একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে নির্বাচনকালীন সরকার প্রধান করলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব
সর্বদলীয় সরকার গঠন করলেও সরকার প্রধানের পদটি দিতে হবে নির্দলীয় নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে। তাছাড়া বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও প্রধান বিরোধী দলের কাছে এখনো বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠতে পারেনি। তাই তিনি বা তার দলের কেউ নির্বাচনকালীন সময়ে সরকার প্রধান হলে বিরোধী দল নির্বাচন মানবে না। তখন নির্বাচন হলেও তা গ্রহণযোগ্য হবে না। প্রধানমন্ত্রী কি বাংলার সকল নির্দলীয়, নিরপেক্ষ নাগরিককে ফখরুদ্দিনের মত ভাবছেন? তিনি কাউকেই বিশ্বাস করছেন না? অবশ্যই না। বাংলাদেশের অনেক সুশীল নাগরিক আছেন যাদেরকে প্রধানমন্ত্রীও বিশ্বাস করেন বিরোধী দলও বিশ্বাস করেন। তাদের মধ্য থেকে যদি একজনকে নির্বাচনকালীন সময়ের সরকার প্রধান করেন তাহলে অবশ্যই অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হবে।
তকীউদ্দিন মুহাম্মদ আকরাম
ছাত্র,
লক্ষ্মীপুর দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা, লক্ষ্মীপুর
০০০০০
নেতাদের মানসিকতার পরিবর্তন হলেই দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব
রাজনীতিবিদদের বলছি- আপনারা ঘুরে দাঁড়ান, আপনারা জেগে উঠুন, আপনাদের কাছ থেকে আমরা শিখবো, আমাদের ভাল কিছু শিখান। এদেশ শুধু আপনাদের নয়, দেশ পুরো বাঙালি জাতির। আর বাঙালি জাতি সইতে জানে, কইতে জানে, আবার লড়তেও জানে। আপনারা জনগণের জানমাল নিয়ে খেলা করবেন না। পরিশেষে বলি, নেতাকর্মীরা যদি একটু সংযমী এবং পরাজয়কে সহজে মেনে নিতে পারে, আগামী নির্বাচন অবশ্য অবশ্যই সুষ্ঠু হবে।
সাইদুল হাসান সাদ্দাম
পদার্থবিদ্যা বিভাগ,
সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা
০০০০০
দুই দলের মধ্যে সমঝোতা চাই
নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থের কথা না ভেবে দেশ ও জনগণের বৃহত্ স্বার্থের বিবেচনায় সরকারি এবং বিরোধী দলকে এগিয়ে আসতে হবে। নির্বাচন সকল দলের উপস্থিতিতেই করতে হবে এবং তা হতে হবে সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ। আর সুষ্ঠু নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ব্যতীত সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে দু’দলের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে এবং উভয় দলের মতামতের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ সরকার গঠন করা সম্ভব। দেশের স্বার্থে সংবিধান পরিবর্তন করার প্রয়োজনে তা করতে হবে। তাই সময় নষ্ট না করে সংলাপের আয়োজন করুন এবং দেশবাসীকে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে মুক্তি দিন। কারণ এভাবে চলতে থাকলে গৃহযুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী। বাঙালি রক্তাক্ত বাংলা আর দেখতে চায় না।
আসাদুজ্জামান রাসেল
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু
০০০০০০
ছাড় দেয়ার মানসিকতা থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব
রাজনীতিবিদ মানেই হওয়া উচিত দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করা। কিন্তু সেই চেষ্টা যদি হয় শুধু ক্ষমতার জন্য তাহলে তো দেশে সংঘাত অনিবার্য। আজ আমাদের দেশ ও জাতি এক কঠিন সময় পার করছে। এই মুহূর্তে যদি আমরা ছাড় দেয়ার মানসিকতা তৈরি করতে না পারি তাহলে হয়ত দেশ ও জাতিকে আরো একটি ১/১১ বরণ করতে হবে। তাই ছাড় দেয়ার মানসিকতা তৈরি করে ক্ষমতাসীন, বিরোধী দল ও বুদ্ধিজীবীদের পরামর্শের মাধ্যমে বাংলাদেশে কীভাবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব, সে ব্যাপারে সংলাপের মাধ্যমে একটি সমাধানে এসে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করার অনুরোধ করছি।
আ. রহমান (নাহিদ)
অর্থনীতি বিভাগ (৩য় বর্ষ),
সরকারি তিতুমীর কলেজ,
ঢাকা
০০০০০
সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একজন নিরপেক্ষ কাণ্ডারি চাই
ভোট হচ্ছে জনগণের মৌলিক অধিকার। একজন নাগরিক তার ইচ্ছামতো প্রার্থীকে মনোনীত করবেন। এটাই সভ্য বিশ্বের গণতান্ত্রিক নিয়ম। কিন্তু এহেন একটি পবিত্র আমানত নিয়ে কেবল ক্ষমতার আস্থাই শুধু ধ্বংস করেনি, ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাওয়াই বন্ধ করে দিয়েছিল। এক্ষেত্রে বলা যায়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে বিগত নির্বাচন জনগণের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে এনেছিল। অনেকেই মনে করেন, বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের বিকল্প কিছু নেই। যদিও ইতোমধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছে। এর পরির্তে আমরা বিকল্প কিছু ভাবতে পারি। আর যদি হয় সেটা নির্দলীয় কোন ব্যক্তি। তবেই দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। তাছাড়া দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। কারণ খেলার মাঠ যার, আম্পায়ার যার, সে তো কোন রায় ছাড়াই জয়ী হবে। আম্পায়ারকে নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় হতে হবে। তবেই খেলা সুষ্ঠু হবে। আর দর্শকও খেলা দেখে তৃপ্তি পাবে। তেমনি নির্বাচনে এমন একজন নিরপেক্ষ কান্ডারি চাই।
মো. একরামুল ইসলাম
ব্যাচেলর অব আর্টস (অধ্যয়নরত)
পীরগাছা ডিগ্রি কলেজ, রংপুর
