সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন (!)

আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০১৩, ২১:৫০
আপনারা সংঘাতের রাজনীতি ছেড়ে শান্তিপূর্ণ সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি করেন মানুষ সামাজিক জীব, তাই সে একা বসবাস করতে পারে না। তাই একে অন্যের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে থাকি। একথা একেবারে সত্যি, সমঝোতা না হলে সংঘাত অনিবার্য। আমরা সাধারণ মানুষ কি চাই এটা যাদের নির্ণয় করার ক্ষমতা থাকে না তাদের রাজনীতি থেকে অপসারণ করা উচিত। রাজনীতির সংঘাতের কারণে দেশের সাধারণ মানুষ মরবে এটাতো হতে পারে না। আমরা জনগণ শান্তি চাই, দু’বেলা দু’মুঠো ভাত খেয়ে বেঁচে থাকতে চাই। কোন দল ক্ষমতায় গেলে আমাদের ঘরে ভাত এনে দিবে না বরং আমরা কাজ করি পরিশ্রম করি কিন্তু কাজ করতে গিয়ে যদি নির্মমভাবে মরতে হয় তাহলে আমরা ক্ষমতা দিয়ে কি করবো? সামনে নির্বাচন। দীর্ঘদিন দু’দল দু’কথা বলে আসছে। এই নিয়ে এখন আমাদের মাথাব্যথা, যারা রাষ্ট্রপ্রধান হবেন তারা যেকোন সমস্যা দেশে হতে পারে, সে সমস্যাগুলো মোকাবিলা করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপ্রধানের থাকতে হবে, শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করতে হবে। আমি অবশেষে বলতে চাই আপনারা সংঘাতের রাজনীতি ছেড়ে শান্তিপূর্ণ সুষ্ঠু ধারার রাজনীতি করেন। আকাশ আহমেদ জারসা কুষ্টিয়া সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, কুষ্টিয়া জনগণের কল্যাণের কথা বিবেচনা করে ছোটখাট ছাড় দিতে হবে নির্বাচনের আর মাত্র কয়েক মাস বাকি। এখনও প্রধান দু’টি দলের মধ্যে সমঝোতা হয়নি। এদিকে দিন দিন দেশের পরিস্থিতি সংঘাতময় হয়ে উঠছে। সংলাপ না হলে আসন্ন নির্বাচনের আগে আরও খুন ও হতাহতের ঘটনা বাড়তে পারে। এদের মধ্যে থাকতে পারে অনেক বেকার যুবক বা উপার্জনশীল ব্যক্তি যাদের ওপর তাদের পরিবার নির্ভর করতে পারে। সমঝোতার মাধ্যমে আমরা বাঁচাতে পারব অনেক জীবন। অন্যথায় সৃষ্টি হবে সামাজিক সমস্যার। উন্নত দেশগুলোতে বিরোধী দলের সাথে সরকারের খোলাখুলি আলোচনা হয়, যে কারণে তারা যে কোন কঠিন সমস্যা সমাধান করতে পারে। তাদের নির্বাচনও হয় ঝঞ্ঝাটহীন। ১/১১ সম্বন্ধে আমরা কমবেশি সবাই ওয়াকিবহাল। এইদিন দেশে সকল প্রকার সাহায্য-সহযোগিতা বন্ধ ছিল। এরকম একটা দিন কখনোই কাম্য নয়। মিলিত আলোচনাই পারে নির্বাচন-পূর্ববর্তী সহিংসতা রোধ করতে। দু’টি দল যেভাবে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় হয়ে রয়েছে তাতে পরিস্থিতি ১/১১’র দিকেই যাচ্ছে। এ অবস্থায় ১/১১ পরিস্থিতি এড়াতে হলে দ্রুত সমঝোতায় আসতেই হবে। দেশের সার্বিক পরিস্থিতির ও জনগণের কল্যাণের কথা বিবেচনা করে ছোটখাট ছাড় দিতে হবে। সুষ্ঠু একটা নির্বাচন যা সব দলই মেনে নিবে এবং তা করতে হলে সমঝোতার অবশ্যই প্রয়োজন। খন্দকার আরাফাত আহমেদ ডিগ্রি প্রাইভেট (বিএসএস ২য় বর্ষ) সরকারি বাঙলা কলেজ দেশ ও জনগণের স্বার্থে সংলাপ অনিবার্য বর্তমানে বাংলাদেশে রাজনীতির আকাশ কালো মেঘের ঘনঘটা হওয়ার অবস্থা বিরাজমান। দেশের নেতৃত্বস্থানীয় প্রধান দুই রাজনৈতিক দল তাদের নিজস্ব ভাবাদর্শ, মতামত ও সহাবস্থানে অনড়। বিরোধীদল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে পুনঃস্থাপনের দাবিতে অনবরত হুমকি, ধামকি ও মাঠ গরম রাখছে আর ক্ষমতাসীন দলের পাল্টা হুংকার দেশে আর কোন অসাংবিধানিক, অনির্বাচিত সরকার আসবে না। অথচ সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, দেশের ৯০ ভাগ জনগণ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য হিসাবে সমর্থন দিয়েছে। তাই একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসাবে রুলিং পার্টির উচিত জনগণের আশা, আকাঙ্ক্ষা ও মতামতের প্রতিফলন ঘটানো। আর এর জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন সংলাপ ও সমঝোতা। কিন্তু আমরা বিভিন্ন মিটিং, মিছিল ও সমাবেশে দুই নেত্রীর পরস্পরবিরোধী বক্তব্য শুনে মনে হয় সংলাপ তো দূরের কথা তারা একে অপরের মুখ দেখাকে অভিশাপ মনে করে। যতই দিন ঘনিয়ে আসছে, ততই এই সংলাপের সময় সংকুচিত হয়ে সংঘাতের সময় তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশি-বিদেশি নানা মহল আসন্ন অশুভ সংকেত থেকে উত্তরণের জন্য সংলাপ সমেত উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা দেখিয়েছে। তারপরও নেতৃত্ব স্থানীয় দু’দলের টনক নড়ছে না। বরং তারা জনগণের জীবনকে বিপন্ন করে, তাদের খেয়াল-খুশিমত জঘন্য খেলায় মত্ত হয়েছে। যার ফল বিগত বছরগুলোর বিপর্যয়ের তুলনায় ভয়াবহ হবে বলে জনমনে আশংকা সৃষ্টি হচ্ছে। মো. দিদার হোসেন আইন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সময় থাকতে সমঝোতা করলেই সবার জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে দেশের সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সমঝোতা না হলে বিপদ শুধু রাজনীতিবিদদেরই নয়, সাধারণ মানুষেরও। কারণ অনির্বাচিত সরকারের দায়বদ্ধতা থাকে কম। তারা সুশাসনের চেয়ে কঠোর চাপ প্রয়োগ করে তাদের ক্ষমতার সময়কাল পার করেন। ওয়ান ইলেভেনে সেরকম পরিস্থিতিই দেখা গেছে। এবারো সমঝোতা না হলে তার চাইতে ভয়াবহ অবস্থা হতে পারে। এবার অনির্বাচিত সরকার এলে তাদের মেয়াদকাল দীর্ঘ হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে রাজনীতিবিদরাই। তাই সময় থাকতে সমঝোতা করলেই সবার জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। মিজানুর রহমান রানা ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব) মিডিয়া স্টাডিজ এন্ড জার্নালিজম (৬ষ্ঠ) সেমিস্টার

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন