রা জ নী তি

সতর্কভাবেই পথ চলতে হবে

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০১৩, ২২:২০
অক্টোবরের কত তারিখ থেকে সরকার ‘অবৈধ’ হয়ে পড়েছে, সে বিষয়ে বিরোধী নেত্রী তার বক্তব্য সংশোধন করেছেন ২৫ অক্টোবর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত জনসভায়। এতে জামায়াত-শিবির কর্মীদের কতটা জোরালো অংশগ্রহণ ছিল, তা মিডিয়ায় এসেছে। এটি নতুন নয়। বিএনপি বা ১৮ দল আয়োজিত প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ জনসভায়ই এমনটি ঘটছে। সরকার বিরোধিতার প্রশ্নে জামায়াতে ইসলামী বিএনপির চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে। বর্তমান সরকার মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে উদ্যোগী হওয়ার পর থেকে এটি ঘটছে। বিরোধী নেত্রীও স্পষ্ট করে বলছেন না, তিনি ও তারা ক্ষমতায় এলে ওই বিচারের কী হবে। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় দণ্ডিতদের অবশ্য তিনি জেল থেকে ছেড়ে দেননি (বা দিতে পারেননি)। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের ক্ষেত্রে কি একই অবস্থান নেবেন? কথাটি ওঠে; কারণ তিনি সম্প্রতি এমনভাবে বক্তব্য দিচ্ছেন, যেন ক্ষমতায় এসেই যাচ্ছেন। দেশ কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে কিছু বক্তব্য তিনি রেখেছেন ২৫ অক্টোবরের জনসভায়ও। ইতোপূর্বে রাখা তার ‘ক্ষমা’ বিষয়ক বক্তব্যও সবার মনোযোগ আকর্ষণ করে। সেটি যে কেবল বর্তমান সরকারের উদ্দেশ্যে নয়, তা বুঝতে কারও কষ্ট হচ্ছে না। বিগত তত্ত্বাবধায়ক শাসনামলেও বেগম জিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর মনোভাব দেখানো হয়েছিল। তাদের ‘অনিয়ম-দুর্নীতি’র খবরও কম প্রকাশিত হয়নি তখন। তিনি তাদেরও ক্ষমা করে দিয়েছেন, এমনটাই বোঝাতে চান। কৌশল হিসেবে এটি ফলপ্রসূ না হয়ে উল্টোও হতে পারে। বর্তমান সরকারের বৈধতা বিষয়ে তিনি যে বক্তব্য রাখলেন, তাও গ্রহণযোগ্য হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান সংবিধানে আর নেই বলে সরকার পূর্ণ বৈধতা নিয়েই ক্ষমতায় রয়েছে। সংসদও রয়েছে বহাল। তারাও তো পদত্যাগ না করে এর অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন সম্প্রতি। সরকার বৈধভাবে রয়েছে বলেই বিরোধী দল তার কাছে দাবি করছে সংলাপ। ২৬ অক্টোবর, শনিবারের মধ্যে সংলাপের উদ্যোগ নেয়া না হলে তবেই রবিবার থেকে তিনদিনের টানা হরতাল পালনের ঘোষণা দিয়েছেন বিরোধী নেত্রী। তবে সর্বশেষপ্রাপ্ত খবর অনুযায়ী সংলাপের উদ্যোগ নেওয়া হলেও হরতাল বহাল রয়েছে। সংসদ ভেঙে যাওয়ার আগে ৯০ দিনের ‘কাউন্ট ডাউন’ যে আসলে ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে, সেটিও তিনি স্পষ্ট করেছেন ২৫ অক্টোবরের জনসভায়। অবাক হতে হয়, দিনের বদলে মাসের হিসাব কষে ২৫ অক্টোবরকে তারা ‘রেড লেটার ডে’ বানিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবেব বিপরীতে বিএনপি যে প্রস্তাব দিল, সেক্ষেত্রেও ঠিকমতো হোমওয়ার্ক করা হয়নি বলে অভিযোগ সত্য। এভাবে রাজনীতি চালিয়ে যেতে কারও অসুবিধাও হচ্ছে না। সরকারের বৈধতা বিষয়ে দেয়া বিরোধী নেত্রীর বক্তব্যকে আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়তো যুক্তিযুক্ত হবে না। অনুগত নেতাকর্মীদের চাঙ্গা করতেই হয়তো তিনি ওই উক্তি করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতায় এতে সংলাপের বদলে সংঘাতেই ঘৃতাহুতি দেয়া হলো বলে মনে হচ্ছে। ২৫ অক্টোবর সভা-সমাবেশ বন্ধে সরকার যে বিতর্কিত পদক্ষেপ নিয়েছিল, সেখান থেকে তারা কিন্তু সরে এসেছিলেন। রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে বিরোধী দলকে সমাবেশ করার অনুমতি কিন্তু দেয়া হয়েছিল। তারপরও ভুলভাবে চিহ্নিত ২৫ অক্টোবরে বিশেষত রাজধানীর বাইরে ঘটেছে সহিংসতা। সরকার এদিন শুধু প্রশাসনিকভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলা করেনি কেন, সে প্রশ্ন নিশ্চয়ই তোলা যাবে। কেননা ক্ষমতাসীন দলের লোকজনও প্রতিপক্ষ মোকাবেলায় নেমেছিল রাস্তায়। সরকারের শেষ এ সময়টায় কোনো পক্ষকে সংযত রাখা কঠিনও বটে। প্রধান প্রধান দলের নেতৃত্বকে তাই বচন ও আচরণে বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে এখন। কে প্রকৃতপক্ষে কী চাইছেন, সেটি বুঝে স্পষ্ট অবস্থান নিতে হবে। ঈদের পর ২৫ অক্টোবর সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী যে ভাষণ দিয়েছিলেন, তাতে সংবিধান থেকে বেরিয়ে না এলেও পুরনো অবস্থান থেকে তিনি কিছুটা সরে আসেন। বিরোধী নেত্রীর উচিত ছিল সেটি ‘ক্যাশ’ করে যুত্সই প্রস্তাব দেয়া। এমনকি ২৫ অক্টোবরের কর্মসূচি স্থগিত করে সংলাপে যাওয়ার বিষয়ে জোর দিয়ে পরিস্থিতির ওপর একরকম নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। এর বদলে তিনি দলের ‘থিঙ্ক ট্যাঙ্কের’ তৈরি যে পাল্টা প্রস্তাব দিলেন, তার গোড়াতেই দেখা গেল গলদ। সুশীল সমাজও এটি ভালোভাবে নেয়নি। এর বদলে তিনি যদি শুধু নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান ব্যক্তি সংক্রান্ত প্রশ্নটির ফয়সালা চাইতেন, তাতে এগিয়ে যেতেন অনেকটাই। সরকারের বৈধতা-অবৈধতা নিয়ে উচ্চবাচ্যেরও প্রয়োজন ছিল না। জনমত জরিপ বলছে, তিনি ও তার দল এগিয়ে রয়েছেন জনপ্রিয়তায়। এটি জনসাধারণের সরকারবিরোধী অবস্থানের প্রকাশ হলেও তাকে তো সেটি ক্যাশ করতে হবে। সুযোগ বুঝে সংলাপের প্রক্রিয়া জোরদার করেই সেটি তিনি করতে পারতেন। এখনও পারেন বলেই মনে হয়। সেক্ষেত্রে লাগাতার হরতাল ডাকতে কেন এত ব্যগ্র হলেন বিরোধী নেত্রী, তা বোধগম্য নয়। তার নেতৃত্বাধীন জোটে থাকা ধর্মীয় উগ্রবাদীরা এর সুযোগ নেবে বৈকি। দেশীয় ও বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে এদের নিয়ে তাকে ভুগতেও হতে পারে। সরকারের শেষ সময়ে রাজপথে সংঘাত আরও বেড়ে উঠলে তাদের অতি সক্রিয়তাও সমস্যা তৈরি করতে পারে বিএনপির জন্য। বর্তমান শাসনামলে বেশি উগ্রতা না দেখিয়ে বিএনপি যে ভাবমূর্তি অর্জন করেছে, সংলাপের সুযোগ পেয়েও তা হারালে শেষ বিচারে সেটি তার জন্য লাভজনক নাও হতে পারে। এ অবস্থায় ‘আল্টিমেটাম’ দিলেও বিরোধী নেত্রী পারতেন সরকারকে সংলাপে যাওয়ার জন্য আরেকটু বেশি সময় দিতে। সরকার পক্ষেও সংলাপবিরোধী মহল রয়েছে, এটি ভুলে গেলে চলবে না। তার দল ও জোটে যারা শান্তিপূর্ণ পথে থাকতে চাইছেন না, তাদের বিষয়েও বিরোধী নেত্রীকে সতর্ক থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ভালো করেই জানেন, তার নেতৃত্বাধীন কোনো সরকারের অধীনে নির্বাচনে যেতে চাইবে না বিএনপি। একাধিক উপায়ে তারা বেশি চাপ সৃষ্টি করতে পারলে প্রধানমন্ত্রী হয়তো বলবেন স্পিকার বা রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে কোনো একটা সরকারের তত্ত্বাবধানে নির্বাচনে যেতে। বিরোধী নেত্রী সেটিও মানবেন বলে মনে হয় না। স্পিকার বা রাষ্ট্রপতিকেও তিনি হয়তো দলীয় ব্যক্তি বলে চিহ্নিত করবেন। সেটি গ্রহণযোগ্যও হবে তার সমর্থকগোষ্ঠীর কাছে। আমরা তো দেখেছি, ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ কীভাবে বিএনপি নেত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছিলেন ওয়ান-ইলেভেনের আগে। এখন বিএনপি ও তার সঙ্গী সাথীরা যে ধরনের নির্দলীয় সরকার চাইছেন নির্বাচনকালে, সেটি পুরোপুরি মেনে নেয়া ক্ষমতাসীনদের পক্ষে কঠিন। তাহলে তাদের নির্বাচনের আগেই পরাজিত হয়ে একরকম মাঠ ছাড়তে হয়। এ অবস্থায় তারা উল্টো চাইতে পারেন এমন একটা পরিস্থিতি, যাতে কোনো ধরনের নির্বাচনই অনুষ্ঠিত হবে না। ১৫ ফেব্রুয়ারি এ ধরনের একটা নির্বাচন অনুষ্ঠানের দায় তারা নেবেনই, এমনটি ধরে নেয়া কিন্তু ভুল হবে। ক্ষমতাসীনরা কি জানেন না, এভাবে জিতে আসা দল বা গোষ্ঠী বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না? বেসামরিক ও সামরিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিন্ত মনে তাদের কর্তৃত্ব মেনে কাজ করবে কতদিন? এ অবস্থায় আন্দোলনে সরকারের পতন ঘটলে সে ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা আরও কঠিন হবে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এসব বিষয়ে অসচেতন বলে মনে হয় না। পশ্চিমা গণতান্ত্রিক মহলগুলোও দৃশ্যত এ থেকে দূরে রাখতে চাইছে তাদের। বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হলেই চলবে না, তারা বলছেন— এটি হতে হবে ‘অংশগ্রহণমূলক’। বিপুলসংখ্যক মানুষের সমর্থনপুষ্ট বিএনপিকে বাদ দিয়ে এমন নির্বাচন নিশ্চিত করা যাবে না, এটা বলাই বাহুল্য। বিচারিক তথা আইনগত কারণে জামায়াতে ইসলামী যদি নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে, সেক্ষেত্রে তাদের ভোটও যাবে বিএনপির বাক্সে। মাথা ঠাণ্ডা রেখে এ পরিস্থিতিটা ক্যাশ করতে পারেন বিরোধী নেত্রী। মেয়াদের আগে সরকারের পতন ঘটানোর চেষ্টা না করে তিনি নাকি নির্বাচনের অপেক্ষায়ই ছিলেন। তাহলে তার উচিত হবে যতটা সম্ভব গ্রহণযোগ্য শর্তে সেটি অর্জন করা। রাজপথের সংঘাত সেটিকে আরও সুদূরপরাহত করবে। এতে সরকারকে একেবারে বেকায়দায় ফেলে দেয়ার যথেষ্ট ক্ষমতাও তাদের নেই বলে ধারণা। ওয়ান-ইলেভেনের পর দলীয়ভাবে তার যে ক্ষতি হয়েছিল, দীর্ঘ সময়েও সেটি নাকি কাটিয়ে উঠতে পারেননি তিনি। সাদা চোখে মনে হতে পারে, ১৯৯৬, ২০০৬ ও ২০১৩ সালে জাতীয় নির্বাচন ব্যবস্থাপনা নিয়ে মোটামুটি একই ধরনের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। তা কিন্তু নয়। প্রতিটি সংকটের চরিত্র আলাদা। ইতোপূর্বে যে যে উপায়ে সংকট নিরসন হয়েছিল, এবারও তাই সে উপায়ে অগ্রগতি হবে না। আমাদের রাজনীতিকদের সমস্যা হলো, নতুন পরিস্থিতিতেও তারা পুরনো বক্তৃতা করেন আর পুরনো পন্থায় খোঁজেন সমাধান। তাতে পরিস্থিতি উল্টো জটিলতর রূপ ধারণ করতে পারে। সেটি রাষ্ট্রক্ষমতা নিয়ে বিরোধে লিপ্ত উভয় পক্ষের জন্যই হয়তো হবে অলাভজনক। স্থূলভাবে বিরোধে লিপ্ত না থেকে তারা পারেন পরিবর্তিত পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে যার যার অবস্থান থেকে সরে আসতে। সংলাপে গেলে উভয় পক্ষেই এমন মনোভাব থাকা প্রয়োজন যে, দু’পক্ষকেই কোনো না কোনো মাত্রায় জিততে হবে। সাম্প্রতিককালে দেখা যাচ্ছে, সংবিধান সংশোধনের দাবি থেকে অনেকটাই সরে এসেছে বিএনপি। সংবিধানের মধ্যেই এখন তারা চাইছেন নির্দলীয় সরকার। সে পথ আবার বােল দিয়েছে উভয় পক্ষের গালমন্দের শিকার সুশীল সমাজ। সমস্যা হলো, বিএনপির চাহিদামতো তাদের একটি বড় অংশ এখন আর চাইছে না ‘নিরপেক্ষ নির্বাচন’ অনুষ্ঠানের দায়িত্ব নিতে। রাজনীতিকদের সৃষ্ট (বা ফেলে রাখা) সমস্যা তারাই সমাধান করুন, এটাই এদের অভিমত। এদিকে অসহিষ্ণুতার সংস্কৃতি এত শক্তিশালী হয়েছে যে, ভাবা যায় না— সীমিত সময়ের জন্যও এখানে একটি সর্বদলীয় সরকার সফলভাবে কাজ করবে। আর ওই সরকারের প্রধান নির্বাহীকে নিয়ে তো রয়েই গেছে সমস্যা। তার হাতে অস্বাভাবিকভাবে এত ক্ষমতা ন্যস্ত করে বসে আছি যে, সেটি সমস্যাকে বলা যায় সংকটে পরিণত করেছে। রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার পদে দলনিরপেক্ষ ব্যক্তিকে আনার ব্যবস্থা গড়ে তোলার দিকেও বিন্দুমাত্র দৃষ্টি দেননি রাজনীতিকরা। এর মধ্যে জনপ্রশাসনের অব্যাহত দলীয়করণ খুলে দিয়েছে সর্বনাশের পথ। নির্বাচন কমিশনকেও শক্তিশালী হতে দেয়া হয়নি। কী আশ্চর্য, তারা নিজেরাও এখন নাকি শক্তিশালী হতে চাইছেন না। রাজপথে প্রথাগত লড়াই না করে এসব নিয়ে দু’পক্ষ খোলামেলা আলাপ করলেই লোকে খুশি হবে। শুধু আগামী নির্বাচন তো নয়— এর পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনও কীভাবে অনুষ্ঠিত হবে, সে প্রশ্ন রয়েছে। পাঁচ বছর পরপর কি জাতি রাজপথে পরস্পরকে মোকাবেলা দেখবে আর তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় থাকবে একটি বিকাশমান অর্থনীতি? নব্বই পরবর্তী নির্বাচনগুলোর মান ভালো হলেও সুশাসনে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হচ্ছে না কেন, এর সদুত্তরও খুঁজতে হবে। এটি করতে গিয়ে আবার নির্বাচনকে বিলম্বিত করা যাবে না আগের মতো। বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগ করে, রক্তপাত এড়িয়ে সে লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে আসতে হবে দু’পক্ষকেই। নির্বাচনী জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হয়ে ওঠা বিরোধী দলকে বরং বেশি সতর্কতার পরিচয় দিতে হবে এখন। সংবিধান কিন্তু সরকারের হাতে নির্বাচনকে দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখারও সুযোগ দিয়ে রেখেছে। তেমন পরিস্থিতিতে রাজনীতি কক্ষচ্যুত হলে সেজন্য আমরা কাকে বেশি দায়ী করব? লেখক : সাংবাদিক [email protected]

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন