দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন নতুনভাবে আবার উত্তপ্ত ও উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সংবিধান থেকে এক চুলও নড়বেন না বলে প্রধানমন্ত্রী যে ঘোষণা দিলেন তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বললেন, “চুল উড়ে দিশেহারা হয়ে যাবেন”,গণ-আন্দোলনের বাতাসে সব চুল উড়ে যাবে ইত্যাদি। দুই নেত্রীর মধ্যে এই যে চুলাচুলি বাক-বিতণ্ডা, এই যে অনড় অবস্থান তা দেশকে যে একটি অনিবার্য সংঘাত ও সংঘর্ষের দিকে নিয়ে যাবে সে আশংকায় দেশের সর্বস্তরের মানুষ খুবই উদ্বিগ্ন। উল্লেখ্য যে, এর আগে প্রধানমন্ত্রী তাঁর এক ভাষণে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিকল্প হিসাবে সর্বদলীয় সরকারের মাধ্যমে নির্বাচনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু কিছুদিন পরেই আবার মহাজোটের কিছু কিছু নেতার উক্তি যে বি.এন.পি নির্বাচনে না আসলেও মহাজোট একাই নির্বাচন করবে। এতে সমঝোতার পথে নতুন করে আবার কাঁটা্ ফেলা হলো।
দেশবাসী অত্যন্ত উত্কণ্ঠার সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, দুই প্রধান দল প্রায় দু’টি বছর যাবত্ তত্ত্বাবধায়ক সরকার, না সর্বদলীয় সরকার, না দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে তা নিয়ে গুরুতর মতান্তরে লিপ্ত। এর বলী হয়েছেন দেশের সাধারণ মানুষ। দেশের অর্থনীতি এর মধ্যে হরতাল, ধ্বংসযজ্ঞ ও জ্বালাও-পোড়াও-এর কারণে যে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলো, কত জীবন প্রদীপ অকালে নিভে গেল, পঙ্গু হয়ে গেল কত নিরীহ মানুষ তার ভ্রূক্ষেপ করলেন না আমাদের রাজনীতিবিদরা। অতিরিক্ত জেদাজেদি বা স্টাবর্ননেস গণতান্ত্রিক সমাজে কখনোই কাম্য নয়। বাংলাদেশের শুভাকাঙ্ক্ষী পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ, বাংলাদেশের এ রাজনৈতিক অস্থিরতায় খুবই উদ্বিগ্ন। ইতিমধ্যে ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন, জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন টেলিফোনে দুই নেত্রীর সাথে আলাপের দুই সপ্তাহ পর আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি একটি চিঠির মাধ্যমে উভয় নেত্রীকে সংলাপে বসে উদ্ভূত রাজনৈতিক সংকট উত্তরণের আহ্বান জানিয়েছেন। যাতে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষী হিসাবে তাঁরা তাঁদের এই নৈতিক দায়িত্ব পালন করেছেন। এখানে চীনের ভূমিকাও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ইতিপূর্বে চীন কোনদিন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ কোন ব্যাপার নিয়ে মুখ খোলেনি। উল্লেখ্য যে, চীনের সাথে আমাদের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে এটি আরো বহুগুণে বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা্ রয়েছে। এসব বিবেচনায় এনেই বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জুন সমপ্রতি এক বিবৃতিতে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলকে আলোচনায় বসে চলমান রাজনৈতিক সংকট সমাধানের পথ খুঁজতে সংলাপের উপর জোর তাগিদ দিয়েছেন। একটি কথা না বললেই নয় যে, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। প্রধানমন্ত্রী যদিও বলেছেন, নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি সংবিধান থেকে এক চুলও নড়বেন না। যদি তাই হয়, তাহলে বুঝা যাচ্ছে যে, বি.এন.পি নির্বাচনে আসুক বা না-ই আসুক তিনি একতরফাভাবে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করবেন। শুধু তাই নয়, সমপ্রতি এক বক্তব্যে এ-ও বলেছেন যে, মন্ত্রিপরিষদ ও সংসদ বহাল রেখেই নির্বাচন করবেন। এর ফলে দেশ যে নিশ্চিত একটি সংঘাত ও সংঘর্ষের দিকে এগুচ্ে্ছ তার প্রমোদ গুনছেন দেশের সর্বস্তরের মানুষ। দেশের মানুষ শান্তি চায়। নির্বাচন নিয়ে তারা আর কোন ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ জ্বালাও-পোড়াও ইত্যাদি দেখতে চায় না।
ইতিমধ্যে বিরোধী দল ও জামায়াতের আহ্বানে অনেক হরতাল ও নৈরাজ্য ঘটেছে যার বলী হয়েছে দেশের অর্থনীতি। এ নিয়ে গত ১০ এপ্রিল, ১৩ মে ও ২১ জুলাই পরপর আমার তিনটি প্রতিবেদন এই কলামে ছাপা হয়েছে। তাই এ নিয়ে আর নতুন করে কিছু বলতে চাই না। প্রধান দুই বিরোধী দলের প্রতি বিনীত অনুরোধ— দেশটাকে আর অনিশ্চয়তা ও সর্বনাশের পথে ঠেলে দিবেন না। সন্দেহ নেই যে, বর্তমান মহাজোটের আমলে দেশের প্রভূত উন্নতি হয়েছে যা ইতিপূর্বে কোন সরকার করতে পারেনি। বিদ্যুতের উন্নয়নের ক্ষেত্রে ঈর্ষণীয় সাফল্য, ঢাকার যানজট নিরসনে তিনটি ফ্লাইওভার নির্মাণ, নারী শিক্ষা খাতে ব্যাপক উন্নয়ন, শিক্ষাঙ্গনে শৃঙ্খলা ও সেশন জট নিরসন, মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হ্রাস, দারিদ্র্য ও বেকার সমস্যা হ্রাস, তথ্য প্রযুক্তি খাতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও বৈদেশিক মুদ্রার রেকর্ড রিজার্ভসহ জাতিসংঘের এমডিজি এ্যাওয়ার্ড, সাউথ সাউথ ্এ্যাওয়ার্ড অর্জনসহ বাংলাদেশ এগারোটি ইমার্জিং দেশের অন্যতম দেশ হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিকূলতা সত্ত্বে গত কয়েক বছর ধরে লাগাতার ছয় শতাংশের উপরে জিডিপি অব্যাহত রাখাসহ উপরে বর্ণিত অর্জনসমূহ কম কথা নয়। তবে শেষ কথার পরের কথা হচ্ছে শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নই যথেষ্ট নয়। অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে মানুষ ভালো শাসন ব্যবস্থাও দেখতে চায়। