মোবাইল ব্যাংকিং (মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস) এর গ্রাহক সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়েছে। প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ নিকটজনদের কাছে দ্রুত পৌঁছানোর লক্ষ্যে এ সেবা শুরু হলেও তা এখন আর এ সেবার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস এর মাধ্যমে এখন অর্থ প্রেরণ, জমা ও উত্তোলন, বেতন ভাতাদি প্রদান, ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, মার্চেন্ট পেমেন্ট ইত্যাদি কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। ২০১০ সালে বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং শুরু হয়। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ২৮টি ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিং করার অনুমতি নিয়েছে। তার মধ্যে ১৯টি ব্যাংকে এ সেবা চালু হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেখা গেছে, গত সোমবার মোবাইল ব্যাংকিং এর গ্রাহক সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক কোটি দুই লক্ষ ৩৫ হাজার। অথচ চলতি বছরের এপ্রিলে এ সংখ্যা ছিল মাত্র ৫০ লক্ষ। অর্থাত্ সাত মাসের ব্যবধানে এ সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে দৈনিক গড়ে সাত লাখ ৮৫ হাজার জন ১৭০ কোটি টাকা লেনদেন করেন।
