তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব
ক্ষমতাশীল দল ব্যতীত প্রায় সকলেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের পক্ষে মত দিয়েছে যা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। আমার দৃষ্টিতে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, গণতন্ত্রের স্থায়ী প্রবর্তন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষা, দুর্নীতির স্থায়ী অবসান, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সুষ্ঠু গণতন্ত্রের চর্চা, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানসমূহের কাজের স্বাধীনতা ইত্যাদি নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার মাধ্যমেই সম্ভব। তাই জাতির বৃহত্তর স্বার্থে সরকারের উচিত হবে চলমান সংঘাতময় পরিস্থিতি থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য ৬ষ্ঠদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংবিধানে পুনস্থাপন করে জাতিকে একটি অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেয়া।
হাসনাত আরিফ,
শেষবর্ষ, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ,
আইডি নং-১০৪০২২০৫,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
নির্বাচন সুষ্ঠু হবে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে
নির্বাচন পদ্ধতি যাই হোক না কেন, এদেশে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবেই। আর এই নির্বাচন সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিকভাবে অনুষ্ঠিত করতে হলে, দেশের সকল রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে বা নির্বাচনের সুযোগ করে দিতে হবে। আর এই প্রেক্ষাপট তৈরি হবে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থার মাধ্যমে। সরকার বা বিরোধী দল সর্বদলীয় বা নিরপেক্ষ যে ব্যবস্থার কথাই বলুক না কেন, তা সকলে এক সাথে বসে আলোচনা করে সমঝোতায় আসতে হবে। এজন্য সরকারকেই প্রথমে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। সকলের উচিত হবে সরকারকে সহযোগিতা করা। ক্ষমতার অপব্যবহার। প্রশাসনিক শক্তি প্রদর্শন, মারামারি, কাটাকাটি, দেশের সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি করে কখনই এ সমস্যার সুষ্ঠু সমাধান সম্ভব নয়। তাই খুব শিগগিরই এ সমস্যা মোকাবিলায় সকল বৈধ রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের নিমিত্তে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পদ্ধতি প্রণয়ন জরুরি।
মো. মনির হোসেন,
সরকারি বাংলা কলেজ,
বিজ্ঞান বিভাগ ২য় বর্ষ,
মিরপুর, ঢাকা
নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করা যায় না
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভয়াবহ। চরম অনিশ্চয়তা বিরাজ করেছে। এ সংকট উত্তরণের পথ একমাত্র বর্তমান প্রধানমন্ত্রী পারে দেখাতে শুধুমাত্র একটি সিদ্ধান্ত। তাহল তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সরকার বলছে তারা সংবিধান থেকে চুল পরিমাণ লড়বে না। আর বিরোধী দল বলছে তারা নির্দলীয় সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। আর সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে সুষ্ঠু নির্বাচন অসম্ভব। গণতন্ত্র বিপন্ন হবার আশঙ্কা নিশ্চিত। প্রধানমন্ত্রীর উচিত দেশকে সংঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে সংবিধান সংশোধন করে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা, তাই সুষ্ঠু নির্বাচন হতে হলে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রয়োজন।
নাঈমুল হাসান (হারিছ),
বিএসএস (দ্বিতীয় বর্ষ),
শহিদ আসাদ কলেজ,
শিবপুর, নরসিংদী
তরুণ প্রজন্মই পারে একটা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে
দুই নেত্রীর ফোনালাপও জনগণ শুনেছে। প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ আর বিরোধী দলের নেতার প্রত্যাখ্যান। তারপরও বলবো, বাংলাদেশের এই সংকট মুহূর্তে, জনগণের মাথা মোটাদের জীবনরক্ষার্থে একটা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন একান্ত প্রয়োজন। তাই সেই তরুণদের আহ্বান করুন, যারা ৫২ সালে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে, ভাষার সম্মান রক্ষা করেছিল, সেই সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারকে ডাকুন, ৭১-এর আজাদ, রুমি, বদিকে ডাকুন, ডাকুন গণতন্ত্রের রক্ষক নূর হোসেনকে। এরাই দেশের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছিল, নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছিল দেশের তরে। ওরা হারিয়ে যায়নি, এখনো হাজার হাজার তরুণ রয়েছে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। এদের ভিতর থেকে সত্ চরিত্রবান, মেধাবী আল্লাহভীরু ছাত্রদের বাছাই করুন, তাদের বলুন ৫২, ৭১-এর মত দেশে এখন সংকট মুহূর্ত, এই সংকট মুহূর্তে তোমরা এগিয়ে আস, এর একটা সমাধান কর। এই তরুণ প্রজন্মকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করবার দায়িত্ব দিলে, দেশে একটা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব।
মোহাম্মদ সোহেল রানা,
তৃতীয় বর্ষ, দর্শন বিভাগ,
এমএম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ,
যশোর