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সমান্তরালভাবে সন্ত্রাস ও দুর্নীতির যে প্রসার ঘটছে তা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। বলতে দ্বিধা নেই যে, সুশাসন ছাড়া সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের সুফল সার্বিকভাবে জনগণের দোরগোড়ায় কখনো পৌঁঁছতে পারে না।
ছা্ত্রলীগ ও যুবলীগের লাগামহীন দুর্নীতি ও সন্ত্রাস, প্রশাসনের সর্বত্র দুর্নীতি ও স্থবিরতা আওয়ামী লীগের সকল অর্জনকে ম্লান করে দিচ্ছে। সামপ্রতিককালে ছা্ত্রলীগ ও যুবলীগের ক্যাডারদের অস্ত্রের ঝন-ঝনানি, সিলেটে ছাত্রলীগের ক্যাডারদের স্বর্ণের দোকান লুটের সময় কর্তব্যরত প্রহরী খুন, ব্র্যাক ব্যাংকের এক কোটি টাকা ডাকাতি, সিলেটের মদনমোহন কলেজের ভর্তি বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে ৭০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়া, সরকারের ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। (যা মাননীয় অর্থমন্ত্রী নিজেই স্বীকার করে তাদেরকে বদমাশ বলে আখ্যায়িত করেছেন) কিন্তু দুঃখের বিষয় এখন পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কোন দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। শুধু তাই নয়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর সিলেটে সিপিবি ও বাসদের যুক্ত সভায় ছাত্রলীগের ন্যক্কারজনক হামলায় কমিউনিষ্ট পার্টির নেতা মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমসহ প্রায় ২৫ জন আহত হন বলে খবরে প্রকাশ। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে যে, ছ্াত্রলীগ-যুবলীগের কার্যকলাপ পাকিস্তানের সময়ের আইয়ুব-মোনায়েমের কুখ্যাত এনএসএফ, এরশাদ সরকারের ছাত্রসমাজ এবং বিএনপির ছাত্রদল ও যুবদলকেও হার মানিয়েছে। এছাড়াও কিছু কিছু মন্ত্রী ও সাংসদদের মাত্রাতিরিক্ত দুর্নীতি, দায়িত্বহীন ও অসংলগ্ন কথাবার্তা সরকারের পুরো কার্যকলাপের উপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। দেশের মানুষ এসব কার্যক্রম মোটেই স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে পারছে না। তারা দেখতে পাচ্ছে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ এখন মৃতপ্রায়। তারা শুধু এর কংকালসার দেখতে পাচ্ছে। কিন্তু এমনটিতো হওয়ার কথা ছিলো না। এতসবের পরেও মানুষ প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ, বক্তৃতা মনোযোগ দিয়ে শুনতে চায়। তাঁর কথার মধ্যে তারা বঙ্গবন্ধুকে দেখতে পায়। কিন্তু মনকে কোনভাবেই সান্ত্বনা দিতে পারছে না। মনে হচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের হূদয়ের স্পন্দন অনুভব করতে পারছেন না। বলাবাহুল্য যে, শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নে সাধারণ মানুষ সন্তুষ্ট হতে পারছে না। আইয়ুব-মোনায়েমের সময় এই অঞ্চলে উন্নয়ন খুব কম হয়নি। এরশাদের সময়ও যথেষ্ট উন্নয়ন হয়েছে। কিন্ু্তু তাদের পরিণতি কী হয়েছে তা সকলেরই জানা। গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ও এর উন্নয়নের পথ খুবই সরু, পিচ্ছিল ও কন্টকাকীর্ণ। অত্যন্ত সাবধান, সতর্কতা ও সহিষ্ণুতার সঙ্গে এ পথ অতিক্রম করতে হবে সংশ্লিষ্ট সকলকে। এত ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে প্রাপ্ত গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে সর্বক্ষেত্রে সকলকে প্রচুর সংযম ও ধৈর্যশীল হতে হবে। দেখাতে হবে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, বুদ্ধিমত্তা ও সহনশীলতা। কিন্তু দেখা যাচ্ছে কখনো কখনো বাঁশ থেকে কঞ্চি হয়ে যাচ্ছে বড়। চাটার দল সরকারকে ঘিরে রাখছে। সৃষ্টি করেছে আয়রন কার্টেন। এদের থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে অধিকতর সতর্ক থাকতে হবে। এ প্রসঙ্গে এডমন্ড বার্কের একটি বিখ্যাত উক্তি খুবই প্রণিধানযোগ্য বিধায় উল্লেখ করছি। তিনি বলেছিলেন,“Magnanimity in politics is not seldom the truest wisdom . A little mind and a vast empire go ill together”.
এমতাবস্থায় আলোচনার ক্ষেত্র প্রস্তুত করার জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জিং কাজ। এর জন্য সরকারকেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। এখানে ব্যক্তিগত ইগো বা হারজিতের প্রশ্ন আসাটা হবে খুবই দুঃখজনক। মনে রাখা ভালো যে,“যে গাছে ফল যত বেশি, সেই গাছ নত তত বেশি”। দেশের স্বার্থের কথা বিবেচনা করেই প্রধান দুই দলকে যথেষ্ট ছাড় দিয়ে আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি করতে এগিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে,“A pound of flesh, but not a drop of blood” বা “blood for blood, life for life”. দৃষ্টিভঙ্গি কখনো কাম্য নয়। বিএনপির উচিত হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে অনড় না থেকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি বহুদলীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বা জাতীয় সরকার কীভাবে গঠন করা যায় এবং এর নেতৃত্বে কে থাকবেন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে গঠনমূলক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যাতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভবপর হয়। এছাড়া অন্য কোন বিকল্প পথ আছে বলে মনে হয় না। এতে দুই প্রধান দল ব্যর্থ হলে কোন অশুভ শক্তি এর সুযোগ নিতেই পারে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এবং আমাদের দেশেও ইতিপূর্বে এর নজির দেখা গেছে। দুর্বল ও অসহিষ্ণু নেতৃত্বের জন্য রাজনীতি একবার রাজনীতিবিদদের হাতছাড়া হয়ে গেলে তা পুনরুদ্ধার করা এত সহজ নয়। সুতরাং এহেন পরিস্থিতি ঘটলে এর দায় দুই নেত্রী কখনই এড়াতে পারবেন না।
একটি পুরোনো ও ঐতিহাসিক ঘটনা উল্লেখ করেই শেষ করতে চাই। ১৯৬২ সাল। তখন বিশ্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্নায়ু যুদ্ধ চলছে। কমিউনিষ্ট শিবিরভুক্ত ফিদেল ক্যাস্ট্রোর কিউবায় সোভিয়েত ইউনিয়ন মিসাইল স্থাপন করে চলছে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবাদ করে বলল যে, কিউবায় বেপরোয়াভাবে সোভিয়েত সমরাস্ত্র সরবরাহ করায় যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিপন্ন হচ্ছে। অবিলম্বে এসব সমরাস্ত্র প্রত্যাহার করা না হলে যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। পরিস্থিতি জটিল ও উত্তপ্ত হয়ে উঠলো। কিউবান ক্রাইসিসের আশু অবসান না হলে একটা বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশংকা দেখা দিল। অবশেষে সেই মহাসংকটের অবসান হলো। সব অফেনসিভ উইপনস সরিয়ে নিতে রাজি হলো সোভিয়েত ইউনিয়ন। আশ্বাস দিল যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার প্রতি হুমকিস্বরূপ কিছু করা হবে না। তবে কিউবার নিরাপত্তা যেন বিঘ্নিত না হয়। বিশ্ব হাঁফ ছেড়ে বাঁচল। যুক্তির জয় হল। মানব জাতি শংকামুক্ত হলো। তাই কিউবার ক্রাইসিস সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হলে তত্কালীন সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ বলেছিলেন-
“They talk about who won and who lost .Human reason won, mankind won”.
আমাদের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কি এসব ঘটনা থেকে কোন শিক্ষা নিবেন যাতে দেশের মানুষ বর্তমানের ভ্রান্ত রাজনীতির গোলক ধাঁধার অন্ধকার বৃত্ত থেকে বের হয়ে আলোর পথে এগুতে পারে।
লেখক: ব্যাংকার ও অর্থনীতি বিশ্লেষক
Email : aquadirchoudhury¦gmail.com
