দেশে কীভাবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব

আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০১৩, ২০:৫২
নির্বাচনকালীন সরকার প্রধান কে হবে তা দু’দলই ঠিক করে নির্বাচন দিলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা কেমন হবে? তা নিয়ে দেশ ক্রমেই সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ১৮ দলীয় জোট টানা ৬০ ঘন্টার হরতাল কর্মসূচি পালন করেছে। এতে দেশের অর্থনৈতিক এবং যে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে তা অপূরণীয়। অন্যান্য দেশের মত ক্ষমতাসীন দলের অধীনে নির্বাচন হওয়ার মত পরিবেশ এবং আস্থা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এখনো তৈরি হয়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি বিরোধীদলীয় নেত্রীকে আলোচনায় ডাকুন। আর বিরোধীদলীয় নেত্রীরও উচিত হবে সেইভাবে সাড়া দেয়া অথবা দেশের জনগণের কথা ভেবে নিজে থেকে এগিয়ে আলোচনা শুরু করা। এই আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা কেমন হবে তার একটা সমঝোতায় পৌঁছানো। আর এটাও চুক্তিবদ্ধ করতে হবে সেই ক্ষমতায় আগামী নির্বাচন তার অধীনেই হবে। এতে উভয় দলকে Compromised করতে হবে। আর তবেই একটা সুষ্ঠু নির্বাচন দেয়া সম্ভব হবে। এম এ হান্নান সরকার বিএ সম্মান, দর্শন বিভাগ তৃতীয় বর্ষ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ০০০০০ সরকার ও বিরোধীদলের মধ্যে আলোচনা হলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব সরকার ও বিরোধীদলের পারস্পরিক বিভিন্ন কোন্দলের কারণে সৃষ্টি হচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক অস্থিরতা। যার ফলে সাধারণ মানুষের সুষ্ঠু জীবন-যাপনে চরম আঘাত হানছে এবং প্রতিনিয়তই জনসাধারণের ভীতি বাড়ছে। তবে প্রত্যেক সমস্যারই একটি সমাধান আছে। এ সমস্যারও সমাধান হওয়া উচিত। যে কোন সমস্যাকেই লালন করলে তা বিকট আকার ধারণ করাটাই স্বাভাবিক। তবে সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে জনমতের বিষয়টি মুখ্য হওয়াটা জরুরি। কারণ গণতান্ত্রিক দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন জনসাধারণের চাওয়া-পাওয়ার সাথে বহুলাংশেই জড়িত। আবার যেহেতু “জনগণই সকল ক্ষমতার উত্স” বলা হয় সুতরাং জনগণকে আলোচনার বাইরে রাখলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন তা সর্বসাধারণের কল্যাণে আসতে হবে। তবেই সুষ্ঠু নির্বাচন সংঘটিত হবে। আবার কোন ক্ষেত্রে নেতৃত্বের লোভ কিংবা বিরোধীদলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশের কোন ইচ্ছা থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় কারণ সংবিধান একে অন্যের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশের স্থান নয়। এক্ষেত্রে সর্বোত্তম উপায় হলো সরকার এবং বিরোধীদলের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা। রাকিবুল ইসলাম ইন্টারমিডিয়েট, প্রথম বর্ষ ঢাকা কলেজ ০০০০ অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব যেহেতু তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংবিধান থেকে না জায়েজ ঘোষণা করা হয়েছে তাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাধ্যমেই নির্বাচন করতে হবে। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কিরূপ হতে পরে এ নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন? কারণ পূর্বের সংসদ নির্বাচনগুলোর দিকে তাকালে দেখা যায় যে, যেখানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করলেও ভোট কারচুপির অভিযোগ উঠে। সেখানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বা সংসদ ও মন্ত্রী পরিষদ বহাল রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন করা একেবারেই ভিত্তিহীন। উভয় দলের আলোচনা সাপেক্ষে একজন অরাজনৈতিক ও সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান মনোনয়ন করে এদেশেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। মো. ফয়সল বিন আব্দুল হক প্রাণীবিদ্যা বিভাগ (অনার্স), ১ম বর্ষ বৃন্দাবন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, হবিগঞ্জ ০০০০ সংলাপে না গেলে কোনদিনও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয় ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে বহু প্রতীক্ষিত নির্বাচনের আনাগোনা। সেই নির্বাচন হতে হবে সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ। এর জন্য সবার আগে দরকার দুই নেত্রীর মধ্যে সংলাপ। সংলাপের মাধ্যমে সমঝোতায় এসে তবেই তো সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা যায়। সংলাপের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রস্তাব এলেও তা প্রত্যাখ্যান করে দিলেন প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। সংলাপ এর আগেই দেশ সংঘাতের পথে এগিয়ে গেল। না জানি কি হবে দেশে। আর কত রক্ত ঝরবে! এখন সাধারণ জনতার একটাই ভয়। এই সংঘাতের পরও দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হবে তো? প্রণয় কুমার সাহা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিচ্ছু কালুখালী ডিগ্রি কলেজ কালুখালী, রাজবাড়ী