গ্যারেথ বেল সামনের খেলাগুলোয় নিজেকে আরো মেলে ধরার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে আগের ম্যাচে সেভিয়াকে ৭-৩ ব্যবধানে বিধ্বস্ত করার স্মৃতি নিয়ে আজ রায়ো ভ্যালকানোর মাঠে যাওয়ার আগে এ কথা জানান রিয়াল মাদ্রিদ স্ট্রাইকারটি। রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তি অবশ্য চাইছেন আগের ম্যাচে তিন গোল করা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং দুটি করে গোল করা গ্যারেথ বেল এবং করিম বেনজামা আবারো প্রতিপক্ষ শিবিরকে আক্রমণে জর্জরিত করুক।
সেভিয়ার বিপক্ষে বেল দুটি গোল করেন এবং সাহায্য করেছেন আরো দুটি গোলে। এই খেলার আগে বেল রিয়ালে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। বিশ্বের সব থেকে দামি ফুটবলার যেন রিয়াল মাদ্রিদে দিশা খুঁজে পাচ্ছিলেন না।
ইনজুরি এবং গোল খরা কাটিয়ে এই ওয়েলশ তারকা রিয়ালকে আরো ভাল কিছু করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, ‘পুরো ম্যাচটা খেলতে পেরে এবং দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে বেশ ভাল অনুভব করছি। আমাকে আরো উন্নতি করতে হবে। যতো দ্রুত সম্ভব নিজের শতভাগ দিতে চাই। সামনের খেলাগুলোতে আরো ভাল কিছু করে দেখানোর মতো যথেষ্ট মনোবল আছে আমাদের।’
এদিন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ২২তম হ্যাট্রিক করেন। এই ম্যাচে তিন গোলের সুবাদে লা লিগার চলতি মৌসুমে এই পর্তুগীজের গোল সংখ্যা ১১। লিগে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের স্ট্রাইকার দিয়াগো কস্তার ১২ গোলের পর দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন তিনি।
সেভিয়ার বিপক্ষে গোলের বন্যা বইয়ে দিলেও রক্ষণ ভাগের দুর্বলতা নিয়ে ভাবতে হচ্ছে রিয়াল কোচকে। আনচেলত্তি বলেন, ‘এটা দারুণ একটি ম্যাচ ছিল। কিন্তু আমাদের ভারসাম্যে ঘাটতি ছিল। ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পর বিপদ এড়াতে আমাদের আরো সতর্ক থাকা উচিত ছিল।’
গোল পাওয়া আক্রমণ ভাগের তিন স্ট্রাইকারের প্রশংসাও করেন এই ইতালিয়ান কোচ, ‘দলের সবাই, বিশেষ করে উপরের দিকের খেলোয়াড়রা আলাদাভাবে দারুণ খেলেছে। প্রতিপক্ষকে চাপে রেখেছে।’
ইনজুরি কাটিয়ে চলতি মৌসুমে প্রথমবারের মতো খেলতে নামা জাবি আলেনসো বলেন, ‘আমি খুশি। এখন আমার আর কোনো সমস্যা নেই এবং আশা করছি ধীরে ধীরে আরো উন্নতি করবো।’
রায়ো এখনো পর্যন্ত লা লিগার ১১ খেলায় হজম করেছে মোট ২৭টি গোল। দলটির কোচ পাকো জেমেজ তো বলেই ফেলেছেন, ‘এটা যেন বড়দের আসরে বাচ্চাদের দল!’
