দেশি এবং বিদেশি ফুটবলারদের রেজিস্ট্রেশনের সময় শেষ হবে ১৫ নভেম্বর। ক্লাবগুলো দেশি ফুটবলারদের তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলেছে। কিন্তু শেখ জামাল, বিজেএমসি এবং ফেনীর সকার ক্লাব ছাড়া আরো কোনো ক্লাব বিদেশি ফুটবলার রেজিস্ট্রেশনের জন্য নাম জমা দেয়নি। কারণ অনেক ক্লাবই বিদেশি ফুটবলারদের পছন্দের কাজটি চূড়ান্ত করতে পারছে না। সেজন্য এখনো অনুশীলন মাঠে চলছে বিদেশিদের যাচাই-বাছাইয়ের কাজ।
মোহামেডান এ পর্যন্ত হাফ ডজনেরও বেশি ফুটবলার অনুশীলন মাঠে নামিয়েছে। তারপরও মনঃপুত হচ্ছে না। বাইবেক, কাদিরি পুরোন। নেদারল্যান্ড থেকে দুজন ফুটবলার আসলেও তাদের খেলা পছন্দ হয়নি। তাই ফেরত গেছেন দুজনই। যদিও ক্লাবটির কর্মকর্তাদের মধ্যে এই ভালো লাগা না লাগা নিয়ে মতভেদ রয়েছে।
জার্মানির তৃতীয় বিভাগ ফুটবলে খেলা স্ট্রাইকার নিক আমারথি স্কারকোস্কি সোমবার রাতে এসেছেন মোহামেডানে। গতকাল সকালে অনুশীলন করেছেন তিনি। কিন্তু তাকে নেয়া হবে কিনা সে সিদ্ধান্ত নেবেন সাবেক ফুটবলার নকিব এবং জুয়েল রানা। কারণ কোচ টিটু এখন মালয়েশিয়ায়। বিদেশি ফুটবলারদের বিষয়ে চূড়ান্ত করতে না পারার মধ্যেই আরো একজন মরোক্কান ফুটবলার আসছেন মোহামেডানে।
আবাহনীরও একই দশা বিদেশি ফুটবলার নিয়ে। তারাও চূড়ান্ত করতে পারছে না এই তালিকাটি। এখন আবাহনীর অনুশীলনে রয়েছেন সাত ফুটবলার। গতকাল পৌঁছেছেন ইটালির পাসপোর্টধারী ব্রাজিলীয়ান ফুটবলার। আট জনের ব্যাপারে কাল রাতেও কোনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি। নাইজেরিয়া, ইরাকী, মরক্কো, ব্রাজিলীয়ান তো আছেই। আরো এক ব্রাজিলীয়ান আজ আসবেন নীল হলুদ শিবিরে। ক্লাবটি মনে করছে ব্রাজিলীয়দের মধ্যে একজন টিকে যাবেন। অন্যরা মন ভরাতে পারেনি বলে আবাহনী তাদের পুরোন ফুটবলারদের দলে ফিরিয়ে আনছে। লিগের পরিচিত ঘানাইয়ান ফুটবলার সামাদ ইউসুফ, ক্যামেরুনের ইয়োকো গত লিগে আবাহনীর হয়ে খেলেছেন। ঘানার ইব্রাহিমকেও আনার চিন্তা আছে আবাহনীর। মোহামেডানের নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার মরিসনকে এবার নিচ্ছে আবাহনী। সামাদ, ইয়োকো, মরিসন শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে জানা গেছে।
শেখ রাসেলেও ট্রায়ালে রয়েছে হাফ ডজনের বেশি ফুটবলার। কাউকে চূড়ান্ত করা হয়নি। তারপরও আরো ভালো মানের ফুটবলার আজকালের মধ্যে ঢাকায় আসবে বলে জানা গেছে। মুক্তিযোদ্ধা সংসদে আসছে আরো দুজন মিশরের ফুটবলার। তারা অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবলে খেলেছেন বলে জানা গেছে।
এবারের ফুটবল লিগে সাত বিদেশি খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। মাঠে খেলবেন চার জন। তবে সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে বিদেশি ফুটবলাররা সরাসরি ম্যাচে খেলবেন। কারণ ঘরোয়া টুর্নামেন্টে খেলতে নামিয়ে মান যাচাইয়ের সুযোগ নেই। চূড়ান্ত রেজিস্ট্রেশন করিয়েই তারা মাঠে নামবেন। যে কারণে ক্লাবগুলোকে খেলোয়াড়দের অনুশীলন দেখেই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।
