দুই নেত্রীর ফোনালাপ সফল না হওয়া যেন অনেকটা গোলপোস্টে বল গিয়েও গোল না হওয়ার মত। অনেক জল্পনা-কল্পনার পর যদিও দুই নেত্রী দীর্ঘ ৩৭ মিনিট টেলিফোনে কথা বলেছেন, কিন্তু সমস্যা সমাধানের উদ্যোগের ক্ষেত্রে কিছুই হয়নি। জাতির অনেক প্রত্যাশা ছিল যে, দুই নেত্রী কথা বললে হয়তো বা কোন একটি সমাধান হবে। কিন্তু জাতির বড়ই দুর্ভাগ্য—দুই নেত্রী তাদের সিদ্ধান্তে অটলই থাকলেন। ক্ষমতা তাদের নিকট মুখ্য, দেশ ও জনগণ তাদের নিকট গৌণ।
ডা. মর্জিনা আক্তার
বারিধারা পাইলস কিউর সেন্টার
গুলশান, ঢাকা ১২১২
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এর বিবরণ প্রচার করাকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনা চলছে সর্বত্র। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত ফোনালাপে বর্তমান রাজনৈতিক সংকট সমাধান হওয়ার মত কোন বিষয় লক্ষ্য করা যায়নি। বস্তুত দুই নেত্রী তাদের নিজেদের সিদ্ধান্তেই অনড় থেকেছেন। সুতরাং ফোনালাপকে তো সফল বলা যায়ই না বরং এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্বানে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি যদি সংলাপে বসে তবুও কার্যকরী কোন সমাধান আশা করা অনর্থক।
রাতুল খান
নাটোর
না -তেমন কোন আশার আলো আমি দেখতে পারছি না। দুজনেই অভিযোগ করেছেন তবে বিরোধী নেত্রী একটু বেশি করলেও প্রধানমন্ত্রীর হরতালের আগে টেলিফোন করলে হয়তবা বিছিন্ন কোন ঘটনা ঘটতে নাও পারতো । দু’জনের টেলিফোনের যে ভাষা শোনা গেল তাতে মনে হচ্ছে “ এক ঘরমে দু’পীর ”কখনো শুভবুদ্ধির জন্ম দিতে পারে না। দু’জনে এক সাথে কথা বলাতে অনেক কিছুই অস্পষ্ট থেকে গেল। একটা নতুন আলোর জন্য আমাদের নজর এখন দু’নেত্রীর দিকে। দীর্ঘ ১৭ বছর পর এহেন আলাপ সুফল বয়ে আনবে যদি ছাড় দেয়ার মন মানসিকতা নিয়ে বসতে পারেন। সৃষ্টি সুখের উল্লাসে টেলিফোনের যে বিষয় এখন টক নিউজ তা কোন ভাবে নষ্ট না হয়ে যায় সে প্রত্যাশা করলেও , মনে সংশয় সৃষ্টি হলো না জানি সব ভেস্তে গেল ।
শাহাদাত্ হোসেন চীেধুরী শিপন
মুক্ত সাংবাদিক
সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ
অবশ্যই—‘কথা হয়েছে’ এটাই এক ধরনের সাফল্য, তবে এখনো ফলাফল শূন্যই বলা চলে। আগে পরে তাঁদের ‘চুল’ ‘সাপ’ নিয়ে কথকতার পর তাঁদের ফোনালাপের নমুনায় ভয় হয় মুখোমুখি হলে তাঁদের মধ্যে কি ‘চুলোচুলি’ হবে ? আল্লাহ্ মাফ করুন! তাঁদের ফোনালাপে কথা সাহিত্যিক সুনীলের বাণী মনে পড়ে— “যখন তোমাকে দেখি তার চেয়ে বেশি দেখি, যখন তোমাকে দেখি না”। তাঁদের ফোনালাপে তাঁদের মানসিক ও আদর্শগত দূরত্ব স্পষ্ট বোঝা গেছে......। কিন্তু এ মুহূর্তে দু’নেত্রীর কাছে ষোল কোটি মানুষের একটাই প্রত্যাশা , তাঁরা গণতন্ত্র ও দেশের মঙ্গলের জন্য ব্যক্তিগত মান অভিমানের জায়গা ছেড়ে অনিশ্চয়তার ঘোর অন্ধকার থেকে জাতিকে আশার আলো দেখাবেন। ‘কে ভাল বা কে সঠিক’ এ সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার জনগণের এবং ভোটের মাধ্যমে তা প্রমাণের জন্য দু’নেত্রীকেই হতে হবে দায়িত্বশীল ও আন্তরিক।
অধ্যাপক মো. আলী এরশাদ হোসেন আজাদ
বিভাগীয় প্রধান ইসলামিক স্টাডিজ
কাপাসিয়া ডিগ্রি কলেজ, কাপাসিয়া,
গাজীপুর ১৭৩০
বিরোধী দলীয় নেত্রী এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপ নিয়ে যে জল্পনা কল্পনা চলছে। মনে হয় কোন এক পক্ষ থেকে ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করছে। ফোনালাপে বিরোধীদলীয় নেত্রীর কথাই বেশি শোনা গেছে। বেগম খালেদা জিয়া এতে অশালীন কিছু বলেলনি এটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। তিনি বারবার প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেছেন আসুন আমরা অতীতের সব ভুলে একসাথে কাজ করে এগিয়ে যাই । এটা অত্যন্ত ইতিবাচক। তিনি শুধু মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সূত্র ধরেই এগিয়ে গেছেন। ফোনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠ নমমীয় মনে হয়েছে। এতকিছুর পরেও আমরা আশাবাদী যে সংলাপ হবে এবং দুনেত্রী বাংলাদেশের মানুষদের বর্তমান সংকট থেকে রক্ষা করবেন।
মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন
সারিয়াকান্দী, বগুড়া
ভাল মনে এবং শুভ কামনা নিয়ে আলাপচারিতা সুফল বয়ে আনে। দুই নেত্রীর ফোনালাপ সফল হতে পারেনি। ব্যক্তিত্বের অভাব ছিল। সহিংসতার প্রকাশ পেয়েছে। এতে কোন মঙ্গল হয়নি। নির্বাচন কোন্ পদ্ধতিতে হবে তার আলোচনা হয়নি। হরতাল বন্ধ না করতে পারলেও সংঘাত, ধ্বংস, হত্যা, নৈরাজ্য বন্ধ করার জন্য বিরোধী দল কোন পদক্ষেপ নেয়নি। দেশবাসী হতাশ হয়েছে। আগামীতে সংলাপের আশা আছে কিনা তাও প্রকাশ পায়নি। তবে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য কোন ফর্মুলা দুই নেত্রীকেই দিতে হবে। দুই নেত্রীর সদিচ্ছাই সফলতা আনবে বলে মনে করি।
আশা এলিজাবেদ গুমেজ
লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা ১১০০
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মধ্যকার ফোনালাপটি কালোমেঘের আড়ালে ‘সূর্যহাসার’ মতো মনে হলেও, শেষাবধি অনেক বিশ্লেষণে মনে হয়েছে, আসলে আলাপটি ‘ফনোবিতর্কে’ গড়িয়েছে। দু’নেত্রী নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায়, ফোনালাপের সফলতা নিয়েও সন্দেহ দেখা দিয়েছে। বহুমুখী চাপ ও প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতা পরস্পর সংলাপে বসার জন্য আগ্রহ ও প্রয়োজনীয়তা বোধ করেন। ঠিক তার পূর্ব মুহূর্তে প্রকাশ হওয়া ফোনালাপ শুনে মনে হচ্ছে শুরুটা যেখানে অমশ্রিণ, শেষটা সেখানে মশ্রিণে দাঁড়াবে? তথাপিও আমরা মনে করি, পরস্পর পরস্পরের প্রতি দোষারোপ থেকে বেরিয়ে এসে, সৃষ্ট সমস্যা দূর করার অনন্য দৃষ্টান্ত প্রদর্শনের পথ থেকে শ্রদ্ধেয় দু’নেত্রী সরে না এসে, ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নেবেন। জাতীয় সমস্যার সমাধানও মৃত্যুর মিছিল এখনই থামিয়ে দিতে, আর কোন বিকল্প পথ খোলা নেই। ত্রিশ লক্ষ শহীদের ত্যাগ ও ইজ্জত সম্ভ্রমের বিনিময়ে অগ্নীমূল্যে কেনা স্বাধীনতা’টি অক্ষত রাখতে দেশের ষোলকোটি জনগণ দু’নেত্রীকে প্রকৃত অভিভাবকের ভূমিকায় দেখতে চায় শেষ ভরসা হিসেবে।
মুরাদ হোসেন
মধুখালী, ঝিকরগাছা,
যশোর
ফোনালাপ সফল হয়নি বলেই হরতাল দিয়েছিল। কিন্তু উভয়ের বর্তমান সমস্যার প্রতি তাদের আগ্রহ আছে বলে মনে হয়েছে।
রাজকুমার সাহা
শিক্ষক,
রওশনআরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়,
বাড্ডা, ঢাকা
দুই নেত্রীর আলাপনে সংলাপ হওয়ার মতো বা সমঝোতা হওয়ার মতো কোন আশা আমরা দেখতে পারছি না। সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিএনপি তা দেখানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। দুই নেত্রীর মধ্যে আর সংলাপ হবে না বলে আমার মনে হয়। এটি জনগণকে বুঝানোর বৃথা চেষ্টা। দেশ ক্রমশ সংঘাতের দিকে এগুচ্ছে। দুই নেত্রীর মাঝে প্রায় ৩৭ মিনিটের ফোনালাপে কোন ভাল ফল পাওয়া যায়নি।
রাজিব কুরবান
চালাকচর, নরসিংদী
আর কোন উপায় নেই। কেউ কাউকে মানছে না। দেশতো রসাতলে চলে যাচ্ছে। ইমার্জেন্সির প্রয়োজন। প্রেসিডেন্ট ক্ষমতা নিয়ে নিক।
মেজর হুদা
৩১৭/১০, খিলগাঁও,
তিলপাপাড়া
ফোনালাপ সফল অসফল কোনটি হয়নি বলে আমি মনে করি। তবে দুই নেত্রীর চিরাচরিত ব্যক্তিগত আর রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে যে বাকযুদ্ধ হয়েছে তা সফল হয়েছে। একজন গুরুগম্ভীর হয়ে খোঁচা মেরে মেরে কথা বলেছেন, অন্যজন বহুদিন পর সুযোগ পেয়ে উচ্চকণ্ঠে এর প্রতিউত্তর দিয়েছেন। পাঠককে অতৃপ্ত রেখে ছোটগল্পের কাহিনী যেমন হঠাত্ শেষ হয়ে যায়, নায়ক-নায়িকার মিলন হলো না হলো গল্পের লেখক যেমন পাঠককে দিকভ্রান্তিতে ফেলে লেখার সমাপ্তি টানে, ঠিক তেমনি দুই নেত্রীর ফোনালাপ জনগণকে দিকভ্রান্তিতে ফেলে দিয়েছে। জনকল্যাণার্থে তাদের রাজনৈতিক সিমলন অবশেষে হবে কিনা। আরেকটি কথা, রাষ্ট্রীয় সংলাপ জানার অধিকার জনগণের রয়েছে।
মো. লুত্ফুর রহমান
এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা
দুই নেত্রীর ফোনালাপের মধ্য দিয়ে যা বুঝতে পেরেছি তা হলো, এভাবে কোন আলোচনার সফলতা আসবে বলে মনে হয় না।
মেজবাহউদ্দিন
১৫২/২ জে, গ্রিন রোড,
পান্থপথ, ঢাকা
ফোনালাপে যদি মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী সুমিষ্ট ভাষায় কথা বলতেন এবং আরেকটু নমনীয়ভাব দেখালে একটা ফয়সালায় আসা যেতো এবং আমরা উপকৃত হতাম।
মো. কামাল হুসেন
হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর
ফোনালাপ যাইহোক না কেন দুইজনকে অবশ্যই আলোচনায় বসতে হবে। যত সম্ভব তাড়াতাড়ি করা যায়, ততই মঙ্গল উভয়ের জন্য।
মামুন আহম্মেদ
শিকড়ের সন্ধানে
যাত্রাবাড়ী, ঢাকা
ফোনালাপ সফল হয়নি। দুই নেত্রী তাদের স্থানে শক্ত অবস্থানে আছেন। কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি নয়। তারা যদি জনগণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতো, জনগণকে যদি ভালোবাসতো তাহলে সফল হতো ফোনালাপ।
মো. জামাল হোসেন
বাড্ডা, ঢাকা
ফোনালাপের যে দরজা খোলা হয়েছে তা যেন আর বন্ধ না হয়। বিরোধীদল যদি হরতাল প্রত্যাহার করে তিনি যদি আলোচনায় বসে যেতেন তাহলে আরো ভালো হতো।
খায়রুল বাসার
কুতুবখালী, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা
ফোনালাপ আসলেই সফল হয়নি। তবে এই দুজনের মধ্যে যে ক্ষোভ তার প্রকাশ করেছে বলে আমি মনে করি। কাজেই আসন্ন জাতীয় নির্বাচন হবে কি হবে না এটাই ছিল তাদের আসল উদ্দেশ্য। কিন্তু সে উদ্দেশ্য এখনও বাস্তবায়ন করা হয়নি। ফলে আসন্ন নির্বাচন নিয়ে জনগণ খুবই চিন্তিত। কেননা দেশে যে অবস্থা বিরাজ করছে এ অবস্থার অবসান না হলে আমাদের বাংলাদেশের ভবিষ্যত্ খুবই সংকটাপন্ন অবস্থায় বিরাজ করবে। তাই জাতীয় স্বার্থে ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের নিরাপত্তার স্বার্থে উভয়েই সংলাপে বসা অতীব জরুরি। প্রয়োজনে মুরব্বী হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে এর সমাধান করা উচিত বলে মনে করছি। আমরা আশা করবো রাষ্ট্রপতি মহোদয় তার নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে জনগণকে আশ্বস্ত করবেন।
আলহাজ্ব মো. হাফিজুল ইসলাম (হিফজু)
হাউজিং এস্টেট,
রাজশাহী ৬২০২
টিভির মধ্যে যে ফোনালাপ দেখেছি মনে হয় এখন এই দুই নেত্রীকে নিয়ে ঢাকা স্টেডিয়ামে ছাড়া এবং রেফারি হবেন এরশাদ। জনগণ থাকবেন দর্শক। দু’জনের মধ্যে যে কুস্তিতে জিতবেন সে নেত্রীর কথা মেনে নেয়া হবে।
সৈয়দ হায়দার আলী
সভাপতি
মহাখালী যুবকল্যাণ সমিতি, মহাখালী, ঢাকা
ফোনালাপ যাইহোক না কেন যা কিছু ঘটে থাকুক না কেন উভয় পক্ষের মুখোমুখি আলোচনা করে একটা সমাধানে পৌঁছানো ছাড়া কোন বিকল্প নেই বলে আমি করছি।
মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)
আরামপুর, ঝিনাইদহ
প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রী সম্প্রতি নিজ নিজ বাসভবন থেকে টেলিফোনে কথা বলেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন সুরাহা হয়নি। তাই যত শীঘ্রই দু’নেত্রী আলোচনা করে সমাধানে আসা উচিত।
নীলুফা আক্তার
টোলারবাগ, মিরপুর,
ঢাকা
টেলিফোনে পরস্পর বাগবিতন্ডার মধ্যদিয়ে দুই বিবদমান পক্ষের অনড়তা এক গুঁয়েমি আরও বেশি মাত্রায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। যেকোন সময় তার দাওয়াত গ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ যদি আন্তরিক হয়ে থাকে তাহলে সেটাকেই গুরুত্ব দেয়া দরকার।
মনির হোসেন
মনির বুক এন্ড সংবাদপত্র বিক্রয়কেন্দ্র
মুক্তবাংলা, মিরপুর, ঢাকা
উভয় পক্ষের উচিত দ্রুত একটা মীমাংসায় আসা। সংসদের বর্তমান অধিবেশন আগামী ৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। সুতরাং এরই মধ্যে উভয় পক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্যে পৌঁছাতে হবে। প্রয়োজনে সংশোধন করতে হবে সংবিধান।
মো. মোজাহারুল ইসলাম
চেয়ারম্যান,
ইন্টারন্যাশনাল ডায়লগ এইড ফাউন্ডেশন,
সাভার, ঢাকা
রাজনৈতিক সমঝোতা না হলে পরিস্থিতি কি হতে পারে তা অনুমান করে দেশবাসী শংকিত আজ। তাই যতদ্রুত সম্ভব আলোচনায় বসে একটা সুরাহা করা।
কাজী শহীদুল ইসলাম (রয়েল)
নিশিন্দারা, মধ্যপাড়া,
বগুড়া
পরস্পরের প্রতি যতই বিদ্বেষ ক্ষোভ থাকুক না কেন, এখন দু’জনেই বসা দরকার।
পারভীন আক্তার
হাজারীবাগ
টেলিফোনে প্রকাশ পাওয়ায় জনগণ দু’নেত্রীর অবস্থান ও মানসিকতা সম্পর্কে ধারণা লাভ করেছে। নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকলে সমঝোতা বা সফলতা কিভাবে আসবে? ভবিষ্যত্ নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখায় এবং অমীমাংসিত সকল ইস্যুতে একমতে উপনীত হয়ে শেষবারের মতো নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিলে জনগণ আওয়ামী লীগের এই ত্যাগের কথা স্মরণ রাখবে।
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম টিপু
সেনবাগ, নোয়াখালী
দু’নেত্রীর ফোনালাপের পর রাজনীতিতে উষ্ণতা সৃষ্টি হলেও তা আবার শীতল হতে শুরু করেছে। নানা কারণে আবারো সংলাপের আকাশে সিদুরে মেঘ দেখা দিয়েছে। কিন্তু জনগণ এটা দেখতে চায় না। দেশবাসী এখন দু’নেত্রীর সংলাপের মধ্যদিয়ে একটা সুরাহা দেখতে চায়।
লাবডলা
পিলখানা, ঢাকা
আমরা আশা করছি যে, এই আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ সামনে এগিয়ে নিয়ে দ্রুতই দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরু করা উচিত। জনগণ সামনের দিনগুলো নিয়ে তার শঙ্কা ও ভীতির মধ্যে থাকতে চায় না।
হাসান মোহাম্মদ হোসাইন চৌধুরী
কবির হাট, নোয়াখালী
প্রধানমন্ত্রী আবারও টেলিফোন করবেন কিনা সেটা দেখার বিষয়। তবে তিনি যেহেতু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তিনি বুঝেন ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি। কাজেই তিনি ইচ্ছে করলেই আবার ফোন করে দুইজনের আলোচনার তারিখ ঠিক করতে পারেন।
এইচ,কে,এম রমিজউদ্দিন
প্রশিকা, প্রধান কার্যালয়,
মিরপুর-২, ঢাকা
আমাদের দেশে দুই প্রধান রাজনৈতিক দল অত্যন্ত দায়িত্বশীল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে দায়িত্বশীল বিরোধীদলীয় নেত্রীও দায়িত্বশীল। সুতরাং উভয়পক্ষই দায়িত্ব নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া শুভ লক্ষণ হবে।
হোসনে আরা করিম
এনায়েতগঞ্জ লেন, ঢাকা
দুজনেরই মধ্যে আন্তরিকতা সৃষ্টি করতে হবে এটাই হলো প্রধান কাজ। অন্য প্রসঙ্গে না গিয়ে মূল কথা আলোচনা করা দরকার। একসাথে বসাই হচ্ছে এখন প্রধান কাজ।
বিলকিস আরা বেগম
উত্তর বাসাবো, ঢাকা
দুনেত্রীর আলোচনা সফল হয়নি। তাই বিরোধীদলের ডাকা তিন দিনের হরতালে এতোগুলো মানুষ মারা গেছে।
লিটন
কবিরহাট, নোয়াখালী
বিরোধীদল গ্রহণযোগ্য কোন সমঝোতা না মেনে যদি একগুঁয়ে অবস্থান নেয় এবং আন্দোলনের নামে সংঘাত ও সহিংসতার পথ বেছে নেয় সেটা হবে আত্মঘাতী ও বোকামী। কাজেই সময় থাকতে দুইনেত্রীকে সংলাপের মধ্যে সমঝোতায় আসা দরকার।
মোঃ মেজবাহ উদ্দিন সেলিম
শেওড়াপাড়া, মিরপুর,
ঢাকা
ফোনালাপ সফল হয়েছে। এটা মানুষের মৌলিক অধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য শুভ সূচনা বলা যায়। ব্যক্তিগত অহমিকা থেকে দেশের স্বার্থে দুই নেত্রী এক হয়ে দেশের কথা চিন্তা করে আগামী দিনে এক জায়গায় বসবেন বলে আমি আশা করছি।
পলাশ চৌধুরী
কলারোয়া, সাতক্ষীরা
ফোনালাপে সফল না হলেও উচিত্ দুনেত্রী বসে আলোচনা করা।
শেলী
স্যানিসাইড, নিউইয়র্ক
দুই নেত্রীর ফোনালাপ কোন গোপন বিষয় ছিল না দেশবাসী তা দেখেছে। সুতরাং এখন তারা বসে কথা বললেও কোন সমস্যা হবে না।
শিলা
সিডনী, অষ্ট্রেলিয়া
ফোনালাপ সফল হয়েছে। কারণ বিরোধীদলীয় নেত্রীর শর্ত দিয়ে আলোচনায় বসতে চান এবং কর্কশ মেজাজ দেশবাসী জেনেছে। দাওয়াত রাখা সুন্নত, সেই সুন্নতি দায়িত্ব পালন করে আপা আমি দুপুরে অথবা রাত্রে আসছি তা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে দিলে দেশবাসী খুশী হবে।
মোহাম্মদ কবিরুল আজাদ কবির
সাধারণ সম্পাদক
কসবা উন্নয়ন ফোরাম
কসবা, বি-বাড়িয়া
দু’জনের ভূমিকার ওপরই দেশের অনেক কিছু নির্ভর করছে। কাজেই কোন সংশয় না করে দু’ নেত্রী এখনই সামনা-সামনি আলোচনায় বসা একান্ত উচিত।
মারুফুজ্জামান মারুফ
বাসাবো, ঢাকা
দেশের দুই নেত্রীই আমাদের দেশের রাজনীতিতে গত তিনি দশকেরও কিছু বেশি সময় ধরে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাদের ওপর দেশের মানুষ তাকিয়ে আছে। কাজেই কোন সময়ক্ষেপণ না করে সংলাপে বসা সমীচীন হবে।
শিশির
আজিমপুর, ঢাকা
দুই নেত্রী ফোনালাপ করেছে। এটা রাজনীতির জন্য শুভ লক্ষণ বলে আমি মনে করি। কিন্তু এটা মিডিয়াতে প্রকাশ করে সংলাপের পথে কাটা সৃষ্টি করেছে। বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন, হরতালের পরে তিনি সংলাপের জন্য রাজি। হরতাল কর্মসূচি ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। এবার সরকারের যদি ইচ্ছে থাকে এবং খুঁত না ধরার কোন শুভ বুদ্ধি থাকে তবে সরকার পুনরায় সংলাপের প্রস্তাব দিক। তবেই শান্তিপূর্ণ একটা সংলাপ হবে বলে আমি মনে করি।
ইভান
কাওরাইদ, শ্রীপুর, গাজীপুর
যেকোন দিন যে কেউ টেলিফোন করে কথা বললে কিন্তু ছোট হতেন না। একজন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, অন্যজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমানে বিরোধী দলীয় নেত্রী। সারা জাতি আজ তাদের দিকে তাকিয়ে আছে। সুতরাং আলোচনায় বসা এখন খুব জরুরি।
আইরিন সুলতানা মঞ্জু
ধূপপুর, মাইজপাড়া,
চট্টগ্রাম
দু’নেত্রীর ফোনালাপ একশ’ভাগ ইতিবাচক হিসাবেই দেখি। কারণ যারা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় ছিলেন দেশের কর্ণধার হিসাবে তারা একজন ক্ষমতায় একজন বিরোধী দলে। আবার এমনও হতে পারে আজ যে বিরোধী দলে আগামীতে সে ক্ষমতায়। সুতরাং তাদের মধ্যে কথা বলাবলি না হওয়া নিঃসন্দেহে খুবই দুঃখজনক। বরফ যখন গলতে শুরু করেছে তখন এক সময় এ থেকে অবশ্যই ফলাফল পাওয়া যাবে। মনে রাখা উচিত দুঃখ, কষ্ট, ক্ষোভ নির্যাতন, কান্না, যন্ত্রণা সব হালকা হয় যখন কথা বলা শুরু হয়। কাউকে না কাউকে সে কথা বলার ক্ষেত্র তৈরি করতে হয়। সেজন্য ক্ষমতায় যিনি থাকেন তারই দায়িত্ব থাকে বেশি। বিরোধী দলে যিনি থাকেন তিনি তো দাবি-দাওয়া নিয়ে একটু বাড়াবাড়ি করতেই পারেন। যে বৃক্ষটি বড় তার গায়ে ঝড়ো বাতাস লাগে বেশি। সবচেয়ে বড় কথা, হতাশায় যখন একবার কথা শুরু হয়েছে তখন থেকে সমস্যা সমাধানের আলো পাওয়া যেতে পারে। আমরা দু’নেত্রীর ফোনালাপ দেখেছি। আমরা মনে করি দু’নেত্রীর মাধ্যমে আলোচনার দ্বার উন্মোচিত হবে এবং সকল সমস্যার সমাধান হবে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলীয় নেত্রীকে বার বার আহ্বান জানালেও ক্ষতি নেই।
ওয়াহিদ মুরাদ
নেছারাবাদ,
পিরোজপুর
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার ফোনালাপে প্রমাণ করে দু’জনই বিপরীতমুখী অবস্থানে আছেন। তাদের ফোনালাপ ব্যর্থ বলতে হয়। তারপরও জনস্বার্থে আলোচনা করা আবশ্যক। কারণ উভয় দলের মতানৈক্যে দেশে অবরোধ, সংঘাত, সংঘর্ষ, হত্যাকাণ্ড, জ্বালাও- পোড়াও কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে রাষ্ট্রের ক্ষতিসহ জনগণের ধন-সম্পদের ক্ষতির পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে অস্বাভাবিক অরাজকতা বিরাজমান। ফোনালাপ ব্যর্থ হলেও উভয় নেত্রী আলোচনায় বসে এর সমাধান করতে পারেন। এখনও সময় আছে আলোচনার মাধ্যমে উভয় নেত্রী সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা নিয়ে রাষ্ট্রের এবং জনগণের স্বার্থে এগিয়ে এলেই সমস্যা সমাধান সম্ভব হবে।
শাহ মো. হেলালউদ্দিন হিরু
কালিহাতী,
টাঙ্গাইল
প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেত্রীর ফোনালাপ রাজনৈতিক বিষয়। তার সঙ্গে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা হুমকির আশংকা জড়িত ছিল না। তাই উভয় নেত্রীর ফোনালাপ সরকারি অনুমোদন ছাড়া রেকর্ড ও প্রচার করা অবৈধ।
জাহাঙ্গীর আলম
গোলাপবাগ, ঢাকা
বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থার সমাধান নির্ভর করে প্রধান দুই দল বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে কার্যকর সমঝোতার মাধ্যমে। যে কোন কাজের সফলতা নির্ভর করে তার উদ্দেশ্যের উপর। ফোনালাপে প্রধানমন্ত্রীর কথা প্রমাণ করে সফল সংলাপ করা তার উদ্দেশ্য ছিল না। প্রথমত; তিনি বলেছেন তিনি অন্যান্য দলের সাথে ইতিমধ্যে যেমন আলাপ করছেন; তেমনিভাবেই বিএনপির সাথেও আলাপ করতে চান। অর্থাত্ তিনি বোঝাতে চাচ্ছেন যে, বিএনপি বাংলাদেশের আর দশটা দলের মতই যদু-মধু একটা দল। বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থার সমাধান যে বিএনপির সাথে সমঝোতার উপর নির্ভর করে তা তিনি মনে করেন না। দ্বিতীয়ত; তিনি ফোনালাপে বার বার বলেছেন খালেদা জিয়াকে হরতাল প্রত্যাহার করে ২৮ তারিখেই আসতে হবে। যে কোন উদ্দেশ্যে কাউকে দাওয়াত দিলে, তার সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করাও একটি সাধারণ ভদ্রতা। কিন্তু এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে এ ভদ্রতার লেশমাত্র ছিল না।
যদি সংলাপ করে বর্তমান সমস্যার সমাধান করার সত্ উদ্দেশ্য তার থাকতো তাহলে তিনি যে কোন দিন, যে কোন সময়, যে কোন স্থানে তা করতে প্রস্তুত থাকতেন। কিন্তু তার কথা এবং আচরণে তার কোন চিহ্ন ছিল না।
মো. জিয়াউর রহমান
মোহাম্মদপুর, ঢাকা
দুই নেত্রীর মধ্যে ফোনালাপ সফল হতে পারেনি। কেননা, বিরোধী দলীয় নেত্রী সংলাপে বসার জন্য সমাবেশের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন; তাই প্রধানমন্ত্রী ফোনের মাধ্যমে বিরোধী দলীয় নেত্রীকে সংলাপের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কিন্তু তা’ও ছিল কালক্ষেপণ, অর্থাত্ সংগত কারণে সময়মত যোগাযোগ স্থাপন করতে পারেননি এবং ফোনালাপের মাধ্যমে যে কথা হলো, তাতে কেউই তাদের নিজস্ব মতামতকে স্থায়ী রূপ দিতে পারলেন না! সুতরাং হরতাল বন্ধ হলো না, ভোগান্তিতে পড়ল ব্যবসায়ী সমাজসহ সাধারণ জনগণ। আর দুই নেত্রীই সাধারণ জনগণের কাছে স্বচ্ছ ও নিষ্পাপ হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তা কি হতে পেরেছেন? নিশ্চই না। কারণ, ফোনালাপ অমীমাংসিতভাবেই শেষ হয়।
মো. ইয়াছিন উদ্দিন
একে মেডিক্যাল হল
৫০, ডিআইটি প্লট,
গেণ্ডারিয়া, ঢাকা ১২০৪
বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে ফোনালাপ অত্যন্ত জরুরি ছিল। সেই মতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যথারীতি এবং যথাসময়ে বিরোধী দলীয় নেত্রীকে ফোন করে আলোচনায় বসার কথা বলেছেন এবং বিরোধী দলীয় নেত্রী তার কিছু সীমাবদ্ধতার কথা বলে হরতাল পরবর্তী যে কোন সময়ে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আমরা আশা করব বর্তমান সরকার আন্তরিকতার সাথে বিরোধী দলের সাথে আলাপ-আলোচনা করে সমস্যার সমাধানে গ্রহণযোগ্য পন্থায় এগিয়ে আসবেন। সাম্প্রতিক কালের ফোনালাপকে আমরা সমস্যা সমাধানের সূচনা বলে আখ্যায়িত করতে চাই এবং উভয়পক্ষের আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পূর্ণ সফলতায় আসবে বলে আমরা বিশ্বাসী।
ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী
সাধারণ সম্পাদক,
ঢাকাস্থ বেগমগঞ্জ পেশাজীবী সমিতি,
৫-বিসিসি রোড, নবাবপুর,
ওয়ারী ঢাকা ১২০৩
এদেশের মানুষ আশায় বুক বেঁধে ছিল তথ্যমন্ত্রীর ঘোষণায়। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত সংলাপের সমাপ্তি হয়েছে হতাশাজনকভাবে। অতীত নিয়ে অতি বেশি কথা বলায় ভবিষ্যেক অনিশ্চয়তায় অন্তরীণ করা হয়েছে। তারপরও আমরা আশাবাদী আলোচনার টেবিলে বসা হবে। আবার সন্দেহের আবর্তে ঘূর্ণায়মান সাধারণ জনগণ; কারণ প্রধান দুটি দলেই অ্যানথ্রাক্স ভাইরাসের মতো জীবাণু রয়েছে, যারা ১ দশক থেকে ১০০ বছর পর্যন্ত সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে।
মো. নূরুল হক
ধানমন্ডি, ঢাকা
দু’নেত্রীর অনড় অবস্থাানে না থেকে কাছাকাছি এসে একান্ত আন্তরিকভাবে কাজ করা দরকার। তাদের জন্য দেশবাসী ও দেশের মানুষ অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছে।
পারভীন সুলতানা
মালিবাগ, ঢাকা
আসলে দু’নেত্রী আমাদের সম্মানিত ব্যক্তি। কিন্তু ফোনালাপ দুজনেরই ইমেজ রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ক্ষতি হয়েছে।
মোহাম্মদ কামাল পাশা
ব্যবসায়ী, ইমামগঞ্জ,
ঢাকা
