বড় জয়ে সমতায় সিরিজ শেষ করলো প্রোটিয়ারা

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০১৩, ২২:০৯
পাকিস্তানকে ইনিংস এবং ৯২ রানে হারিয়ে একদিন হাতে রেখেই দুবাই টেস্ট জিতে নিলো দক্ষিণ আফ্রিকা। পাকিস্তান অধিনায়ক মিসবাহ উল হক এই পরাজয়ের পেছনে দলের ব্যাটিং ব্যর্থতাকেই দায়ী করেছেন। প্রোটিয়াদের এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচ সিরিজটি ১-১ সমতায় শেষ হলো। দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে স্মিথ এবং এবি ডিভিলার্সের পঞ্চম উইকেটে রেকর্ড ৩৩৮ রানের জুটির উপর ভর করে ৫১৭ রান সংগ্রহ করে। স্মিথ ২৩৪ এবং ডিভিলার্স ১৬৪ রান সংগ্রহ করেন। সাঈদ আজমল ১৫১ রান দিয়ে ছয় উইকেট শিকার করেন। আফ্রিকার এই বিশাল রানের পাহাড়ের নিচে চাপা পড়ে পাকিস্তান। ইনিংস পরাজয় এড়ানোর জন্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ৪১৮ রান। ম্যাচের তখনো দুই দিন বাকি। তাই ইনিংস পরাজয় এড়ানোর লক্ষ্যেই ব্যাটে নামে মিসবাহ উল হকের দল। দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেও বিপদে পড়ে পাকিস্তান। ৭০ রান তুলতেই চার উইকেট হারায় দলটি। পঞ্চম উইকেট জুটিতে মিসবাহ এবং আসাদ শফিক ১৯৭ রানের জুটি গড়েন। পাকিস্তান অধিনায়ক ৮৮ রানে সাজঘরে ফিরলে আবারো বিপদে পড়ে দলটি। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা পাকিস্তানের ইনিংস ৩২৬ রানে গুটিয়ে যায়। আসাদ -শফিক সর্বোচ্চ ১৩০ রান সংগ্রহ করেন। সর্বশেষ ২০০৬ সালে আফ্রিকা কোনো টেস্ট সিরিজ হারে। এরপর থেকে অপ্রতিরোধ্য দলটি এই মুহূর্তে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে আছে। এর আগে পাকিস্তান অধিনায়ক মিসবাহ-উল-হক টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই খুররম মনজুরকে আউট করে প্রথম আঘাত হানেন ডেল স্টেইন। এরপর এই পেসার আরো দুইট উইকেট শিকার করেন। তবে আসল কাজটি করেন ইমরান তাহির। এই পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত স্পিনার তার ক্যারিয়ার সেরা ১৩ ওভারে ৩২ রান দিয়ে শিকার করেন পাঁচ উইকেট। এছাড়া মর্নে মর্কেল একটি উইকেট শিকার করেন। পাকিস্তানের ইনিংস মাত্র ৯৯ রানে গুটিয়ে যায়। এই ইনিংসটিসহ প্রোটিয়া বোলাররা চলতি বছরে দ্বিতীয়বারের মতো একশ রানের নিচে পাকিস্তানের ইনিংস গুটিয়ে দিল। বছরের শুরুতেও নিউজিল্যান্ডকে ৪৫ রানে অল আউট করে অধিনায়ক গ্রাহেম স্মিথের দলটি। এই ম্যাচ হারের পেছনে প্রথম ইনিংসে ব্যাটসম্যানদের রান না পাওয়াটাকেই প্রধান কারণ হিসাবে দেখছেন মিসবাহ, ‘টস জেতার পর আমাদের আরো ভাল খেলা উচিত ছিল। ৯৯ রানে না থেমে যদি আমরা ২০০ রান করতে পারতাম তাহলেও ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারতো’।