টেলিফোনে পাঠকের মতামত দেশ কি নির্বাচন না সংঘাতের পথে

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০১৩, ২০:২৮
দেশের সব মানুষই চায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। গণতন্ত্রের জন্য সমঝোতা না হলে সংঘাত অনিবার্য সে রকম আমরা চাই না। শিলা সিডনী অস্ট্রেলিয়া নির্বাচনমুখী দেশ। কিন্তু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন সুষ্ঠু পরিবেশ। সংলাপের জন্যে যে একটা ভিত্তি তৈরি হওয়া দরকার সেটা এখনও হয়নি। সুতরাং বিষয়টি দ্রুত সমাধান হওয়া দরকার। জাহাঙ্গীর হোসাইন পুরানা পল্টন, ঢাকা প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, টেলিফোনে কথা বলবেন বিরোধী দলীয় নেত্রীর সাথে। এটা অবশ্যই ইতিবাচক বিষয়। আসাদ ধানমন্ডি, ঢাকা মানুষ এখনও শঙ্কার মধ্যে আছে যে, আদৌ দেশে নির্বাচন হবে কি না। তা না হলে সংঘাত অনিবার্য। আমরা চাই নির্বাচন। চাই না সংঘাতময় পরিবেশ। বাবুল ধানমন্ডি, ঢাকা যে অবস্থানটা বিদ্যমান আছে সেটার পরিবর্তন দরকার। সমাধানের রাস্তা বের করা দরকার। অথচ এখনো সমাধানের প্রকাশ হচ্ছে না। সে বিষয়টি এখনই পরিষ্কার হওয়া দরকার। মোহাম্মদ মোজাহারুল ইসলাম চেয়ারম্যান, জিডাফ, সাভার এখনো দুই দল অনড়। আর সংলাপ প্রশ্নে চলছে নাটকীয়তা। নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতার পালটাপালটি প্রস্তাব ক্ষণে ক্ষণে বদলে যাচ্ছে। দেশবাসীর সবারই কিন্তু জানা আছে যে, সমঝোতার বিকল্প নেই। অন্যথায় দেশের শান্তি ও অস্থিরতা মারাত্মক বিঘ্নিত হবে, যা দেশের জন্য আদৌ কল্যাণকর হবে না। আতিক হাসান পরীক্ষার্থী, এইচএসসি (বাউবি), মিরপুর সরকারি বাংলা কলেজ, মিরপুর, ঢাকা আমরা মনে করছি, দ্রুতই দুইপক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরু করা দরকার। যেহেতু এ দেশের মানুষ সামনের দিনগুলোতে আর শঙ্কা ও ভীতির মধ্যে থাকতে চায় না। লিটন কবিরহাট , নোয়াখালী দুই পক্ষকে আলোচনায় অবশ্যই বসতে হবে। অতীতের সব কথা ভুলে গিয়ে এখন সামনের দিকে চলাই হচ্ছে সঠিক সময়। আমরা সংঘাত চাই না, চাই একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন। মাসুম আহম্মেদ যাত্রাবাড়ী, ঢাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রাজনৈতিক সমঝোতার স্বার্থে তিনি সর্বোচ্চ ছাড় দিতেও প্রস্তুত। প্রয়োজনে তিনি নিজে বিরোধী দলীয় নেত্রীকে ফোন করবেন বলে জানিয়েছেন । সুতরাং আমরা মনে করছি নির্বাচনের পক্ষে দেশ। মো. মেজবাহউদ্দিন সেলিম শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা আমরা চাই রাজনীতির আকাশ উজ্জ্বল হয়ে চতুর্দিকে আলোময় করে তুলুক। সোহাগ ভাগলপুর লেন, নবাবগঞ্জ, ঢাকা সব দলের মাধ্যমে নির্বাচন হলে দেশ রক্ষা পাবে। জনগণও শান্তিতে স্বস্তিতে থাকবে। আমাদের এখন সেটাই প্রত্যাশা। তানজিলা পিলখানা, ঢাকা দেশ রাজনৈতিক সংঘাতে যাক, তৃতীয় শক্তি ক্ষমতায় আসুক—এটা দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ চায় না। রিফাত মালিবাগ, ঢাকা দেশ নির্বাচনের দিকেই যাচ্ছে। দেশ সংবিধান অনুযায়ী চলে। আর সংবিধানে যেভাবে বলা আছে সেভাবেই নির্বাচন হবে বলে আমার বিশ্বাস। দেশ সামনের দিকে যাবে, পিছনের দিকে যাবার সুযোগ নেই। যারা পিছনের দিকে চিন্তা করে তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। মোহাম্মদ কবিরুল আজাদ মনকাসারই, কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বরফ কিছুটা হলেও গলতে শুরু করেছে এবং উভয় তরফেই চাই এখন আন্তরিক প্রয়াস। সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে। সুতরাং একতরফা নির্বাচন করার মানসিকতা পরিহার করতে হবে ও সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে। শেলী স্যানি সাইড, নিউইয়র্ক দেশের ১৬ কোটি মানুষের স্বার্থ তাদের ক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান। সংলাপ যদি সত্যি সত্যি অনুষ্ঠিত হয় তাহলে রাজনীতিকরা কতটা বিচক্ষণতা ও ঔদার্যের সাথে আপস মীমাংসায় পৌঁছান তা দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে দেশের মানুষ। শিশির আজিমপুর, ঢাকা পরিস্থিতি যা তাতে নির্বাচনকালীন সরকার বিষয়ে দুই দল অচিরেই ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করছে দেশবাসী। দুই দল ২৫ অক্টোবরে পালটাপালটি সমাবেশের ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। আমরা নির্বাচনের পক্ষে—সংঘাতের পক্ষে নই। মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল) আরাপপুর, ঝিনাইদহ নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে দুই দল ভিন্নধর্মী প্রস্তাব দিলেও তাদের অবস্থানে উভয় দলই অনড়। তাদের এ অনড় অবস্থানের কারণে সংকট সমাধান না হয়ে আরো প্রকট হবে বলে আমরা মনে করছি। সুতরাং আমরা চাই না সমস্যা বা সংঘাত ও শঙ্কা। চাই শান্তিময় নির্বাচন ও সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন। বাবু টোলারবাগ, মিরপুর, ঢাকা দেশ এভাবে চলতে পারে না। যেভাবে সরকারি দল তাদের ফর্মুলা দিয়ে চলেছেন তাতে করে দেশে সংঘাতের সম্ভাবনাই বেশি। তবে আমরা আশা করছি দু’টি দল একসাথে সংলাপে বসে নির্বাচনের বিষয়টি অচিরেই সমাধান করবেন। বজলুল করিম রিসোর্স ইন্ট্রিগ্রেশন সেন্টার (রিক), ধানমন্ডি, ঢাকা দেশ আজ সংঘাতের দিকে যাচ্ছে তবে আমরা এরকম পরিস্থিতি চাই না। আমরা চাই সুষ্ঠু, সুন্দর, অবাধ নির্বাচন যা সকল দলের অংশগ্রহণে হতে হবে। দেশের মানুষ সে রকম পরিস্থিতি দেখতে চায়। সোনালি দিনের মধ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়াটা একান্ত দরকার। খায়রুল বাসার কুতুবখালী, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা এদেশের বিশিষ্ট নাগরিকদেরও অভিমত সংলাপে বসলে সমাধান সূত্র মিলবেই। আমাদেরও বিশ্বাস দু’টি বড় দল এক টেবিলে বসে সংলাপ করুন। এতেই সমাধান হয়ে যাবে সব। মনির হোসেন মনির বুক অ্যান্ড সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র মিরপুর-১, ঢাকা ঠিক এ মুহূর্তেও যদি সরকার ও বিরোধীদল স্ব স্ব অবস্থানে অনড় থাকে, তাহলে নির্বাচন অপেক্ষা সংঘাতের পাল্লা ভারী বলে মনে হচ্ছে। অথচ আমরা সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন চাই। সংঘাত নয়। গত ১৮ তারিখে প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলে, তাত্ক্ষণিকভাবে আমরা আশান্বিত হলাম এই ভেবে, শেষাবধি প্রধানমন্ত্রী এক চুল পরিমাণ নট নড়ন-চড়ন থেকে সরে এসেছেন এবং রাজনৈতিক অচলাবস্থা কিছুটা হলেও আলগা হতে শুরু করেছে। যদিও প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে ধোঁয়াশা ও অস্পষ্টতা রয়েছে, নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকারে প্রধান হিসেবে কে থাকছেন তা পরিষ্কার না করায়। বিরোধী দলের দাবি, তারা বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে স্বপদে রেখে তাঁর অধীনে নির্বাচনে যাবে না। দেশের অধিকাংশ জনগণই নিরেপেক্ষ সরকারের অধীনে সাধারণ নির্বাচন দেখতে চায়। বর্তমান সংবিধান প্রধানমন্ত্রীকে এতটাই ক্ষমতা দিয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রীর হাত ঈশ্বরের হাত পর্যন্ত পৌঁছেছে। এই ধরনের ক্ষমতাধারী প্রধানমন্ত্রীর অধীনে আদৌ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয় ভেবে বিরোধীদল বিশেষ করে ১৮ দলীয় জোটের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২১ অক্টোবর পালটা প্রস্তাব রাখলেন নির্বাচনকালীন সরকারের সাবেক দশ উপদেষ্টাকে অন্তর্ভুক্ত এবং উভয় পক্ষের কাছে সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিকে সরকার প্রধান করার। প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলের নেত্রীর পারস্পরিক প্রস্তাবের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হলো, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একে অপরের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থার সংকট এখনও বিরাজমান। আর এই যখন অবস্থা তখন উভয় পক্ষ ও দল মুখোমুখি বসে সংলাপ ও সমঝোতা এমনকি সংসদের এই মেয়াদ শেষের আগেই সংসদে বসে আলোচনার মাধ্যমে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পদ্ধতি ঠিক করতে না পারলে সংঘাত অনিবার্য তাতে কোনো সন্দেহ নেই। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের স্বার্থে, জাতির বৃহত্তর স্বার্থে, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে, স্বাধীন দেশে নীল হেলমেট ধারীদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে, “তুই থুলি, মুই থুলি” বন্ধ করুন। রাজনীতি যার যার, দেশ সবার, এই সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে সকল দলের প্রতি আমাদের অনুরোধ—আপনারা ব্যক্তি স্বার্থকে ত্যাগ করে, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে দেশপ্রেমের পরীক্ষায় পরীক্ষা দিন। মুরাদ হোসেন মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষার স্বার্থে এর বিকাশ ও প্রতিষ্ঠার জন্য সমঝোতা ছাড়া কোনো পথ নেই। দেশের মানুষ সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে চায়। তারা সংঘাতময় পরিস্থিতি অবশ্যই দেখতে চায় না। আইরিন সুলতানা সন্জু মাইজপাড়া, ধুপপুর, চট্টগ্রাম দেশ এখন সংঘাতের পথে। কারণ বর্তমান সরকার এবার কোনোভাবেই ক্ষমতা ছাড়তে চাইছে না। সরকার জনগণের ও বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ প্রস্তাব মেনে নিচ্ছে না। সরকার বিরোধী দলকে হিংস্র হতে বাধ্য করছে। যার দায় সরকারকেই বহন করতে হবে। ইভান কাওরাইট, শ্রীপুর, গাজীপুর দেশে যে অবস্থা তাতে আমার মনে হচ্ছে সংঘাতের দিকে যাচ্ছে দেশ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম জিয়া পৃথক পৃথক ফর্মুলা বা প্রস্তাব দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ এখন সময় ক্ষেপণ করছে। সার্বিক অবস্থা দেখে মনে সংঘাতের পরই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। মাসুম চৌধুরী ১ম বর্ষ, দর্শন বিভাগ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ সংঘাত নয়। সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। দুই নেত্রীর মতো জনগণও সে আশাই করে। দুই নেত্রীর পক্ষেই সম্ভব নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট সমাধানের। দুই নেত্রী ব্যর্থ হলে তৃতীয় শক্তির আবির্ভাব ঘটলে রাজনীতিবিদরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জনগণ চায় দেশের শান্তি। মন্জু খন্দকার চুয়াডাঙ্গা দুই নেত্রীর যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে আলোচনার দিকে যেতে পারেন। তা না হলে সংঘাতের সম্ভাবনা আছে। আমি একটা কথা বুঝি না বিরোধী দলীয় নেত্রী ৭ মাস যুদ্ধকালে ঢাকা ক্যান্টমেন্টে আটক ছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার কন্যা। এই দু’জনেরই দেশপ্রেমিক হবার কথা। কিন্তু ক্ষমতার জন্য দেশকে সংঘাতের দিকে তারা কেন নিয়ে যাচ্ছেন তা আমার বোধগম্য নয়। আমি দুই নেত্রীর কাছে আবেদন করছি যে দেশের কল্যাণের জন্য এগিয়ে আসুন। সন্ত্রাসের পথ বন্ধ করুন। সৈয়দ হায়দার আলী সভাপতি, মহাখালি যুব কল্যাণ সমিতি, মহাখালি, ঢাকা সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সরকার ও বিরোধী দলের সংলাপ এবং পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ গড়ে তোলা এখন অত্যন্ত জরুরি। বদিউল আলম শান্তিনগর, ঢাকা দেশ কি নির্বাচন না সংঘাতের পথে—এ বিষয়টি নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়ে আছে। সবাই শুধু নির্বাচন নিয়ে নতুন নতুন প্রস্তাব দিয়ে যাচ্ছে কিন্তু রিং পড়ানো, বিয়ে-বাসর আদৌ হবে কিনা তা নিয়ে সাধারণ জনমনে যথেষ্ট সন্দেহ। প্রস্তাব উপস্থাপনের পর রাজনৈতিক আনুগত্য বজায় রেখে রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ বিভিন্ন সভা, সেমিনার ও টিভি টকশোতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় বিশ্লেষকের বড়ই অভাব মনে হচ্ছে এ মুহূর্তে। প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল তেল আর জল একসাথে করার চেষ্টা করছে যা আদৌ সম্ভব নয়। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন “পুরুষ মানুষ বড়ই অতৃপ্ত, পৃথিবীর সমস্ত নারীকে পেলেও তার পিপাসা মিটবে না” তেমনি প্রধান দুটি দলই ক্ষমতার মোহে অতৃপ্ত থাকে সারাক্ষণ। নেপোলিয়ান ফ্রান্সের সম্রাট হওয়ার পর ১৮১৫ সালে রাশিয়া আক্রমণ করেন। জয়ের কাছাকাছি পৌঁছামাত্র সংবাদ পান ফ্রান্স বেদখল হয়ে যাচ্ছে। ফিরে এসে তিনি গৃহবন্দী হন। ওয়ান ইলেভেনের সময় এমনই ঘটেছিল দু’ নেত্রীর ক্ষেত্রে। ইংরেজ কবি বায়রন বলেছিলেন “যে নারীকে ভালবাসি তার জন্য জীবন দেয়া যত সহজ তার সাথে ঘর করা তত সহজ নয়” ঠিক তেমনি এদেশের জন্য জীবন দেয়া যত সহজ সাধারণ নাগরিক হিসেবে বেঁচে থাকা তত সহজ নয়। ইদানীং অনেকেই বলে রাজনীতিবিদ ও ডায়াপারের মধ্যে একটা মিল আছে, সেটি হল দুটোই নিয়মিত পরিবর্তন করতে হয় এবং একই কারণে। রাজনীতিবিদদের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি সাধারণ জনগণ আলোচনা চায়। দয়া করে আলোচনায় বসুন সমঝোতায় পৌঁছার মনমানসিকতা নিয়ে। কারণ আপনাদের ছেলেমেয়েরা বিদেশে বসবাস করে, আর আমার ভাইবোনেরা এদেশের রাস্তায় চলাফেরা করে। যে কোনো সময় রাজনৈতিক দাঙ্গায় কেড়ে নিতে পারে একটি প্রাণ। উপার্জন অক্ষম হতে পারে একটি পরিবার। মো. নুরুল হক, নালিতাবাড়ী, শেরপুর দেশ এখন নির্বাচনের পথে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সর্বদলীয় নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের জন্য বিরোধীদলীয় এমপিদের নাম চেয়েছেন এবং স্বাধীনতা অর্জনের ৪২ বছর পর নির্বাচন পদ্ধতি নির্ধারণ করেছেন। এজন্য বর্তমান সরকারকে