পরিসংখ্যানে এগিয়ে কিউইরা, তবে...

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০১৩, ২১:০৮
সর্বশেষ গত ১৯ অক্টোবর প্রকাশিত আইসিসি র্যাংকিং বলছে, ৮৯ রেটিং নিয়ে ওয়ানডে খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে সপ্তম স্থানে আছে নিউজিল্যান্ড। আর নবম স্থানে থাকা বাংলাদেশ রেটিংয়ের দিক থেকে তাদের থেকে ১৩ পয়েন্ট পিছিয়ে। আর দু’দলের মধ্যকার ২২টি ওয়ানডে ম্যাচের মধ্যে ১৬টিতেই জয়ী দলের নাম নিউজিল্যান্ড। কাগজে-কলমের হিসাবে তাই স্পষ্ট এগিয়ে আছে সফরকারীরা। কিন্তু, তারপরও কিছু কথা থেকে যাচ্ছে। নিউজিল্যান্ডের ১৬টি জয়ের মধ্যে ১১টি ২০০৮ সালের আগে। ২০০৮ সাল থেকে অনুষ্ঠিত হওয়া মোট ১০টি ম্যাচের মধ্যে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। পাঁচটি ম্যাচে জিতেছে স্বাগতিকরা। নিউজিল্যান্ড জিতেছে চারটিতে। বৃষ্টির জন্য বাতিল হয়েছে একটি ম্যাচ। ফলে সম্মিলিত পরিসংখ্যান যাই বলুক না কেন সাম্প্রতিক ফলাফল বিবেচনায় এগিয়ে থাকবে বাংলাদেশই। বাংলাদেশের এই এগিয়ে থাকার আরও বড় উদাহরণ হল দু’দলের মধ্যে শেষ পাঁচটি ওয়ানডে ম্যাচের মধ্যে একটি ম্যাচেও জিততে পারেনি কিউইরা। ২০১০ সালের সেই ‘ঐতিহাসিক’ সিরিজে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডেতে ৪-০ ব্যবধানে তাদের ধবলধোলাই করে সাকিব-মুশফিকরা। আর লড়াইটা যখন হবে ঘরের মাঠে সেদিক থেকেও আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ। কন্ডিশন আর পরিচিত উইকেট তো আছেই, তার সাথে এদিক থেকে পরিসংখ্যানও আছে স্বাগতিকদের পক্ষে। দেশের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১১ বার মুখোমুখি হয়ে পাঁচবার জিতেছে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের জয়ের সংখ্যাও ওই পাঁচ। আবার মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে একতরফাভাবে এগিয়ে আছে মুশফিক বাহিনী। এখানকার পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে চারটিতেই জিতেছে তারা। সেটাও সেই ৪-০ ব্যবধানে হোয়াইট ওয়াশের সিরিজেই। পরিসংখ্যানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামছে বাংলাদেশ। এবার ব্যবধানটা আরো বাড়ানোর পালা। আর সেটা হলেই তো সিরিজ লেখা হয়ে যায় বাংলাদেশের নামে! সংখ্যায় বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজ মোট ম্যাচ ২২ টি নিউজিল্যান্ডের জয় ১৬ টি বাংলাদেশের জয় ৫ টি বাতিল ১ টি সর্বোচ্চ রান নিউজিল্যান্ড রস টেলর (৪২২) বাংলাদেশ মোহাম্মদ আশরাফুল (৩৩৫) সর্বোচ্চ উইকেট নিউজিল্যান্ড কাইল মিলস (৩২) বাংলাদেশ সাকিব আল হাসান (২৪) সর্বোচ্চ ডিসমিসাল নিউজিল্যান্ড ব্রেন্ডন ম্যাককালাম (৩২) বাংলাদেশ মুশফিকুর রহিম (৮)