রীতিমতো সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ক্রিকেট কোচিং স্কুল (সিসিএস) দলকে প্রিমিয়ার লিগ থেকে অবনমিত করে দিয়েছে ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিশ (সিসিডিএম)। তারপরও সিসিএস আশা ছাড়েনি, দলটির কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, তাদের ওপর যে ‘অবিচার’ করা হয়েছে, তা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পুনঃবিবেচনা করবে। আর এ জন্য তারা বিসিবি সভাপতির সাক্ষাত্ পাওয়ার আশায় আছে।
গতকাল ক্লাবটির কর্মকর্তা আবু ইউসুফ চৌধুরী নিকু বললেন, ‘আমরা বিসিবি সভাপতির সাক্ষাতের অপেক্ষায় আছি। তিনিই তো সর্বোচ্চ পদে আছেন। তার সঙ্গে আমরা মৌখিক কথা বলে একটা আবেদন দেব বিসিবি’র কাছে। তারপর বোঝা যাবে কী হয়।’
এর আগে সময়মতো মাঠে উপস্থিত হতে না পারায় গত ২৪ অক্টোবর এবার লিগ থেকে অবনমিত করে দেয়া হয় সিসিএসকে। গত ৮ অক্টোবর ফতুল্লায় নির্ধারিত ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে ম্যাচে সময়মতো হাজির হতে না পারার অভিযোগে গতকাল তাদের বিপক্ষে এই ব্যবস্থা নিয়েছে ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিশ (সিসিডিএম)। এ বিষয়ক আইনের উল্লেখ করে সিসিডিএমে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছিল।
উল্লেখিত ম্যাচে ব্রাদার্স ইউনিয়ন সময়মতো হাজির হতে পারলেও ‘সড়ক গোলযোগে’ সিসিএস সময়মতো পৌঁছাতে পারেনি। তবে সেদিন একই ঘটনায় ম্যাচ রেফারিও সময়মতো মাঠে পৌঁছাতে পারেননি। পরে ম্যাচ রেফারি খেলা অনুষ্ঠানের চেষ্টা করলেও তা আর হয়নি। সে সময় ম্যাচ রেফারি ঘটনাটি সিসিডিএমের সিদ্ধান্তের জন্য ছেড়ে দেন।
ঘটনার এতোদিন পর সিসিডিএম গতকাল অভিযুক্তদের সঙ্গে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে কথা বলে এই সিদ্ধান্ত নেয়। সিসিডিএম সূত্র বলছে, সিসিএসের এই অবনমনের ফলে তাদের এ পর্যন্ত মাঠে গড়ানো সব খেলার ফলাফল বাতিল বলে গণ্য হবে। এর ফলে আবাহনী লিমিডেটের পয়েন্ট দাঁড়াবে শূন্য; কারণ আবাহনীর এখনও পর্যন্ত একমাত্র জয় ছিল এই সিসিএসের বিপক্ষে।
অবনমন ঘটার দিনই এই ঘটনাকে এই সঙ্গে অবিচার, আইন বিরোধী ও বিসিবি সভাপতির প্রতিশ্রুতির বরখেলাপ হিসেবে দেখছে সিসিএস। ক্লাবটির কর্মকর্তা আবু ইউসুফ চৌধুরী নিকু পরিষ্কার বললেন, ‘আইনে বলা আছে, টসের আগে কোনো দল ম্যাচ রেফারির কাছে রিপোর্ট করতে ব্যর্থ হলে তাদের বিপক্ষে ওয়াক ওভার দেয়া হবে; বহিষ্কার নয়। যেসব আইন উল্লেখ করা হয়েছে, তাতে বহিষ্কারের ব্যাপারটি নেই। দ্বিতীয় ম্যাচ রেফারি বলুন যে, আমরা টসের আগে উপস্থিত ছিলাম কি-না? অবশ্যই ছিলাম। সবশেষে আজ (গতকাল) বিসিবি সভাপতি আমাদের ডেকেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কোনো রেলিগেশন করা হবে না। পরে তিনি চলে গেলেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হল।’