জাতির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাতে হয়। বিরোধী দলীয় নেত্রীর প্রতি জাতির পক্ষ থেকে আহ্বান, আপনারা নির্বাচন পদ্ধতি স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা করুন এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে নিজেদের অবস্থান নির্ধারণ করুন। জাতির অভিভাবকরাই পারেন দেশের মানুষের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক মুক্তি দিতে, জাতীয় সকল সমস্যার সমাধান করতে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সকল দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে উত্সবমুখর হবে—এ জাতির প্রত্যাশা। ডা. এস এম মোশারফ হোসেন আলমপুর, শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ দেশ এ মুহূর্তে নিশ্চিত সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সরকার ও বিরোধীদল নিজ নিজ প্রস্তাব নিয়ে যোজন যোজন দূরত্বে অবস্থান করছে। সত্যিকার অর্থে দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিতে হলে গোটা জাতিকে নির্বাচনমুখী করে গণতন্ত্রের পথে নেয়ার জন্য সরকারকে অবশ্যই সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের মতামতকে মূল্য দিতে হবে। একগুঁয়েমি একরোখা মনোভাব অবশ্যই পরিহার করতে হবে। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার অধীনে ২০০৬ সালে বিচারপতি কে এম হাসানের অধীনে নির্বাচন করা না গেলে বর্তমানে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন কীভাবে সম্ভব? তারপরেও দেশ-জাতির স্বার্থে সরকারের ভাষায় সংবিধান রক্ষায় এই মুর্হূতে বিরোধী জোট থেকে ৫ জন সরকারের জোট থেকে ৬ জন এমপি নিয়ে টেকনোক্রোট কোটায় একজন নিরপেক্ষ গ্রহণযোগ্য প্রধানমন্ত্রী নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করলে এ মুহূর্তে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। এতে করে সাপও মরবে লাঠিও ভাঙবে না। অন্যদিকে এ সরকার হবে অন্তর্বর্তীকালীন একটি সাংবিধানিক সরকার। শাহ আলম খান সরল, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম আসলে দেশ কোন পথে আছে তা বলতে গেলে দেশের কোনো পথ নেই। পথ নির্ভর করছে আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের ওপর। তারা যেদিকে নেবে দেশ সেদিকেই যেতে বাধ্য। তবে বেশিরভাগ জনগণ যা চায় সেদিকেই দেশকে পরিচালনা করা উচিত বলে আমি মনে করি। প্রয়োজনে দেশের গণভোটের আয়োজন করে সেটার সুব্যবস্থা করা যেতে পারে। আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী (হিফজু) হাউজিং স্টেট, রাজশাহী ৬২০২ ২৫ অক্টোবর পরবর্তী দেশের অবস্থা কী হবে, আদৌ কোনো সরকার থাকবে কি না তা নিয়ে এক শ্রেণির রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকমহল বিস্তর পানি ঘোলা করার চেষ্টা করেছেন, যা জনমনে উদ্বেগ, উত্কণ্ঠা ও আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সুতরাং এ আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে যে শঙ্কা চলছে তা অচিরেই সুরাহা দরকার। নূর আলম শান্তিনগর, ঢাকা বাংলাদেশ একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশ। নয় মাস যুদ্ধ করে লাখ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এ দেশ। বর্তমানে দেশের যে নির্বাচনী রাজনৈতিক সংকট বিরাজমান তাতে বর্তমান সরকার ও বিরোধী দল তাদের উভয়ের আক্রমণাত্মক পালটাপালটি