প্রশাসন যদি কারো পক্ষ না
নিয়ে কাজ করে তাহলে
সুষ্ঠু নির্বাচন হবে
জনগণ সবসময়ই সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করে। দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়ার জন্য প্রশাসনকে নিরপেক্ষ হতে হবে। দেশের জনগণ সবসময়ই চায় দেশে ভাল সরকার আসুক। এজন্য তারা তাদের ভোট প্রয়োগ করে। কিন্তু জনগণের ভোট কোন কাজে লাগে না যদি প্রশাসন নিরপেক্ষ না হয়। এর ফলে জনগণ দেশে কাঙ্ক্ষিত সরকার পায় না। সরকার ও জনগণের চাহিদা মেটাতে পারে না। দেশে খুন, রাহাজানি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি বেড়েই চলে। সবচেয়ে দ্রুত বাড়ে দুর্নীতি। যারা চাকরির জন্য যোগ্য তারা কাঙ্ক্ষিত চাকরি পায় না। ফলে দেশে এক অস্থিরতা বিরাজ করে। এ সবকিছুই কাটানো সম্ভব প্রশাসন নিরপেক্ষ থাকলে। প্রশাসন যদি কারো পক্ষ না নিয়ে কাজ করে তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব। জনগণ তাদের কাঙ্ক্ষিত সরকার পাবে। দেশে সুখ ও আনন্দময় পরিবেশ বিরাজ করবে।
সঞ্জিত মন্ডল
নাট্যকলা বিভাগ (৩য় বর্ষ, ৫ম সেমিস্টার)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
===
নির্দলীয় কোন ব্যক্তিকে প্রধান
করে নির্বাচন দিলে সুষ্ঠু
নির্বাচন আশা করা যায়
ভোট হচ্ছে জনগণের মৌলিক অধিকার। একজন নাগরিক তার ইচ্ছামতো প্রার্থীকে মনোনীত করবেন এটাই সভ্য বিশ্বের গণতান্ত্রিক নিয়ম। কিন্তু এহেন একটি পবিত্র আমানত নিয়ে কেবল ক্ষমতাকেই শুধু ধ্বংস করেনি। ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাওয়াই বন্ধ করে দিয়েছিল। এক্ষেত্রে বলা যায়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে বিগত নির্বাচন জনগণের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে এনেছিল। অনেকেই মনে করেন, বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের বিকল্প কিছু নেই। যদিও ইতোমধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করেছে। এর পরিবর্ধনে আমরা বিকল্প কিছু ভাবতে পারি। আর যদি হয় সেটা নির্দলীয় কোন ব্যক্তি। তবেই দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। তা’ছাড়া দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। কারণ খেলার মাঠ যার, আম্পায়ার যার, সে তো কোন রায় ছাড়াই জয়ী হবে। আম্পায়ারকে নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় হতে হবে। তবেই খেলা সুষ্ঠু হবে। আর দর্শকও খেলা দেখে তৃপ্তি পাবে। তেমনি নির্বাচনে এমন একজন নিরপেক্ষ কান্ডারি চাই।
মো. একরামুল ইসলাম
ব্যাচেলর অব আর্টস (অধ্যয়নরত)
পীরগাছা ডিগ্রি কলেজ, রংপুর
===
দয়া করে
জনগণের কথা
ভাবুন
গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়। যে কোন রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য ক্ষমতায় এসে দেশ পরিচালনা করা। কারা দেশ পরিচালনা করবে এটা জনগণই রায় দিবে। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জনগণ চরম দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছিল কি এই অবস্থা দেখার জন্য? নিঃসন্দেহে না! আমরা সাধারণ মানুষ চাই যে দলই ক্ষমতায় আসুক তারা যেন জনগণের সেবক হিসেবে আসে। আমরা সাধারণ জনগণ চাই দুই নেত্রী একটি সমঝোতায় যাক। আলোচনায় বসুক, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য এবং অবাধ নির্বাচন হোক। এই দুর্দিনে কি এতটুকু আশা করতে পারি?
আকাশ আহমেদ (জারসা)
সমাজবিজ্ঞান অনার্স ওল্ড-৩২১০
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
(কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ)
কুষ্টিয়া
==
সর্বদলীয় সরকার গঠন করে সুষ্ঠু নির্বাচন
সম্ভব
নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে ক্ষমতার পালাবদল হয়। সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে অবশ্যই সকল দলের অংশগ্রহণে সর্বদলীয় সরকার গঠন করতে হবে। দেশে নির্বাচন কোন ব্যবস্থায় হবে তা নিয়ে এখনো কোণঠাসা বিরাজ করছে।
দেশের সকল মানুষ চায়, সকল দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে সুষ্ঠু নির্বাচন করার স্বার্থে।
সর্বদলীয় সরকার গঠন নিয়ে সংসদে ও তার বাইরে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। যত দ্রুত সম্ভব সুষ্ঠু নির্বাচন কিভাবে হবে তা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে বের করা উচিত বলে আমি মনে করছি।
আবদুর রহমান নাঈম
অনার্স ৩য় বর্ষ, ইংরেজি বিভাগ
ঢাকা কলেজ,
ঢাকা-১২০৫
