ঈদ-উল-আযহা এবং দুর্গাপূজার পরে সরকারি ছুটি শেষ করে শেয়ারবাজারের লেনদেন শুরু হলেও বাজারে ছুটির প্রভাব কাটেনি। ছুটির পর গতকাল রবিবার প্রথম কার্যদিবসে ব্রোকারেজ হাউসগুলোতে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি ছিল অনেক কম। ফলে উভয় শেয়ারবাজারে লেনদেন খরা দেখা গেছে। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সাড়ে পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে। এদিকে লেনদেন কমার পাশাপাশি উভয় শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর দরপতনও হয়েছে অনেক। লেনদেন ও সূচক কমার জন্য ছুটির প্রভাবের পাশাপাশি রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কাও রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের দিনের তুলনায় ৭১ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৭৭১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ সূচক ২৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৩৫৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১১০ কোটি ৪৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। যা আগের কার্যদিবসের চেয়ে ১০৯ কোটি ৫ লাখ টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৭৮টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৮টির, কমেছে ২২৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টি কোম্পানির শেয়ারের।
এদিকে কেয়া কসমেটিকসের পরিচালনা পর্ষদ অনুমোদিত মূলধন বাড়ানোর পাশাপাশি ৩ কোম্পানিকে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কেয়া নিট কম্পোজিট লিমিটেড, কেয়া কটন মিলস লিমিটেড এবং কেয়া স্পিনিং মিলস লিমিটেডকে কেয়া কসমেটিকসের সঙ্গে একীভূত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোম্পানির আসন্ন বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতির জন্য প্রস্তাব করা হবে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানিটি অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৬৫০ কোটিতে উন্নীত করবে। কোম্পানিগুলো একীভূত হওয়ার পর কেয়া নিট কম্পোজিটের প্রতি শেয়ার ১.৩৬৮৪২টি, কেয়া কটন মিলসের প্রতি শেয়ার ০.৭০২৭০টি এবং কেয়া স্পিনিং মিলস লিমিটেডের প্রতি শেয়ার ০.৬৩৪১৪টি অনুপাতে কেয়া কসমেটিকসের শেয়ারে রূপান্তর করা হবে।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ফাইন ফুডসের পরিচালনা পর্ষদ ৩০ জুন ২০১৩ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩ নভেম্বর। সমাপ্ত অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.০৪৬ টাকা।
