পেশাদার ফুটবল ক্লাবগুলোকে লাইসেন্স নিতে হবে

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০১৩, ২১:২৬
ফুটবলে নতুন নিয়ম প্রবর্তন করতে যাচ্ছে বাফুফে। পেশাদার ফুটবল ক্লাবগুলোকে বাফুফের কাছ থেকে লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে। যে সব ক্লাব পেশাদারী কাঠামো মেনে চলে তাদেরকে লাইসেন্স দিবে বাফুফে। এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফেডারেশন। বাফুফে জানতে চেয়েছে কোন কোন ক্লাবের পেশাদারী কাঠামো রয়েছে। নিজস্ব মাঠ, অবকাঠামোগত সুবিধা আছে কিনা, পেশাদারী জনবল দিয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম চলে কিনা, সিইও আছে কিনা, স্থায়ী টিম ম্যানেজার রয়েছে কিনা, কোচিং স্টাফ আছে কিনা, মার্কেটিং অফিসার আছে কিনা। বাত্সরিক অডিট রিপোর্ট থাকতে হবে। লাইসেন্স পাবার ক্ষেত্রে এই সব বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। মাঠের স্বল্পতা রয়েছে দেশে। যে কারণে এক দুইটা ছাড়া পেশাদার ক্লাবগুলো বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামকে নিজেদের ভেন্যু হিসাবে ব্যবহার করছে। লাইসেন্স পেতে এই নিয়মটি কড়াকড়ি করা হবে। প্রত্যেক ক্লাবের নিজস্ব মাঠ থাকার নিয়ম থাকলেও দুই ক্লাব একটি মাঠ ব্যবহার করলেও বাফুফে থেকে লাইসেন্স পেতে সমস্যা হবে না বলে জানা গেছে। তবে সব সুযোগ সুবিধাগুলো এখনই নিশ্চিত করতে হবে না। এবছরই লাইসেন্স গ্রহণের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাইবে বাফুফে। তবে কড়াকড়ি থাকবে না। সচেতন করাটাই বাফুফের মূল উদ্দেশ্য। আগামী মৌসুমের আগ পর্যন্ত কতটা ক্লাবগুলো এগুলো তা জানতে চাইবে বাফুফে। তারপর লাইসেন্স বিতরণের ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা প্রয়োগ করবে বাফুফে। বর্তমানে বাংলাদেশের ফুটবল ক্লাবগুলো এএফসির প্রেসিডেন্ট কাপ খেলছে। প্রেসিডেন্ট কাপের উপরের সারির টুর্নামেন্ট হচ্ছে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। বাফুফে চাইছে বাংলাদেশের ক্লাবগুলো সেই টুর্নামেন্টে খেলার জায়গা করে নিক। এএফসিও এব্যাপারে সহযোগিতা দিতে চায়। কিন্তু সেখানে অংশগ্রহণ করতে হলে কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে বলে বাফুফেকে জানিয়েছে এএফসি। অনেকগুলো নিয়মের মধ্যে ক্লাবগুলোর লাইসেন্স থাকাটা জরুরি। লাইসেন্স থাকার মানে হচ্ছে এএফসি ধরে নেবে সেই ক্লাবটি পেশাদারী প্রথায় পরিচালিত হচ্ছে। ন্যূনতম নিয়মগুলো মেনে পরিচালিত হচ্ছে ক্লাব। তাতে এএফসির মর্যাদার টুর্নামেন্টগুলোতে যোগ্যতা নিয়ে ঠাঁই করে নিতে পারে বাংলাদেশের ক্লাবগুলো। গতকাল বাফুফে জানিয়েছে শুধু পেশাদার ক্লাবগুলোই নয়, যদি অন্যান্য কোনো ক্লাব বাফুফের শর্ত মেনে লাইসেন্স চেয়ে আবেদন করে তাহলে তারাও লাইসেন্স পেতে পারে বলে জানা গেছে। ক্লাব লাইসেন্সিং পদ্ধতি প্রয়োগের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যার নামকরণ করা হয়েছে ফার্ষ্ট ইন্সট্যান্স বডি (এফআইবি) সংক্ষেপে ফিব। পাঁচ সদস্যের এই কমিটির চেয়ারম্যান বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী, সদস্যরা হলেন আবদুর রহীম, আনোয়ারুল হক হেলাল, শেখ মারুফ হাসান, জাকির হোসেন।