ম্যারাডোনার পাগলামি!

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০১৩, ২১:২৮
দেশকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন, পরে জাতীয় দলের কোচের দায়িত্বও পালন করেছেন। খেলোয়াড়ি জীবনে হয়েছেন বিশ্বসেরা। তার অধিনায়কত্বে দেশ বিশ্বকাপ জিতেছে। ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম সেরা মানা হয় তাকে। এক কথায় বলা চলে দিয়াগো ম্যারাডোনা আর্জেন্টিনার ফুটবলের নায়ক এবং জীবন্ত কিংবদন্তি। এর মধ্যে অতিক্রান্ত হয়েছে অনেকটা সময়। বদলে গিয়েছে প্রেক্ষাপট। সেদিনের সেই নায়ক এখন খলনায়ক বনে যেতে পারেন। কারণ ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে মাতৃভূমির বদলে স্বাগতিক দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতকে সমর্থন দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই ফুটবল কিংবদন্তি। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার। চলবে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত। ২০১০ বিশ্বকাপে ম্যারাডোনার অধীনে দল ব্যর্থ হওয়ায় টুর্নামেন্ট শেষে তাকে ছাঁটাই করে আর্জেন্টাইন ফুটবল সংস্থা (এএফএ)। আর তারপর থেকেই দেশের ফুটবল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ম্যারাডোনার মতবিরোধ শুরু। আর বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের ক্রীড়াদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টিনা দলের অধিনায়ক ম্যারাডোনা। এর আগে আরব আমিরাতের ক্লাব আল ওয়াসলের কোচও ছিলেন এই আর্জেন্টাইন। তাই বেশ কিছুদিন ধরেই আরব দেশটির ফুটবলের সঙ্গে ম্যারাডোনার সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে। দেশকে বাদ দিয়ে আরব আমিরাতকে সমর্থন দেয়ার কারণ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ম্যারাডোনা, ‘দেশের সঙ্গে মতপার্থক্যের কারণেই আর্জেন্টিনাকে নয়, আমি আরব আমিরাতকে সমর্থন করবো।’ তিনি শুধু নিজে আরব আমিরাতকে সমর্থনই দিচ্ছেন না; স্বাগতিক দলকে সমর্থন দেয়ার জন্য ভক্তদের প্রতি আহবানও জানিয়েছেন। ওই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে ব্রাজিল খেলবে স্লোভাকিয়ার বিপক্ষে। এরপর হন্ডুরাসের মুখোমুখি হবে সংযুক্ত আরব আমিরাত। শনিবার ইরানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করবে ম্যারাডোনার সমর্থনবিহীন আর্জেন্টিনা।