বিদেশি ফুটবলারদের ট্রায়াল চলছে

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৩, ২১:৪৪
দেশি ফুটবলার নিয়ে এখন আর কোনো দুশ্চিন্তায় নেই পেশাদার লিগের ক্লাবগুলো। কারণ দেশি ফুটবলার যা নেয়ার তারা নিয়ে ফেলেছে। বাকি শুধু আনুষ্ঠানিকতা। ভাবনা এখন কেবল বিদেশি ফুটবলারদের নিয়ে। কারণ লিগে ক্লাবগুলোর ভরসা বিদেশি ফুটবলার। তাই ক্লাবগুলোতে এখন চলছে বিদেশি খেলোয়াড়দের ট্রায়াল। শেখ রাসেলে গতকাল ভোরেও চারজন ফুটবলার এসেছেন। মরক্কো থেকে আসা ফুটবলারের মধ্যে স্ট্রাইকার, ডিফেন্ডার ও মিডফিল্ডার রয়েছেন। গতকাল সারাদিন তারা ঘুমিয়ে কাটিয়েছেন। অনুশীলন করতে পারেননি। আজ বিকালে তাদের ট্রায়াল। এই দলে আগেই এসেছেন জ্যামাইকান ফুটবলার। এই নিয়ে খেলোয়াড়ের সংখ্যা পাঁচ। আরো আসছেন উরুগুয়ে থেকে একজন। ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার। রবিবার তার আসার কথা। আবাহনীও ইরাকী ফুটবলার এনেছে, শেখ জামালেও আছে একাধিক বিদেশি ফুটবলার। মোহামেডানে ডাচ পাসপোর্টধারি নাইজেরিয়ান ফুটবলার। ক্লাবগুলো প্রত্যেক ফুটবলারকে এবার কঠিন পরীক্ষায় ফেলছে। কারণ টাকা জলে ঢালতে রাজি না। যতই বিদেশি ফুটবলার আনুক না কেন। বাংলাদেশে এখন আর মানসম্পন্ন বিদেশি ফুটবলার দেখা যায় না। আশির দশক এমনকি নব্বই দশকের প্রথম দিক পর্যন্ত উঁচু মানের বিদেশি ফুটবলার এদেশের মাঠে খেলতে দেখা গেছে। সে সময় ক্লাব কর্মকর্তারা বিদেশে গিয়ে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স দেখে তাদের সাথে চুক্তি করেছেন। ঢাকায় এনে খেলিয়েছেন। সেই দিন এখন আর নেই। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের ফুটবলে বিদেশি খেলোয়াড়দের আগমনের প্রেক্ষাপট বদলে গেছে। এখন বিদেশি ফুটবলাররা ঢাকায় এসে নিজের যোগ্যতা যাচাইয়ের পরীক্ষা দেন। ভালো হলে পাস মার্ক পাবেন এবং রেজিস্ট্রেশন করানো হয়। ক্লাবগুলোও এখন ফুটবলের দেশ থেকে খেলোয়াড় আনতে চায় না। কোনো রকমে ভালো খেলতে পারলেই চলবে। দুই হাজার আড়াই হাজার ডলার পারিশ্রমিক দিয়ে কি মানের খেলোয়াড় পাওয়া যায়। এর মধ্যে এক দুইটি ক্লাব বড় পারিশ্রমিক দিয়ে ভালো মানের খেলোয়াড় আনছে। এর মধ্যে রয়েছে শেখ জামাল। আগামী ১৫ নভেম্বর বিদেশি ফুটবলাদের রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময়।