নবম শ্রেণির ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং প্রস্তুতি

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০১৩, ২০:০১
একাদশ অধ্যায় :ব্যাংকের আমানত অনুশীলনীর সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তরঃ ১ ক. ব্যাংকিং ব্যবসায়ের তহবিলের মূল উত্স আমানত । খ. গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী ব্যাংক বিভিন্ন প্রকারের হিসাব খোলার ব্যবস্থা রাখে। মানুষের জীবিকা ,প্রয়োজন, সময়, অবস্থান এবং চাহিদা অনুযায়ী ব্যাংক হিসাবকে নিম্নলিখিত ভাবে প্রকারভেদ করা যায়— ১। চলতি হিসাব ২। সঞ্চয়ী হিসাব ৩। স্থায়ী হিসাব এই তিন ধরনের হিসাব ছাড়া ও ব্যাংক অন্য যেসব হিসাবের সুবিধা প্রদান করে তা নিম্নরূপঃ ৪। স্কুল সঞ্চয়ী হিসাব ৫। বীমা সঞ্চয়ী হিসাব ৬। বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চয়ী হিসাব ৭। ডিপজিট পেনশন স্কিম হিসাব ৮। ঋণ আমানত হিসাব ৯। রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট হিসাব (RFCD) গ. একটি ব্যাংকে বিভিন্ন ধরনের হিসাব রয়েছে যেমন ঃ চলতি, স্থায়ী ও সঞ্চয়ী হিসাব । এসব হিসাব থেকে জাবেদ ব্যাংকে জনাব আরিফের চলতি হিসাব রয়েছে। গ্রাহকের চাহিদানুযায়ী ব্যাংকে বিভিন্ন ধরনের হিসাব খোলার ব্যবস্থা থাকে । আধুনিক ও ইলেক্ট্রনিক ব্যাংকিং জগতে ব্যাংকে বিভিন্ন ধরনের হিসাব ও সেবা রয়েছে। একেক হিসাবে এক ধরনের সেবা ও সুযোগ সুবিধা রয়েছে। যেমন ঃ চলতি হিসাবে যে সুবিধা রয়েছে তা আবার স্থায়ী হিসাবে নেই আবার স্থায়ী হিসাবে যে সুবিধা রয়েছে তা আবার স্থায়ী হিসাব না ও থাকতে পারে। উদ্দীপক পড়ে জানা যায় জনাব আরিফ যতবার খুশি ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে যা কিনা চলতি হিসাবের বৈশিষ্ট্য। এছাড়া যেহেতু জাবেদ ব্যাংকের বাংলাদেশের যে কোন জেলায় তাদের শাখা রয়েছে এবং যে কোন শাখা থেকে টাকা উত্তোলন করা যায় তাই এটিকে অনলাইন ব্যাংকিং বলা যেতে পারে । তাই সমস্ত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বলা যায় জনাব আরিফের জাবেদ ব্যাংকে একটি চলতি হিসাব রয়েছে। ঘ. একটি ব্যাংকে বিভিন্ন ধরনের সেবা থাকে যেমন ঃ আমানত গ্রাহন, ঋণ দান , ব্যবসায়িক পরামর্শ প্রদান চেক বিনিময় বিল ভাঙ্গানো ইত্যাদি। এই বিভিন্ন ধরনের সেবা একজন ব্যবসায়িকে বিভিন্নভাবে সাহায্য করে। ঠিক তেমনি একটি সেবা জনাব আরিফের মত ব্যবসায়িকে সাহায্য করে সেটি হল অনলাইন ব্যাংকিং । আধুনিক ও ইলেক্ট্রনিক ব্যাংকিং সেবার সাথে সাথে ব্যাংকের বিভিন্ন ধরনের সেবা বৃদ্ধি পেয়েছে । আগের কার দিনের ব্যাংকিং আর বর্তমান কালের ব্যাংকিং এর মধ্যে বিস্তর পার্থক্য বিদ্যমান। যেমনঃ আগে ব্যাংকের যে শাখায় হিসাব খোলা হত শুধু সেই শাখায় লেনদেন করা যেত অন্য শাখায় এই সেবা পাত্তয়া যেত না । বর্তমানের আধুনিক ব্যাংকিং এ গ্রাহকের সুুবিধার কথা চিন্তা করে বিভিন্ন ধরনের সেবা চালু করা হয়েছে তার মধ্যে একটি সেবা হল “এনি ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং” । এনি ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং মানে হল গ্রাহকের হিসাব যে শাখায় থাকুক না কেন সে ঐ ব্যাংকের যে কোন শাখায় লেনদেন করতে পারবে। উদ্দীপকের জনাব আরিফ ঢাকার একজন ব্যবসায়ী তিনি চট্রগ্রামে বেড়াতে গিয়েছিলেন ব্যবসায়িক পন্য সস্তায় পাত্তয়ার কারনে তিনি এনি ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং এর মাধ্যমে উক্ত পণ্য ক্রয় করতে সক্ষম হন । পরিশেষে বলা যায় ব্যাংকের “এনি ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং” সেবা জনাব আরিফের মত ব্যবসায়ীদের কাজকে সহজ করে দেয় ।