পরীক্ষা অ্যাংজাইটিজনিত সমস্যা

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৩, ১৯:০৩
প্রায়ই কি আপনার বাচ্চা পরীক্ষা নিয়ে টেনশন করে? সব সময়ই বলে, কোনো পড়াই মনে থাকছে না? কখনও কি ভেবে দেখছেন, আপনার সন্তান কেন এ অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডারের সমস্যায় কষ্ট পাচ্ছে? এটিই কি ঠিক অ্যাংজাইটি? অ্যাংজাইটি :টেনশন বা উদ্বেগজনিত অস্বস্তি থেকে মানুষের মধ্যে ভয়, সংকোচ, ঘাবড়ে যাওয়া অথবা নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার যে প্রবণতা দেখা যায়, তাকেই বলে অ্যাংজাইটি। অ্যাংজাইটি কিন্তু কোনো রকম অসুখ নয়। তবে এ অ্যাংজাইটি নিয়ন্ত্রণ করতে না শিখলে তখনই দেখা যায় নানা রকম ফিজিক্যাল, সাইকোলজিক্যাল ও ব্যবহারিক উপসর্গ। অ্যাংজাইটি রোগের লক্ষণ: পালস রেট বেড়ে যায়। তার সঙ্গে বেড়ে যায় রেসপিরেটর রেট। ফলে ঘাম হতে শুরু করে এবং দেখা দেয় মাসকুলার টেনশন। গা গোলানো, বমি বমি ভাব, মাথা ধরা, ঘাড়ে ব্যথা বা ক্র্যাম্প লেগের সমস্যাও দেখা যায়। কোনো কিছুতে কনসেনট্রেট করতে অসুবিধা হওয়া। অ্যাংজাইটিজনিত সমস্যা  যখন কোনো বাচ্চা অনেক চেষ্টা করেও কোনো কিছুতেই মন বসাতে পারছে না, তখন সে হয়তো বাতিকগ্রস্ত, নয়তো খুবই ডিপ্রেস্ড হয়ে পড়ে। এই অ্যাংজাইটি সব রকমের নিউরোটিক জিডঅর্ডারের জন্য দায়ী। তার মধ্যে খুবই কমন হলো অবসেসিভ কমপালসিভ ডিজঅর্ডার এবং ডিপ্রেশন। যেমন অনেক বাচ্চার ক্ষেত্রে দেখা যায়, পরীক্ষার সময় বারবার খাতা রি-চেক করে। ভাবে, সব বোধ হয় ঠিক করে লেখা হয়নি। অথবা পরীক্ষার আগের দিন একই পড়া বারবার করে রিভাইজ করছে। শুধু মনে করছে, যা পড়ছি সবই ভুলে যাচ্ছি। আর এটি করতে গিয়ে সব পড়া জিনিসও গুলিয়ে ফেলে।  এক্সামিনেশন অ্যাংজাইটিও কিন্তু বাচ্চাদের মধ্যে খুবই কমন। এ ক্ষেত্রে পরীক্ষাটা কিন্তু নয়, ভয়ের জায়গাটা হচ্ছে পরীক্ষার রেজাল্ট। তাই বাচ্চাকে বোঝাতে হবে, রেজাল্টটা খুব একটা বড় কিছু নয়। একবার ভালো না হলে তাতে চিন্তা বা ভয়ের কিছুই নেই। এতে তাদের ইমেজ স্কুল বা বাড়িতে কোনোভাবেই নষ্ট হবে না।