অ্যারচারি দল তাইপে যাচ্ছে কাল

আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০১৩, ২১:৪৭
এ মাসের শেষ সপ্তাহে চাইনীজ তাইপের সংসান ডিস্ট্রিক শহরে অনুষ্ঠিত হবে অ্যারচারীর দুটি প্রতিযোগিতা। ১৮তম এশিয়ান অ্যারচারি চ্যাম্পিয়নশিপ এবং ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিতব্য যুব অলিম্পিক গেমসের বাছাই। দুটি খেলাই শুরু হবে ২৯ অক্টোবর, শেষ হবে ২ নভেম্বর। বাংলাদেশের অ্যারচাররা শনিবার তাইপে যাবেন। এশিয়ান অ্যারচারির জন্য ইমদাদুল হক মিলন, রোমান সানা, দুরুল হুদা এবং মহিলা অ্যারচার মাথুই প্রু মারমা মনোনীত হয়েছেন। দলনেতা হয়ে যাচ্ছেন আনিসুর রহমান দিপু এবং কোচ নিশীথ দাস। ৭০ মিটার দুরত্বের রিকার্ভ ইভেন্টে দলগত, ব্যক্তিগত এবং মিশ্র দলগত লড়াই করবে বাংলাদেশ। এই আসরে কোরিয়া, জাপান, চীন, ভারত হচ্ছে শক্তিশালী দল। তারাই স্বর্ণ পদকের জন্য লড়াইয়ে নামবে। এই সব দেশের সাথে পেরে উঠা বাংলাদেশের জন্য কঠিনই হবে না, বলতে গেলে অবসম্ভও বটে। কিন্তু অসম্ভব মনে হলেও অ্যারচারি ফেডারেশন দেখছে তাদের অ্যারচাররা যদি ভালো প্রত্যাশার বাইরে ভালো পারফরম্যান্স করে ফেলতে পারে। তাহলে পদক তালিকায় বাংলাদেশের নাম উঠে গেলে অবাক হওয়ারও কিছু থাকবে না। তবে বাস্তবতা মেনে নিয়ে অ্যারচারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজীবউদ্দিন আহমেদ চপল কাল সংবাদ সম্মেলনে জানালেন ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়ার মতো দলগুলো আমাদের প্রতিপক্ষ। তাদেরকে পেছনে ফেলে দিয়ে আমরা একটা ভালো অবস্থানে যেতে চাই।’ ফেডারেশনের কথা হচ্ছে তারা সব রকম সুযোগ-সুবিধা দিতে পারেন না খেলোয়াড়দেরকে। অথচ খেলোয়াড়রা প্রত্যাশার চেয়েও সাফল্য দিচ্ছেন বেশি। ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক বলছেন, আমাদেরও তো সীমাবদ্ধতা রয়েছে।’ কাজী রাজীব উদ্দিন আহমেদ চপলের হাত ধরেই এদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তীর ধনুকের খেলাটা শুরু হয়েছে। ভারত থেকে কোচ নিশীথ দাসকে বাংলাদেশে এনে তার হাতে নবীনদের তুলে দেয়া হয়েছিল। প্রশিক্ষণ পেয়ে এরই মধ্যে আন্তর্জতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ স্বর্ণ পদকও জয়ে করেছে। ইমদাদুল হক মিলন স্বর্ণ জয় করেছেন ২০১০ সালে। এরপরও একাধিক পদক এসেছে বাংলাদেশে। ১৮তম এশিয়ান অ্যারচারি চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণে অর্থায়ন করছে উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড। চাইনীজ তাইপের একই স্থানে একই সময়ে ইউথ অলিম্পিক গেমস অ্যারচারির বাছাই পর্বে বাংলাদেশের পেননয় মুরং এবং মহিলা অ্যারচার হিরা মনি অংশগ্রহণ করছেন। কোচ যাচ্ছেন বাবুল মিয়া এবং দলনেতা ফজলুর রহমান মুকুল।