জবাব, প্রস্তাবনা ছুড়ে দেয়ার যে অভিপ্রায় তাতে একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে আমার কাছে মনে হয় দেশ সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই সুষ্ঠু সংলাপের মাধ্যমে সব দলের সাংবিধানিক নিয়ম মেনে নিলেই একটি অবাধ, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব। মো. শহীদুল ইসলাম নিশিন্দারা, মধ্যপাড়া, বগুড়া দেশ সংঘাতের দিকে যাবে না। দেশ অবশ্যই নির্বাচনের দিকে যাবে। নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্রকে বাঁচানো যাবে না। আমরা সাধারণ মানুষ মতামত দিচ্ছি। রাজনীতিবিদরা সংঘাতের মতো দুঃখজনক পথে যাবেন না। লক্ষ করেছি যখনই কোনো সমস্যা দেখা দেয় তখন সহসাই সমাধান হবে বলে মনে হয় না। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে প্রয়োজনের নিরিক্ষে একটি সমঝোতার পথ বের হয়ে আসা। রাজনীতিতে হত্যা, গুম, অবরোধ, হরতাল দেখে দেখে মানুষ ক্লান্ত। এ অবস্থা থেকে সবাই বেরিয়ে আসতে চায়। যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে একটা অচল অবস্থা চলছে তাই সুশীল সমাজকে এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য ভূমিকা রাখতে হবে। দু’ নেত্রী যতই বলুক, যতই তাদের একরোখা মনোভাবের পরিচয় দিক, সেটা জনগণ পছন্দ করে না। অবশ্যই ২৫ অক্টোবরের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে একটু সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চায়। আমরা কোনোরূপ শঙ্কার মধ্যে যেতে চাই না। আমরা মনি করি, বড় দুটি দলসহ সব রাজনৈতিক দল সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে তাদের ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করবে। সরকারও যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা সম্ভব হয় সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে। আমরা চাই সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে আগামী দিনগুলো। রাজনীতিবিদদের জন্য প্লেইং ফিল্ড তৈরি করা হবে। এতে দেশ এবং জনগণের উভয়ের কল্যাণ। জনগণ তাদের পছন্দমতো সরকার গঠন করবে এটাই তার গণতান্ত্রিক অধিকার। ওয়াহিদ মুরাদ নেছারাবাদ, পিরোজপুর আমি মনে করি সংঘাতময় রাজনীতি এড়াতে হলে এখন প্রয়োজন সেনাবাহিনী। নতুবা গৃহযুদ্ধের সম্ভাবনা থেকে যাবে। মোহাম্মদ নূরুল আমীন মোল্লা শ্রীপুর, গাজীপুর প্রতিটি মানুষের হূদয়ের গভীরতম স্পন্দনে একমাত্র প্রত্যাশা সম্ভাব্য সংঘাত ও সামাজিক বিপর্যয় থেকে দেশ রক্ষা পাক। সরকার আলোর পথ দেখাচ্ছেন। কিন্তু আবার যেন অজানার মরীচিকার মধ্যে হারিয়ে যায় মানুষের প্রত্যাশা। তাই আমাদের দেশের সকল রাজনৈতিক দল প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করলে আগামী নির্বাচন পদ্ধতি ও নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে সবার মাঝে কোনো প্রশ্ন দেখা দেবে না। বিএনপির উচিত হবে চলতি সংসদে আগামী সংসদ নির্বাচন সহিংসতা মুক্ত করা যায় সে রূপরেখা তুলে ধরে দলীয় ক্যাডারদের নিয়ন্ত্রণ করা গেলে আগামী নির্বাচন অবশ্যই অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ হবে এবং বিশ্ব দরবারে গ্রহণযোগ্যতা পাবে। ফারুক আহম্মেদ বাগমারা, রাজশাহী দুই নেত্রীর খামখেয়ালিপনায় দেশ অনিবার্য সংঘাতের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এ অবস্থায় আমি মনে করি শুধু এখন নয় বিগত ২০ বছর ধরে চলছে তাদের খামখেয়ালিপনা। এই খামখেয়ালিপনা অনন্তকাল চলতে পারে না। এর অবশ্যই এটা বিহিত হওয়া প্রয়োজন। আমি মনে করি এই দুই নেত্রী বিগত ২০ বছর পালাক্রমে তারা ১০ বছর করে সংসদকে অবহেলা করেছেন যা পৃথিবীর গণতান্ত্রিক বিশ্বে এক নজিরবিহীন ঘটনা। এই রাষ্ট্রের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে কোনো রাজনীতি চলবে না। বিচার বিভাগে কোনো রাজনীতি থাকবে না। বিচার বিভাগে আইনটি আজ কলুষিত করছে। মো. আবদুর রশিদ সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ সংসদ রেখে যদি নির্বাচন হয় তাহলে অনেক জটিলতা দেখা দেবে। সুতরাং দুই শীর্ষ দলের এখনই সংলাপে বসা দরকার। শাহানারা ইয়াসমিন মিরপুর ১, ঢাকা আমাদের দেশে দলীয়করণের যে অপসংস্কৃতি তৈরি হয়েছে তা নিরপেক্ষ নির্বাচন হওয়া খুব কঠিন বিষয়। কাজেই দু’দলকে এখন আন্তরিকতার সাথে এগিয়ে আসতে হবে। নতুবা সংঘাত সৃষ্টি হতে পারে। নীলু করিম এনায়েতগঞ্জ লেন, ঢাকা আমরা আসলে শান্তির পক্ষে। আমরা চাই দুই দল সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানে আসবে। বিউটি মালিবাগ, ঢাকা বিরোধী দলীয় নেত্রীর প্রস্তাব পশ্চাদমুখী। তিনি ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের রূপরেখায় যে কথা বলেছেন তা ঠিক নয়। গত শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে ভাষণে সর্বদলীয় সরকারের প্রস্তাব তুলে ধরেন। দেশের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় আছে সুদিনের প্রত্যাশায়। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সবাই আশা করছে। এস কে মোহাম্মদ রমিজউদ্দিন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার, ঢাকা দেশে যে অবস্থা চলছে এরকম অবস্থা আমরা দেখতে চাই না। আমরা চাই নির্বাচন। সংঘাত চাই না। আবদুর রহমান নাঈম অর্নাস তৃতীয় বর্ষ, ইংরেজি, ঢাকা কলেজ দেশ এখন সংঘাতের কবলে পড়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করবে। রাজনীতিতে সংঘাত, সংঘর্ষ ও সহিংসতা বিরাজমান। সরকার ও বিরোধী দল এখন মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে। এমন নজির বিশ্বের কোনো দেশেই নেই। দেশের জনগণ গণতন্ত্র চায়, সেই সঙ্গে সুষ্ঠু নির্বাচনও চায়। এখন একমাত্র সমস্যা সমাধানে দুই নেত্রী এগিয়ে এসে এ সমস্যার সমাধান ঘটাতে পারেন। কিন্তু উভয় নেত্রী পরস্পর বিরোধী মন্তব্য থেকে সরে আসেননি। উভয় দলের উচিত সংঘাত বর্জন এবং সংহতি প্রকাশ করা, নইলে আগামী নির্বাচনেও সংঘাত বিদ্যমান থাকবে। এতে জনগণ ও দেশের ভবিষ্যত্ অনিশ্চিত হয়ে যাবে। সাধারণ মানুষ সংঘাতের অবসান চায়—এটা দু’নেত্রীর ভাবা উচিত। শাহ মো. হেলালউদ্দিন হিরা কালিহাতি, টাঙ্গাইল দেশ সংঘাতের দিকে যাচ্ছে। এই জন্য আমরা দুশ্চিন্তায় আছি। আমরা আশা করি, সুষ্ঠুভাবে যাতে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা যায়, সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেত্রী ভাববেন। ওষা নিউ ডিওএইচএস, মহাখালী দেশ নির্বাচন নয়, সংঘাতের দিকেই এগুচ্ছে। একদিকে সংলাপের প্রস্তাব, অন্যদিকে সভা-সমাবেশ ও মিছিল মিটিং-এ নিষেধাজ্ঞা, আবার সংবিধানের বাইরে না যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণা অসহনশীল মনোভাবের পরিচয়। বিরোধী দলের প্রস্তাবকে অমূল্যায়ন করে পৃথিবীর কোথাও গণতন্ত্রের চর্চা হয় না। সকল গণতান্ত্রিক দেশের সব বিধানই সংশোধনযোগ্য। তাই