দেশে কীভাবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০১৩, ২২:০৩
আসন্ন নির্বাচন হবে সর্বদলীয় সরকার ব্যবস্থায় দেশে আসন্ন নির্বাচন সর্বদলীয় সরকার ব্যবস্থার মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে হবে। কারণ— আমাদের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল যেভাবে শক্ত অবস্থানে ছিলেন সেখান থেকে তারা সরতে শুরু করেছেন। যদিও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অস্পষ্ট এবং বিরোধীদলীয় নেত্রীর প্রস্তাব সংবিধান বহির্ভূত। রাজনৈতিক দলগুলো সবসময় বলে তাদের রাজনীতি জনগণের জন্য, দেশে গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখার জন্য। যদি তাই হয় তাহলে আপনারা সমঝোতায় আসুন। জনগণের জান-মাল রক্ষা করুন। দেশে আসন্ন সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে, মহামান্য রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বড় দু’দলের পাঁচজন করে মোট ১১ জন সদস্য নিয়ে নির্বাচন সময়কালীন সরকার গঠন করা উচিত। এতে করে উভয়পক্ষের জেদ রক্ষা হবে এবং সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন পড়বে না। নির্বাচনে সংঘাতের সম্ভাবনা থাকবে না। জনগণও খুশি হবে। শামীম সুলতানা আইন বিভাগ, অতিশ দিপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,পান্থপথ, ঢাকা রাষ্ট্রপতি বা স্পিকারকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান করে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা সম্ভব দেশের রাজনৈতিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। প্রধান দুই দলের রেষারেষিতে সাধারণ জনগণের অবস্থা আজ খুবই নাজুক। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে সকল দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। এবার প্রশ্ন হলো, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান কে হবে? যদিও ক্ষমতাসীন দলের পক্ষে বলা হচ্ছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হবে এর প্রধান। কিন্তু বিরোধীদল তা মানতে নারাজ। আবার বিতর্ক, আবার সংঘাত। এই মুহূর্তে আমাদের ভাবতে হবেন, এমন একজনকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান করতে হবে যার প্রতি সকলের আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। সেক্ষেত্রে বলা যায় দু’জন ব্যক্তি রয়েছে যাদের নিয়ে এখনো কোন আপত্তি নেই কারো। রাষ্ট্রপতি অথবা স্পিকারকে করা হোক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান। উভয়দলের আলোচনার মাধ্যমে প্রতিটি দল থেকে সমানভাবে লোক নিয়ে গঠন করা হোক একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আর সে সরকারের লোকদের মাথায় রাখতে হবে, তারা সাধারণ জনগণের জন্য কাজ করবে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ভিত্তি নির্ণয় করবে। আলোচনার নামে সময়ক্ষেপণ থেকে দূরে থাকবে উভয় দল। সমঝোতা করুন, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়। বিদ্যমান সমস্যা সমাধান করার জন্য। জনগণকে একটু শান্তি দেয়ার জন্য। সাধারণ মানুষের কথা ভাবুন। এরাই পারে আপনাদের ক্ষমতায় বসাতে। সুতরাং এদের কষ্ট দিবেন না আর। সনেট দেব বি.এস.এস. (সম্মান) শেষবর্ষ অর্থনীতি বিভাগ চট্টগ্রাম কলেজ, চট্টগ্রাম সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্যে উভয় দলেরই এক জায়গায় আসতে হবে প্রধান দু’দল তাদের নিজ নিজ সিদ্ধান্ত থেকে বিন্দুমাত্র নড়তে নারাজ। সরকারি দল পরিবর্তিত পঞ্চদশ সংশোধনী মোতাবেক নির্বাচন করতে চায়। অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে প্রস্তুত। এভাবে দু’দল তাদের নিজ স্বার্থের প্রতি অনড় থাকলে দেশে সৃষ্টি হবে মহাসংকট। আর তার ভুক্তভোগী হবে জনসাধারণ। তাদের এরকম সিদ্ধান্তের ভেতর তাদের সুবিধাজনক দিকগুলো ফুটে ওঠে। তাই এ মহাসংকট নিরসনে প্রধান দু’দলকে নিজস্বার্থ ত্যাগ করে জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে একটি শান্তিপূর্ণ সমঝোতায় আসতে হবে। যার মধ্যদিয়ে হতে পারে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের রূপরেখা। মোহাম্মদ মাসুদ বিএ (অনার্স) বাংলা সিটি ক্যাম্পাস, মিরপুর, উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয় সংঘাত নয়, সংলাপের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান করা সম্ভব দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উত্কণ্ঠায় দিনপাত করছে ১৬ কোটি মানুষ। এই মুহূর্তে দেশের জনগণ চায় সুষ্ঠু,অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন। একটি সুষ্ঠু,অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে হলে অবশ্যই প্রধান বিরোধীদলকে নির্বাচনমুখী করতে হবে। দেশ আজ দুই মেরুতে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এই দুই মেরুর পারস্পরিক বিদ্বেষ, প্রতিহিংসা,অনাস্থা এবং অবিশ্বাস এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যা ভাবলেই বিবেকবান মানুষের গা শুধু শিউরে ওঠে না, রীতিমত অস্থির করে তোলে। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৮ দলীয় জোট নেত্রী তিনদিনের হরতালের কর্মসূচি দিয়েছেন। অন্যদিকে সারাদেশে সংঘর্ষে ১৮দলীয় জোটের ছয়জন নেতা-কর্মীকে প্রাণ দিতে হয়েছে পুলিশের গুলিতে। রাজনীতির জন্য কত প্রাণ চলে যাচ্ছে অকালে না ফেরার দেশে তা কি সরকার ভাবছেন? হত্যার রাজনীতি বন্ধ করা না হলে সামনের দিনগুলোতে দেশ আরো সংকটের মুখে পড়বে। সরকারকে বিনয়ের সাথে বলব বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা পরিহার করে একটি অবাধ, সুষ্ঠ,ু নিরপেক্ষ নির্বাচন জাতিকে উপহার দেয়ার ত্বরিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে সংঘাতের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করুন। মো. তোফাজ্জল বিন আমীন এল এল এম অধ্যয়নরত (ইউআইটিএস) কাকরাইল ক্যাম্পাস, ঢাকা

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন