দেশে কীভাবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০১৩, ২১:০০
রাষ্ট্রপতিকে নির্দলীয় সরকারের প্রধান করে নির্বাচন দিলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে দেশের মানুষ আজ চরম উত্কণ্ঠায় বসবাস করছে। নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে আস্থার সংকট দূর করার জন্য দৃশ্যমান সদিচ্ছার আড়ালে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করে তুলেছে। যদি দুইদল সমঝোতায় না আসে তবে জনগণের অবস্থা কী হবে, কী হবে দেশের অবস্থা? তাই প্রধান দুই দলকে অনুরোধ জানাব, আপনারা অনেকাংশে এগিয়ে এসেছেন আর একটু ছাড় দিয়ে সমঝোতায় বসলে তা দেশের জন্য হবে মঙ্গলজনক। এটাও হতে পারে সংবিধান দেশের একটি সর্বোচ্চ আইন। সেই আইনকে শ্রদ্ধা রেখে রাষ্ট্রপতি প্রধান উপদেষ্টা থেকে ক্ষমতাসীন দলের ৫ জন এবং প্রধান বিরোধী দলের ৫ জন উপদেষ্টা নিয়োগ দিবেন। এতে করে সাপও মরবে লাঠিও ভাঙ্গবে না। নির্বাচনও সুষ্ঠু হবে। মো. সানাউল্লাহ, কনফিডেন্স কোচিং (বিসিএস), উত্তরা শাখা, ঢাকা ০০০০০ দুই দলের নেতা এক টেবিলে বসে চা পান করলেই নির্বাচন পদ্ধতি বেরিয়ে আসবে যদি জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করার ইচ্ছা থাকে দুই দলেরই; তাহলে দুই দলকে একটি বড় ছাড় দিতে হবে। সেটা কিভাবে হবে ? দুই দলের প্রধান যারা আছেন তাদের কে ইস্তফা দিয়ে সুনাগরিকদের মধ্য থেকে একজন করে দলের প্রধান নিয়োগ দিতে হবে এবং তাহলে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করার পথ সুগম হবে এবং নির্বাচনের পরে আর কোন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হবে বলে মনে হয় না। দলের চেয়ে দেশ বড় দেশের চেয়ে মানুষ। দলাদলি আর ক্ষমতাকে কেন্দ্র করে যদি মানুষ নিধন বন্ধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হয় তাহলে এই ছাড় অবশ্যই দিতে হবে। কারণ দুই দলের রাজনীতি এখন ব্যক্তিগত হিংসার দিকে চলে গেছে। কারণ ২১ আগষ্ট -এর ঘটনা আমরা মনে করতে পারি। আবার অন্যদিকে বিরোধী দলের নেত্রীকে ক্যান্টনমেন্ট থেকে বিতাড়িত করার ঘটনাও আমরা জানি। যারা দলের প্রধান হবেন তারা অবশ্যই মুক্তিযোদ্ধা হতে হবে। আর যদি দুই দলের প্রধান নেতৃত্বে উপস্থিত থাকেন তাহলে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হলেও আজীবন সমস্যা থেকেই যাবে। দুই দলের নেতা যদি এক টেবিলে বসে চা পান করেন জনগণের সামনে তাহলে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানও সম্ভব এবং স্বপদে বহাল থাকাও সম্ভব। মোহাম্মদ এহিয়া, মিরপুর ল কলেজ, মিরপুর, ঢাকা ০০০০০০ অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান হতে হবে অরাজনৈতিক বাংলাদেশে রাজনৈতি-কদের একে অপরের প্রতি আস্থাহীনতা ও অবিশ্বাসের জন্য তত্ত্বাবধায়কের বা কেয়ারটেকার অধীনেই বিগত কয়েকটি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। এখন তাতেও আস্থাহীনতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। যার ফলে বর্তমানে বাংলাদেশে এত সংঘাত, মারামারি-কাটাকাটি হচ্ছে, সহিংস হয়ে উঠছে রাজনৈতিক পরিবেশ। এমতাবস্থায়, দুই জোটের মধ্যে প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব বিনিময় হচ্ছে। তাতেও দুই পক্ষ এক হতে পারছে না। এই প্রেক্ষিতে আমার মতে দুই প্রস্তাবের মধ্যে মধ্যবর্তী একটি উপায় বের করা যায়। তা হলো সকল দলের বা দুই জোটের মতের ভিত্তিতে দেশের একজন অরাজনৈতিক ও সম্মানিত ব্যক্তিকে প্রধান করে দুই জোটের বা প্রধান দুই দলের মধ্য থেকে পাঁচজন করে মোট দশজন মন্ত্রী বা উপদেষ্টা নিয়োগদান করে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করা যায়। যারা নির্বাচিতদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। এভাবেই আমাদের দেশ তথা উন্নয়নশীল দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া সম্ভব। শাহজাহান আলী মূসা, সমাজকর্ম, মাষ্টার্স (ফাইনাল), সরকারি বাংলা কলেজ, ঢাকা ০০০০০০ সমঝোতায় না আসলে যে পদ্ধতিতেই নির্বাচন হোক তা গ্রহণযোগ্য হবে না ২০১৪ সালের নির্বাচন পদ্ধতি কেমন হবে এ নিয়ে প্রধান দুই দলের অবস্থান দুই প্রান্তে। যে যার দলীয় ও ব্যক্তিগত স্বার্থে অনড়। দুই দলের পরিস্থিতি এমন যে, সবই মানলাম তালগাছটা আমার। এই প্রবাদে। দেশের রাজনৈতিক দল ও নেতৃবৃন্দরা ভুলেই গেছেন যে, দেশ ও দেশের জনগণের জন্য নির্বাচন, নির্বাচনের জন্য জনগণ নয়। এ দেশের জনগণ চায় না সংঘাত, চায় না ওয়ান ইলেভেন, চায় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। আর এ সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের জন্য জনগণ কি চাচ্ছে সেদিকে লক্ষ্য রেখে সমঝোতায় আসতে হবে দুই দলকেই। কোন নাটকীয় প্রস্তাবের মাধ্যমে নয় সাংবিধানিক পদ্ধতি অবলম্বনে সরাসরি আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে। আর এ সমাবেশে উপস্থিত লাখো জনতা নয়, এর আড়ালে কোটি জনতার স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দলীয় ও ব্যক্তিগত স্বার্থ ত্যাগ করতে হবে। দলীয় ও ব্যক্তিগত স্বার্থ ত্যাগ না করলে সমঝোতায় কখনোই আসা সম্ভব নয়। আর সমঝোতায় না আসলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারে নির্বাচন কমিশন ও দক্ষ বিচক্ষণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। মাস্তুরা নাহিদা (মিষ্টি), সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, আনন্দমোহন কলেজ, ময়মনসিংহ