এরকম না করে বিরোধী দল ও জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি। মো. কমরুল ইসলাম টিপু সেনবাগ, নোয়াখালী দেশ কি নির্বাচন না সংঘাতের পথে এর উত্তরে আমি বলবো আজ বুধবার দৈনিক ইত্তেফাকের প্রথম পৃষ্ঠায় কার্টুনিস্ট কুদ্দুস সাহেবের যে কার্টুনটি প্রকাশ পেয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে কার্টুনিস্ট ভাই দুই প্রধান নেত্রীর মধ্যে একজনের হাতে তেল, অন্যজনের হাতে পানি ধরিয়ে দিয়ে নির্বাচন পদ্ধতি সমাধানের যে অসম্ভবতার ভাবার্থ প্রকাশ করেছেন সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত। কারণ তেল ও পানি সাপে নেউলের সম্পর্ক। কার্টুনিস্ট কুদ্দুস ভাইকে ধন্যবাদ। তবে আমি শুধু মহান প্রভুর কাছে প্রার্থনা জানাবো, ‘হে প্রভু তুমি আমাদের জানমাল রক্ষায় এবং অহেতুক সংঘর্ষ পরিহারে হয় তুমি দুই আপসহীন নেত্রীর হাতে খাঁটি বিশুদ্ধ তেল ধরিয়ে দাও না হয় তুমি দু’জনের হাতে আবে জমজমের জীবণুমুক্ত বিশুদ্ধ পানি ধরিয়ে দাও। আমরা ধর্মমত নির্বিশেষে অতিনিরীহ সাধারণ মানুষ যেন পান করে মসৃণ পথে হেঁটে গিয়ে নির্বিঘ্নে আমাদের অতি মূল্যবান ভোটখানি সুপাত্রে প্রদান করতে পারি।’ আমরা সুষ্ঠু ও বিশুদ্ধ নির্বাচন চাই। মো. লুত্ফর রহমান এলিফ্যান্টরোড, ঢাকা যত পথ তত মত। পথ বা মত যতই থাকুক সংলাপ ও সমঝোতাই শান্তির পথ। দেশবাসী রাজনৈতিক দলের কাছের মানুষ। জনগণের ভোটেই সাংসদ নির্বাচিত হয়। দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে রাজনৈতিক দল সংলাপের মধ্যে সব সমস্যার সমাধান করবে বলে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ আশা করছে। বিদেশি কূটনীতিকগণও প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেত্রীর সংলাপের মাধ্যমে নির্বাচন হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন। দেশবাসী আশা করে, সংঘাতের পথ পরিহার করে শান্তিপূর্ণভাবে আগামী নির্বাচনে সব দলই অংশগ্রহণ করবে। আমরা আশাবাদী আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে। আশা এলিজাবেত গোমেজ লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা ১১০০ নির্বাচন প্রশ্নে সমঝোতা এবং দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ব্যাঘাত ঘটাতে যারা চায় তাদেরকে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনা হোক। ইলিয়াস আলম সুমন সাউথ সন্দ্বীপ কলেজ, সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম দেশবাসী সরকারি ও বিরোধীদলের মধ্যে শান্তিপূর্ণ আলোচনা ও সমঝোতা প্রত্যাশা করে। যাতে সকল দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথ প্রশস্ত হতে পারে। মো. হানিফ মিয়া হাজারীবাগ, ঢাকা নির্বাচন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে এখনো সমঝোতার কোনো কার্যকর লক্ষণ নেই। হতাশার মধ্যে আছে দেশবাসী। দীনবন্ধু দত্ত রিসোর্স ইন্ট্রিগ্রেশন সেন্টার, ধানমন্ডি, ঢাকা দুই দলই নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থেকে প্রস্তাব পালটা প্রস্তাব দিচ্ছে। এতে করে সময় অতিবাহিত হচ্ছে। আর দেশবাসী আতঙ্কে আছে। এটা ঠিক নয় দুই দলেরই। নার্গিস নতুন পল্টন লাইন, আজিমপুর, ঢাকা আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় শান্তিপূর্ণ পথে অগ্রসর হওয়া গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য এবং তা সকলেরই কাম্য। পারভীন আক্তার হাজারীবাগ, ঢাকা