বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব ১৯ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ অনূর্ধ্ব ১৯ দলের মধ্যকার তৃতীয় ওয়ানডেতে ১৯৮ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। গায়ানার প্রোভিনেন্স স্টেডিয়ামের এই ম্যাচে জয়ের ফলে সাত ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। মাত্র ৫ রানে জোফরা আর্চার বাংলাদেশের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান মুনিম শাহরিয়ারকে ফিরিয়ে দিলে শুরুতেই ধাক্কা খায় সফরকারীরা। এরপর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে জসিমউদ্দীনকে নিয়ে আরেক উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান সাদমান ইসলাম দলকে শক্ত ভিত এনে দেন। এই জুটি ১১৬ রান যোগ করে। জসিমউদ্দীন ৬৮ রানে সাজঘরে ফিরে গেলেও একপ্রান্ত আগলে রাখেন সাদমান। মাত্র ৫ রানের জন্য সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান যখন সাজঘরের পথ ধরেছেন তখন স্কোরবোর্ডে লড়াই করার মতো সংগ্রহ পেয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে আট উইকেটের বিনিময়ে ২৮৬ রান সংগ্রহ করে। মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যানরাও ভালই সঙ্গ দিয়েছেন সাদমানকে। মোসাদ্দেক হোসেন ৩২, নাজমুল হোসেন শান্ত ২৫ এবং মেহেদী হাসান ২২ রান সংগ্রহ করেন। ক্যারিবিয়ান বোলারদের মধ্যে ট্যারিক গ্যাব্রিয়েল সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট শিকার করেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের স্পিন বিষে নাকাল হয়েছে ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যানরা। ২৮৭ রানের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামা স্বাগতিকদের ইনিংসের সূচনাটা ভালই হয়েছিল। তবে ৩৯ রানের মাথায় মেহেদী হাসান জার্মেই সোলোজানোকে আউট করার পর আর কোনো ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যানই বাংলাদেশের বোলারদের সামনে পায়ের নিচে মাটি খুঁজে পায়নি। ৮৮ রান তুলতেই গুটিয়ে যায় স্বাগতিকদের ইনিংস। আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকা ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ রান ১৭ করে সংগ্রহ করেন সোলোজানো এবং হেটমেয়ার। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে জুবায়ের হোসেন এবং রাহাতুল ফেরদৌস তিনটি করে ও নাহিদুজ্জামান দুটি উইকেট তুলে নেন। পর পর তিন বলে আর্চার, জোন্স এবং চার্লসকে আউট করে হ্যাটট্রিক তুলে নেন জুবায়ের হোসেন।
