বিয়ের পর মাগুরায় প্রথম ঈদ

আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০১৩, ২০:৩০
দেশের বাইরে খেলা না থাকলে মাগুরার বাড়িতেই তিনি ঈদ করেন পরিবারের সঙ্গে। তবে, এবারের ব্যাপারটা ভিন্ন। বিয়ের পর এটাই বাড়িতে সাকিবের প্রথম ঈদ। ঈদ উপলক্ষে সাকিব শিশিরকে নিয়ে হেলিকপ্টারে মাগুরা আসেন ১৪ অক্টোবর। বাড়ি এসেই পরদিন বিকেলে শারদীয় দুর্গোত্সব উপলক্ষে ছানার বটতলায় আয়োজিত মেলায় স্ত্রী শিশিরকে নিয়ে বেড়াতে যান সাকিব। সেখানে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন শিশির। সেখানে মাটির পুতুল, হাঁড়ি-পাতিলসহ অনেক কিছুই পছন্দ করেন তিনি। উপহার হিসেবে সাকিব তা শিশিরকে কিনেও দেন। এ এক নতুন অভিজ্ঞতা শিশিরের। কারণ, তার শৈশব কেটেছে সুদূর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। ঈদ উপলক্ষে শিশির সাকিবকে দুটো পাঞ্জাবি উপহার দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, কখন কোনটি পরতে হবে তাও বলে দিয়েছেন শিশির জানালেন সাকিব। ঈদের দিন বুধবার সকালে মাগুরার নোমানী ময়দানে ঈদের জামাতে অংশ নেয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে জজকোর্ট মসজিদে নামাজ আদায় করতে হয় সাকিবকে। এদিন তিনি স্ত্রী শিশিরের দেয়া পাঞ্জাবি পরে সময় কাটিয়েছেন। আর শিশির পরেছিলেন টকটকে লাল শাড়ি। বিয়ের পর এটাই প্রথম ঈদ শিশিরের। শুধু তাই নয়, বিয়ের পর প্রথম শ্বশুরবাড়িতে আসাও। ঈদের নামাজ শেষে কেশব মোড়ের বাড়িতে এসে প্রতিবারের মতো বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর আলাপচারিতায় মেতে ওঠেন সাকিব-শিশির। এর মধ্যে অনেক বন্ধুই আবার এবার বিয়ে করেছেন। সস্ত্রীক তারাও ছিলেন। ফলে, বাড়ি আসায় যেন মনের মধ্যে প্রাণ খুঁজে পেলেন সাকিব। আড্ডা আর আলাপচারিতার মধ্যেই তারা সবাই খেলেন বিরিয়ানি, খাসি ও গরুর রেজালা, গরুর মাংসের ভুনা, সেমাই, পায়েশ, আইসক্রিম ইত্যাদি। শেষে পাল্লা লেগে গেল কে কত বেশি আইসক্রিম খেতে পারেন! এ সময় সাকিব বলেন, ‘বিয়ের পর এটাই আমার দ্বিতীয় ঈদ। দ্বিতীয় ঈদ হলেও আমার কাছে এই ঈদকেই প্রথম ঈদ মনে হচ্ছে। কারণ, বিয়ের পর প্রথম ঈদের সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজে ছিলাম। তখন শিশির আমার সঙ্গেই ছিল।’ তিনি বলেন, ‘শিশিরসহ পরিবারের সঙ্গে বাড়িতে আমার এটাই প্রথম ঈদ।’সাকিব বলেন, ‘আমি সবসময় মাগুরাতেই পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে পছন্দ করি।’ -বাংলানিউজ