বৃহস্পতিবার গার্মেন্টসের ন্যুনতম মজুরির সিদ্ধান্ত হতে পারে

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০১৩, ২০:০২
হরতালের কারনে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যুনতম মজুরি নির্ধারণে গঠিত কমিটির গতকালের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না মালিকপক্ষের প্রতিনিধি। ফলে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যুনতম মজুরি নির্ধারণে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হয় নি। গতকালের বৈঠকে মালিক পক্ষের সংশোধিত প্রস্তাব দেয়া একং এর উপর আলোচনার মাধ্যমে একটি সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা ছিল। এ অবস্থায় পরবর্তী বৈঠক আগামী ৩১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার নির্ধারণ করা হয়েছে। মালিক পক্ষের অনুপস্থিতির কারনে বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মজুর বোর্ডের অন্য সদস্যরা। গতকালের বৈঠকে ৬ সদস্যের মধ্যে মালিক পক্ষের প্রতিনিধি আরশাদ জামাল দিপু ছাড়াও নিরপেক্ষ সদস্য কামাল উদ্দিন অনুপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে রায় উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, হরতালের কারনে মালিক পক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত হতে পারেন নি। বৈঠকে উপস্থিত অন্য সবার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩১ অক্টোবর পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করি, ওই সভায় মালিক পক্ষের প্রতিনিধি উপস্থিত হয়ে প্রস্তাব দেবেন এবং সবার আলোচনার ভিত্তিতে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে। মালিক পক্ষের অনুপস্থিতির কারনে কোন সিদ্ধান্ত না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন মজুরি বোর্ডে শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম রনি । বৈঠক শেষে ইত্তেফাকের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, আগামী ৩১ বৈঠক পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করব। এর পর আমরা আমাদের সব কথা বলব। এর আগে গত ২১ অক্টোবরের বৈঠকে মালিক পক্ষ তাদের সংশোধিত প্রস্তাব দেয়ার কথা থাকলেও তখন তারা আরো তিন দিন সময় নেন। যথারীতি তাদের সময় দেয়া হয়। এবং গতকাল (২৭ অক্টোবর) বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। গতকাল বিকেলে মালিক পক্ষের প্রতিনিধি আরশাদ জামাল দিপু ইত্তেফাককে বলেন, আমাদের সব কিছুই প্রস্তুত ছিল। হরতালের কারণে একাধিক জায়গায় বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় বৈঠকে উপস্থিত হতে পারি নি। এ জন্য আমাদের সভাপতি (বিজিএমইএ’র সভাপতি আতিকুল ইসলাম) দু:খ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, ন্যনতম মজুরি নির্ধারণের পর ঘোষনা যখনই হোক পহেলা নভেম্বর থেকে কার্যকর হলে আমাদের আপত্তি নেই।