টু কি টা কি ...

আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০১৩, ২২:০৫
নতুন শুরু শাহরিয়ার নাফিসকে দিয়ে শুরু; এরপর জুনায়েদ সিদ্দিকী, ইমরুল কায়েস, জহিরুল ইসলাম অমি এবং সর্বশেষ এনামুল হক বিজয়ের সাথে ওপেনিং জুটিতে দেখা যায় তামিম ইকবালকে। কিন্তু এবার বিজয়ও ফর্ম হারিয়ে ফেলায় আবারও সঙ্গী বদলাতে হল তামিমকে। গতকাল মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নতুন ওপেনিং জুটি দেখলো দর্শকরা। অভিষেক হয়ে গেল শামসুর রহমান শুভ’র। আর দু’জনের একসাথে শুরুটাও মন্দ হল না। ১৭তম ওভার পর্যন্ত একসাথে ব্যাট করার পর এই দু’জনে মিলে যোগ করেন ৬৩ রান। ছক্কায় ফেরা ছক্কা হাঁকানোতে তার বিশেষ নাম-ডাক আছে। ঘরোয়া ক্রিকেটে এ জন্য তার ডাক নামই হয়ে যায় ছক্কা নাঈম। তবে বিস্ময়কর হলেও সত্যি যে ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসের পর ওয়ানডে ক্রিকেটে আর কোন ছক্কাই দেখা যায়নি নাঈম ইসলামের ব্যাটে। সেবার ভারতের বিপক্ষে ২২ রানের ইনিংসে শেষ বারের মতো ছক্কা মেরেছিলেন নাঈম। এরপর কেটে গেছে প্রায় চারটি বছর। নাঈম এর মধ্যে ২৭টি ওয়ানডে খেলে তিনটি হাফ সেঞ্চুরিও করেছেন। কিন্তু ছক্কার দেখা মিলছিল না। শেষ পর্যন্ত ছক্কার দেখা মিললো কাল মিরপুরের মাঠে। এদিন নিজেদের ইনিংসের ৩৫তম ওভারে কাইল মিলসকে মিড অফের উপর দিয়ে সীমানা ছাড়া করে ‘ছক্কা খরা’ কাটালেন নাঈম। প্রতিশোধ সিরিজটা এক অর্থে নিউজিল্যান্ডের জন্য প্রতিশোধ নেয়ার মিশন। নিউজিল্যান্ড এই যাত্রায় সাফল্য না পেলেও ব্যক্তিগত একটি প্রতিশোধ ঠিকই নিয়ে নিলেন নিউজিল্যান্ডের জেমস নিশাম। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতেই হ্যাটট্রিক করা রুবেল হোসেনের তৃতীয় শিকার ছিলেন এই অতিথি ক্রিকেটার। গতকাল রুবেলের বিপক্ষে একটা ওভারই বল করার সুযোগ পান নিশাম। আর এই এক সুযোগেই বাজিমাত। ৪৯তম ওভারের শেষ বলে দারুণ এক ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে গেলেন রুবেল। ২৪৭ রানে বাংলাদেশের ইনিংসও সেখানেই শেষ। সব মিলিয়ে ১০ ওভার বল করে ৫৩ রান দিয়ে চারটি উইকেটও পেয়েছেন এই বোলার।