রাজনীতি তার দল ও নিজের স্বার্থে যতটুকু ব্যাপৃত ও নিবেদিত জনগণের স্বার্থে ততটুকু মোটেও নয়। তারপরেও সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের ভাষায় বলতে হয়, “খেলারাম, খেলে যা”। ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী ৫ বিসিসি রোড, নবাবপুর, ওয়ারী, ঢাকা ১২০৩ দেশে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন হোক এটা আমাদের সবারই প্রত্যাশীত। সম্প্রতি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ যে তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে মন্তব্য করেছেন তার সাথে আমি একমত। মো. ইউনুস মিয়া ময়মনসিংহ সদর জনমনে প্রশ্ন রয়েছে। ২৪ অক্টোবরের পর কী হবে? বিরোধী দল লাগাতার হরতাল ও অবরোধসহ নানা কর্মসূচি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। আমরা এরকম অশান্তির কোন কিছু পরিবেশ চাই না। তাই আমরা এইচ এম এরশাদের সাথে একমত। সোহাগ ভাগলপুর লেন, নবাবগঞ্জ, ঢাকা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ যে কথাটা বলেছেন, আমি শুধু ক্ষমা চেয়ে বলবো পাগলে কিনা বলে, ছাগলে কিনা খায়। বিরোধী দলের আন্দোলন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য নয়, তারা আন্দোলন করছে যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্য; কিন্তু সেটা এই বাংলার মাটিতে আর হবে না। ৩০ লাখ শহীদের আত্মার সাথে এই বাঙালি আর বেঈমানি করবে না। যুদ্ধাপরাধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা আর কোনদিন উড়বে না। সৈয়দ হায়দার আলী মহাখালি, ঢাকা জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ গত ৭ অক্টোবর তত্ত্বাবধায়ক বিষয়ে যে মন্তব্য করেছেন তার সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। মেজর হুদা খিলগাঁও, তিলপা পাড়া, ঢাকা সাবেক সেনাপ্রধান, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বর্তমানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া তার দল নির্বাচনে যাবে না—বলে যে মন্তব্যটি করেছেন তার সাথে একমত পোষণ করছি। তিনি ঠিকই বলেছেন। ফারুক আলম, মালিবাগ, ঢাকা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ অনেক সময় অনেক কথা বলে থাকেন। যার কারণে তার কথার মূল্যায়ন জনগণ করতে চায় না। কিন্তু তিনি যে কথাটি বলেছেন তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচনে যাবে না সে কথাটি বাংলাদেশের ৯০% জনগণের পক্ষেই গেছে তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন আদৌ হবে কিনা জনমনে সন্দেহ রয়েছে। বর্তমান মহাজোট সরকারের শেষ সময় এসে জনাব এরশাদের মন্তব্য বাংলার মানুষ গ্রহণ করেছে। মো. আবদুল মজিদ সরকার সাদাতপুর, সিরাজগঞ্জ এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে অনেকদিন ধরে চলছে আলোচনা, সংলাপ। কিন্তু বাস্তবে কিছুই হচ্ছে না। ২৫ অক্টোবরের পর দেশ চলবে খালেদা জিয়ার কথায়। আগে সরকার হটাও, তার পর নির্বাচন কিংবা হটাও হাসিনা বাঁচাও দেশ ইত্যাদি কথা শোনা যাচ্ছে। এদিকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ সম্প্রতি বলেছেন—তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া তার দল নির্বাচনে যাবে না। এখন বিষয় হচ্ছে তার কথা কতক্ষণ ঠিক থাকবে? শিশির, আজিমপুর, ঢাকা বালাদেশে ৪২ বছর ধরে গণতন্ত্র চলছে বিভিন্ন কায়দায় যা অবর্ণনীয়। যা পৃথিবীর অন্য কোন দেশের গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সাথে মিল খুঁজে পাওয়া যায় না। আমরা বুঝি গণতন্ত্রের মূল কথা হলো জনগণ ও অবাধ স্বাধীনতা। সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ তার আমলে বেশ ভালো কাজ করেছেন। তবে তিনি বর্তমানে কখন কী বলেন তা তিনিই জানেন- কোন কথা ও কাজের সাথে মিল পাওয়া যায় না। তিনি বলেছেন তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া তার দল নির্বাচনে যাবে না। তাই এই কথা তিনি বাস্তবে কতটুকু ঠিক রাখবেন তা এখন দেখবার বিষয়। সৈয়দা নাসরিন সুলতানা স্যানি সাইড, নিউ ইয়র্ক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ সম্প্রতি বলেছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া তিনি নির্বাচনে যাবেন না। হয়তো তিনি আগামী দিন অন্য কিছু বলতে পারেন। লক্ষণীয় যে এইচ এম এরশাদ যা বলেন তার স্থায়িত্ব কম। সেটা এখন মুখ্য বিষয় নয়। তিনি তত্ত্বাবধায়কের পক্ষে বলুন আর নাই বা বলুন জাতীয় নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া সম্ভব নয়। যদি শেখ হাসিনা একতরফা নির্বাচন দেন তাহলে দেশে ভয়াবহ ধরনের ঝামেলা হতে পারে। সাইফুল ইসলাম তানভির, মোড়লগঞ্জ, বাগেরহাট গত ৭ অক্টোবর সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয়পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ তার বনানী কার্যালয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া তিনি ও তার দল নির্বাচনে যাবে না বলে যে মন্তব্য করেছেন তা যদি কোন মৌখিক ঘোষণা হয়ে থাকে তবে তা বিশ্বাস করা যাবে না। আর যদি লিখিতভাবে তিনি এবং তার দল বর্তমান নির্বাচন কমিশনারকে জানিয়ে থাকেন তাহলে তা অবিশ্বাস করার কোন অবকাশ নেই। কেননা কোন নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করা না করা তা নির্ভর করে তার দল বা ব্যক্তির ইচ্ছার ওপর। কাজেই এমনিতে দেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন দলের মধ্যে আশংকা বিরাজ করছে। সেদিক থেকে চিন্তা করলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলতেই পারেন। এতে করে কোন দোষ নেই। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বা অনির্বাচিত সরকার না হলে তিনি বা জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না। সে বিষয়টি তার নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দেওয়াটাই উচিত মনে করি। যাতে নির্বাচিত কমিশনের খরচটাও কমবে বৈকি। এতে জাতীয় অর্থনৈতিক ব্যয় সাশ্রয় হবে। আলহাজ মো. হাফিজুর ইসলাম চৌধুরী (হিফজু) হাউজিং স্টেট, রাজশাহী ৬২০২ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ গত ৭ অক্টোবর বনানীস্থ তার কার্যালয়ে বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া তার দল নির্বাচনে যাবে না। আরো বলেছেন, ক্ষমতায় থাকার জন্য তারা দেশকে বার বার সংঘাতের পথে ঢেলে দিচ্ছে, দেশ ও জাতিকে জিম্মি করে ক্ষমতায় থাকতে চায় এই দু’টি দল। কোন রাজনৈতিক দল নির্বাচনে যাবে কি যাবে না এটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। জনগণের দায়িত্ব সরকার গঠনের উপযুক্ত সবদিক থেকে যারা তাদেরকে জয়যুক্ত করা। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনারের। নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে সংঘাতের কোন প্রশ্নই ওঠে না। সকল রাজনৈতিক দলেরই ক্ষমতায় যাবার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার অধিকার রয়েছে। আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষমতা ফিরিয়ে নেবার আকাঙ্ক্ষাই বেশি। আকাঙ্ক্ষা বেশি হওয়াতে সংঘাতের সম্ভাবনাও বেশি। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সংঘাত সৃষ্টি করার প্রয়োজন হয় না। কারণ দেশবাসী অক্লান্ত পরিশ্রম করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। রাজনৈতিক দল জনগণের পাশে থাকে না। সুতরাং দেশবাসী রাজনৈতিক দলের কাছে জিম্মি হতে পারে না। রাজনৈতিক দলই দেশবাসীকে নানাভাবে প্রলোভন দেখিয়ে রাখে এবং হুমকির মুখে রাখে। আমি মনে করি, দেশবাসীর একটি স্লোগান-আমার ভোট আমি দেবো, যাকে খুশি তাকে দেবো। আশা এলিজাবেত গোমেজ লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা ১১০০ সংলাপের কথা বলতে বলতে ও শুনতে শুনতে দেশের মানুষ এখন বিরক্ত হয়ে উঠেছে। সংলাপ, সমঝোতা ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন—এগুলোর ওপরই নির্ভর করছে দেশের শান্তি স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্রের আগামী দিন। তাই আমরা বলছি, এরশাদের কথার সাথে মিলিয়ে— তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচন হওয়া ঠিক হবে না। লাড্লা, পিলখানা, ঢাকা সবার মতামত ও গ্রহণযোগ্য ফর্মুলার ভিত্তিতেই জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশন পাস তথা অনুমোদন পেতে পারে। দশম সংসদ নির্বাচনকালীন সরকার পদ্ধতির বিষয়টি। সুতরাং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বিষয়ে যে কথাটি উল্লেখ করেছেন আমরাও সে বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি। আবদুল মালেক মিয়া, মিরপুর, ঢাকা দেশপ্রেম হচ্ছে সবচেয়ে বড়। তাই দেশপ্রেমে উদ্ধুদ্ধ হয়ে দুই নেত্রীর পরস্পর একত্রে সমঝোতায় ফিরে আসা দরকার। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া তার দল নির্বাচনে যাবে না। আমরা বলবো, এরশাদ সাহেব যদি সত্যি সত্যি সরকারের শেষ মুহূর্তে অন্তর থেকে একথা বলে থাকেন তাহলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আইরিন সুলতানা সন্জু ধুপপুর মাইজপাড়া, চট্টগ্রাম সম্প্রতি টিআইবি কার্যকর নির্বাচন কমিশন, অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের ওপর একটি সংবাদ সম্মেলনে ১৩ দফা সুপারিশ উপস্থাপন করেছেন। এতে দেশে নির্বাচনকালীন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রতিষ্ঠাসহ প্রধান নির্বাচন কমিশনকে বর্তমানে সংসদ নির্বাচন নিয়েই পোহাতে হচ্ছে চরম শঙ্কা। আর এর মধ্যে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া তার দল নির্বাচনে যাবে না। একথাটি সত্য কতটুকু আর কতদিন টিকে থাকবে? এস কে এইচ রমিজউদ্দিন প্রশিকা প্রধান কার্যালয়, মিরপুর-২, ঢাকা দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে যে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে তা সহজে সমাধান হওয়ার কোন সম্ভাবনা এখন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। জাতিসংঘের প্রেসিডেন্ট বান কি মুনসহ উন্নত দেশের প্রতিটি সরকারই দুই নেত্রীকে সংলাপে বসে সমঝোতা করার জন্য বলে আসছেন। কিন্তু দুই নেত্রী তাদের কথায় কর্ণপাত করছেন না। সরকারের মন্ত্রীরা যদিও বিরোধী দলকে সংসদের ভিতরে কিংবা বাইরে সংলাপে বসার জন্য আহ্বান জানান কিন্তু প্রধানমন্ত্রী এ পর্যন্ত অনেকবার স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন বর্তমান সংবিধানের অধীনে নির্বাচন হবে, এর বাইরে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। তারপরও বিরোধী দলকে শুধু শুধু কেন সংলাপে বসার জন্য ডাকা হয় তা বুঝি না। অথচ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলটি হাইকোর্ট যখন বাতিল করে, তখন রায়ে বলা ছিল ইচ্ছে করলে আরও দুটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে পারে। তাহলে কেন বার বার বলা হচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থায় আর ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়। দেশে বড় দুই রাজনৈতিক দল বার বার ঘুরে-ফিরে ক্ষমতায় এলেও কোন দলই এতটুকু আস্থা অর্জন করতে পারেনি যে, তাদের অধীনে নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে। সম্প্রতি প্রকাশিত ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের জরিপে দেখা যায়, দেশের ৬৫ ভাগ মানুষ মনে করে সেনা মোতায়েন ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে না। এরপরও যদি সরকারের মন্ত্রী বোধোদয় না হয় তাহলে বলতে হবে অপেক্ষা করুন জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলনের জন্য। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান অনেক প্রত্যাশা নিয়ে মহাজোটে গিয়েছিলেন—প্রেসিডেন্ট হবেন। কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কথা দিয়ে কথা রাখেননি। এরপর বলা হলো সংসদ উপনেতা বানানো হবে কিন্তু তাও করা হয়নি। গত ৫টি বছর তিনি অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত হূদয় নিয়ে চলেছেন। তাই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবে না বলে যে মন্তব্য করেছেন তা সঠিক ও সময়োপযোগী। ডা. মর্জিনা আক্তার বারিধারা পাইল্স কিউর সেন্টার, গুলশান, ঢাকা ১২১২ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে দেশে এখনও পর্যন্ত চরম অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। আর বিরোধী দলীয় নেতা এবং সরকারি দল প্রধান ব্যাপক জনসংযোগ করে বেড়াচ্ছেন দেশে ও দেশের বাইরে। এরই মধ্যে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে কথা বলছেন। এটা ঠিক আছে, যদি তিনি একেবারেই সঠিক থাকেন। হাসান মোহাম্মদ হোসাইন চৌধুরী কবিরহাট, নোয়াখালী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ গত ৭ অক্টোবর বনানীস্থ তার কার্যালয় বক্তৃতায় মন্তব্য করেছেন যে, তার দল তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। বর্তমান সরকারের শেষ সময় কথাটি অত্যন্ত গুরুত্ব মনে করছি। তিনি আরো বলেছেন, দেশ ও জাতিকে জিম্মি করে ক্ষমতায় থাকতে চায় এই দুটি দল। কাজেই আমরা দেখতে চাই, জাতীয় পার্টির এই গুরুত্বপূর্ণ কথাটি বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য। নীলুফা আক্তার, টোলারবাগ, মিরপুর, ঢাকা দেশবাসী আজ আতঙ্কিত। ঠিক সময়ে সাবেক রাষ্ট্রপতি, সেনাবাহিনীর প্রধান ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ সময়োপযোগী কথা বলেছেন। সেজন্য তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং পাশাপাশি যে কথাটি বলেছেন সেটি যেন ঠিক থাকে। মো. মোজাহারুল ইসলাম, সাভার, ঢাকা সম্প্রতি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া তার দল নির্বাচনে যাবে না। ২৫ অক্টোবর কী হবে তা নিয়ে জনগণ উদ্বিগ্ন। তার এই কথা এখন অনেক মূল্যবান। তিনি কথা রাখেন না এটাই হলো আসল কথা। কাজেই আমরা এখন দেখতে চাই তার ভূমিকা কতটুকু? মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল) আরাপপুর, ঝিনাইদহ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশে অস্থিরতা বিরাজ করছে। তার আরো অবনতি হোক আমরা চাই না। আমরা চাই সুষ্ঠু নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ যে মন্তব্য করেছেন তার সাথে দেশবাসী একমত। হোসনে আরা করিম, এনায়েতগঞ্জ লেন, ঢাকা দেশে সুষ্ঠু সুন্দর নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় নির্বাচনের জন্য চাই তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এই নির্বাচন হতে হলে চাই নিরপেক্ষতা। আর সেজন্য সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান তত্ত্বাবধায়ক বিষয়টি নিয়ে যে মন্তব্যটি করেছেন সেটি একেবারেই যথার্থ। সেজন্য জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানকে জানাই সশ্রদ্ধ সালাম ও শুভেচ্ছা। কাওসার জাহান কিং খালেদ হাসপাতাল, রিয়াদ, সৌদিআরব যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন দেয়া হয় তাহলে ক্ষমতার প্রভাব খাটাবে সরকার। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন তার সাথে আমি একমত। জরুরি অবস্থা নির্ধারণ হলে সেটা গণতন্ত্র রক্ষা হলো না। এ কে আজাদ, তালবাড়ি, মূর্তির মোড়, যশোর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ সম্প্রতি বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া তার দল নির্বাচনে যাবে না। যথার্থই বলেছেন। তবে আমরা চাই এ বিষয়ে তিনি অনড় থাকুন। বিউটি, ঝিনাইদহ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও পল্লীবন্ধু এইচ এম এরশাদ সম্প্রতি তত্ত্বাবধায়ক বিষয়ে যে উক্তি করেছেন, সেটাই আজ বিবেচ্য বিষয়। মো. ওয়াহীদউল্লাহ, প্রধান সড়ক, ফেনী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া তার দল নির্বাচনে যাবে না। কথাটি আমার মনে হয় ঠিকই বলেছেন। তবে তিনি সময়-অসময়ে অনেক কথা বলে থাকেন। তার অনেক কিছুই ঠিক থাকে না। সুতরাং আমরা বলতে চাই, তিনি যেন তার কথায় অনড়, অবিচল থাকেন। মো. সেলিম, মহাখালী, ঢাকা আমি মনে করি, দুই নেত্রীকে এক জায়গায় বসিয়ে বা তাদের একজন করে প্রতিনিধি দিয়ে একটি সমাধানের পথ বের করে নিয়ে আসা। তা না হলে এই সোনার দেশ একটি তালেবান রাষ্ট্রে পরিণত হবে। জাপার চেয়ারম্যান তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয় নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন ঠিকই বলেছেন। পৃথিবীর সব দেশে এ ব্যবস্থা রয়েছে। ফওজিয়া মুন্নী, পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন