প্রিমিয়ার লিগের ছয়টি ক্লাব চার খেলোয়াড়কে দেয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে হকি ফেডারেশনের কাছে। ক্লাবগুলোর দাবি কোচ মাহবুব হারুনসহ সব খেলোয়াড়ের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে।
গতকাল বিকালে মোহামেডান ক্লাব টেন্টের হল রুমে হকি খেলোয়াড় ও সংগঠকদের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। ক্লাবগুলো খেলোয়াড়দের বহিষ্কারকে অযৌক্তিক বলে দাবি করে। ছয় ক্লাবের মধ্যে ছিল মোহামেডান, ওয়ারী ক্লাব, ওয়ান্ডারার্স, মেরিনার ইয়াংস, বাংলাদেশ স্পোর্টিং ক্লাব ও অ্যাজাক্স ক্লাব।
এশিয়া কাপ হকি দেখতে মালয়েশিয়ায় যাওয়া হকি ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজেদ এএ আদেল তার অভিজ্ঞতা জানান সংবাদ সম্মেলনে। তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সঠিক না। পাকিস্তানি কোচ নাভিদ আলম তার ব্যর্থতা ঢাকতে খেলোয়াড়দের উপর দোষ চাপিয়েছেন। একজন লো প্রোফাইলের কোচ এনে খেলোয়াড়দের উপর দোষ দেয়া হয়েছে। একজন খেলোয়াড় কখনো ইচ্ছাকৃতভাবে খারাপ খেলতে পারে না।’
তিনি পাকিস্তানি কোচের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে দাবি করেন, ‘মালয়েশিয়ায় খেলোয়াড়দের নিজ পজিশনের পরিবর্তে অন্য পজিশনে খেলিয়েছেন কোচ।’ কোচ হারুনকে অব্যাহতি দেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হারুন সফল কোচ। টানা দুই বছর তার হাত ধরে সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু হারুনকে বাদ দেয়া হয়েছে।’
জাতীয় হকির এক সময়ের তারকা খেলোয়াড় ও দীর্ঘকালীন সাধারণ সম্পাদক শামসুল বারী বলেন, ‘পত্র-পত্রিকায় দেখেছি এবং শুনেছি। তাতে আমি এর যুক্তি খুঁজে পাচ্ছি না। এখন যা কিছু করা হচ্ছে হকির জন্য তা মঙ্গলজনক হচ্ছে না। হকির স্বার্থ পূরণ হবে না। কোনো ব্যক্তির স্বার্থ পূরণ হতে পারে।’ এক সময়ের খ্যাতনামা খেলোয়াড় প্রতাপ শংকর হাজরা বলেন, ‘জিমিকে দেয়া শো-কজে ১১টি কারণ দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে ছিল জিমি অনুশীলন নিতে অনীহা প্রকাশ করেছে। ক্যাম্পে শৃংখলা ছিল না। তাহলে তখন কেন তাকে বাদ দেয়া হলো না। একটা খেলোয়াড়ের অফ ফর্ম থাকতেই পারে। সেরেনা উইলিয়ামস দুই বছর ট্রফি পাননি। আবার তিনি ট্রফি পেতে শুরু করেছেন। একজন খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ারে এমন হতেই পারে।’ তিনি বলেন, আমরা এর বিচার দাবি করি।
