বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের ডাকা ৮৪ ঘণ্টার সহিংস হরতাল ১৩ নভেম্বর সন্ধ্যা ছয়টায় শেষ হয়েছে। ৮৪ ঘণ্টার হরতালেও কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন অনেকে। অসংখ্য যানবাহনে আগুন দেয়া হয়েছে। ককটেল অথবা পেট্রল বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। এসব বিস্ফোরণে যাদের শরীর পুড়ে গেছে তারা হাসপাতালের শয্যায় মরণ-যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন, কয়েকজন মারাও গেছেন। হরতাল আহ্বানকারী দলগুলোর কেউ তাদের খোঁজখবরও নেয় না। ৮৪ ঘণ্টার হরতালের আগে আরো দু’বার ৬০ ঘণ্টা করে মোট ১২০ ঘণ্টার হরতাল পালন করেছে বিএনপি এবং মিত্ররা। ২৬ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ১৯ দিনের মধ্যে ১০ দিনই ছিল হরতাল। হরতালের সহিংসতায় সারা দেশ সন্ত্রস্ত। উদ্বেগ-আতঙ্কে মানুষ দিশেহারা। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আগামী সংসদ নির্বাচনের দাবিতে বিএনপির এই হরতাল পালন। হরতাল দাবি আদায়ে কতটুকু সহায়ক ভূমিকা পালন করছে সেটা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও হরতাল যে এর মধ্যে দেশের মানুষের জন্য চরম দুর্ভোগ ও অনেক দুঃখ-বেদনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে তা নিয়ে কারো মনে কোনো সংশয় নেই। শোনা যাচ্ছে, ১৮ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে দু’একদিনের মধ্যে আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। বিরোধী দলের আন্দোলন মানেই যে হরতাল বা এ ধরনের কোনো হিংসাশ্রয়ী কর্মকাণ্ড সেটাও এখন প্রায় সবারই মোটামুটি জানা। বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আন্দোলন করেই তারা দাবি মানতে সরকারকে বাধ্য করবে। কিন্তু সরকার যে বিরোধী দলের দাবি মানতে মোটেও আগ্রহী নয়, বরং প্রয়োজনে কঠোর হাতে আন্দোলন দমন করতে পিছপা হবে না- এটাও এখন আর মানুষের কাছে অস্পষ্ট নেই। বিরোধী দল তাদের অবস্থানে কঠোর হলে সরকারও কঠোরতাই দেখাবে বলে মনে হচ্ছে। প্রশ্ন হলো, দু’পক্ষের এই মারমুখী অবস্থানে দেশের অবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? রাজনীতি তো দেশের জন্য এবং দেশের মানুষের জন্য। দেশ ও মানুষের ভবিষ্যত্ বিপন্ন করে এ কোন রাজনীতি এখন চলছে? এর শেষ কোথায়? পরস্পরের প্রতি রাজনৈতিক নেতৃত্বের যে চরম অবিশ্বাস ও সন্দেহ তার খেসারত কেন দেশের সাধারণ মানুষকে দিতে হবে? রাজনীতিতে যে সংকট তা দূর করার জন্য বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায় তথা নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। সভা-সেমিনারের বক্তৃতায় কিংবা টিভি টকশোতে একই কথার বার বার পুনরুচ্চারণ করছেন, তাদের প্রতি মানুষ আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। এদের অনেকেই মানুষকে পথ দেখানোর চেয়ে বিভ্রান্ত করছেন বেশি। তাছাড়া নাগরিক সমাজের কারো কারো অবস্থান দল নিরপেক্ষ বা পক্ষপাতমুক্ত নয় বলেও অভিযোগ আছে। ফলে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতাও প্রশ্নের সম্মুখীন। বিদেশি কূটনীতিকদের দৌড়-ঝাঁপও কোনো কাজে আসছে না। সবমিলিয়ে বলার কথা এটাই যে, দেশের দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের মধ্যে সমঝোতার কোনো লক্ষণ নেই।
আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির কথা বিভিন্ন মহল থেকে বলা হলেও কোনো পক্ষই ছাড় দেয়ার মনোভাব না দেখানোয় সংলাপের সম্ভাবনা তেমন আছে বলে মনে হয় না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়াকে টেলিফোন করে হরতাল প্রত্যাহার এবং আলোচনায় বসার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু বিরোধীদলীয় নেতা হরতাল প্রত্যাহারে সম্মত হননি। অভিযোগ করা হয়, সরকার পক্ষ আলোচনার ব্যাপারে আন্তরিক নয়। যারা এই অভিযোগ করেন তারা কিন্তু বিরোধী দল যে আলোচনায় আন্তরিক সেটারও কোনো প্রমাণ দিতে পারবেন না। প্রধানমন্ত্রীর দাওয়াত যদি বিরোধীদলীয় নেতা তাত্ক্ষণিকভাবে গ্রহণ করতেন তাহলেই কেবল তার আন্তরিকতার পরিচয় পাওয়া যেত।
রাজনৈতিক কৌশলের খেলায় বিএনপি খুব সুবিধাজনক অবস্থানে আছে বলে মনে হয় না। মানুষ যেমন সব দলের অংশগ্রহণে একটি ভালো নির্বাচন চায় তেমনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও মানুষের একটি বড় চাওয়া। বিএনপি প্রথমটার ব্যাপারে যতটা সোচ্চার দ্বিতীয়টার ব্যাপারে ততটাই নিরুত্সাহী। তাছাড়া নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের যে দাবি বিএনপি দীর্ঘদিন থেকে করে আসছে, এখন তারা ওই দাবি থেকেও কিছুটা সরে এসেছে বলে মনে হয়। কিন্তু সেটা তারা প্রকাশ্যে বলছে না। তবে আকারে-প্রকারে যেটা বোঝা যায় সেটা হলো, নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে শেখ হাসিনা না থাকলে বিএনপি হয়তো নমনীয় হবে এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবিত সর্বদলীয় সরকারে যোগ দেবে। গোড়ার দিকে এরকম ছাড় দেয়ার মনোভাব হয়তো শেখ হাসিনারও ছিল। তিনি নিজে নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান না থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকারের ওপর সেই দায়িত্ব দেয়ার পরিকল্পনা ছিল বলেই সম্ভবত দলে অনেক প্রবীণ ও অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য থাকা সত্ত্বেও ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে স্পিকার নির্বাচিত করা হয়েছিল। তাকেই অধিকতর বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য মনে করা হয়েছিল। কিন্তু এখন বিরোধী দল পানি বেশি ঘোলা করে ফেলেছে বলে সম্ভবত শেখ হাসিনা নিজেও আর বিরোধী দলের প্রতি নমনীয়তা দেখানোর পক্ষে নেই। বিএনপিকে নির্বাচনে আনার ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে আর কোনো উদ্যোগ নেয়ার সম্ভাবনা কম। আকস্মিক বিশেষ কিছু না ঘটলে সরকার বিএনপির সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতার চেষ্টা চালাবে বলে মনে হয় না। রাজনীতিতে শেষ কথা নেই বলে একটি বাক্য আমাদের দেশে প্রবাদের মতো চালু হয়ে গেছে। এটাই এখন আমাদের শেষ ভরসা।
বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলে আর কোন দল নির্বাচনে অংশ নেবে এবং দেশের অন্যতম একটি বড় দল নির্বাচনে অংশ না নিলে সে নির্বাচন দেশে-বিদেশে কতটুকু গ্রহণযোগ্য হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। বিএনপি নির্বাচনে না গেলে অনেক দলই নির্বাচনে অংশ নেবে না বলে বাইরে প্রচার-প্রচারণা চললেও বাস্তবে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু হলে অর্থাত্ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে পরিস্থিতি এরকম নাও থাকতে পারে। নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন পোলারাইজেশন বা মেরুকরণ ঘটতে পারে। বিএনপি যেমন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে সরকারকে ‘একা’ করতে চাচ্ছে, তেমনি সরকারও বিএনপিকে ‘বিচ্ছিন্ন’ করার চেষ্টা থেকে দূরে থাকবে না- এটাই স্বাভাবিক। রাজনৈতিক ‘ইস্যু’তে মহাজোটে সংকট আছে, মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সর্বদলীয় সরকারে যোগদান এবং বিএনপি ছাড়া নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নে বেঁকে বসে আছেন। আবার বিএনপির ভেতরেও সংকট-সমস্যা কম নেই। বিএনপির অভ্যন্তরেও যেমন নেতায় নেতায় দ্বন্দ্ব-বিরোধ আছে, তেমনি ১৮ দলের শরিকদের মধ্যেও সবাই ‘এক প্রাণ, এক আত্মা’ হয়ে কাজ করছে তা-ও নয়। তাছাড়া বিএনপির ওপরে জামায়াতে ইসলামীর প্রভাব নিয়ে দলের ভেতরে-বাইরে নানা রকম প্রশ্ন ও দ্বিধা-দ্বন্দ্ব আছে। আছে ক্ষোভ-অসন্তোষ ও জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন উচ্চ আদালতের নির্দেশে বাতিল হয়েছে। জামায়াত এখন দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। তাছাড়া জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে মামলা চলছে। কয়েকজনের বিরুদ্ধে দণ্ডও ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সেজন্যই এখন নির্বাচন কোনোভাবেই জামায়াতের প্রধান ইস্যু নয়। জামায়াত বরং চায় দেশের মধ্যে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে মানবতাবিরোধী অপরাধে গ্রেপ্তারকৃত ও দণ্ডিত নেতাদের মুক্ত করতে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকার ক্ষমতায় থাকলে জামায়াত যে কোনো ধরনের সুবিধা পাবে না, সেটা তারা বোঝে। তাই তারা এখন নিজের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য বিএনপির ঘাড়ে সওয়ার হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করেন, বিএনপি এখন জামায়াতের যে ফাঁদে পড়েছে সেই ফাঁদ থেকে বের হওয়া তাদের পক্ষে সহজ হবে না।
যারা মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাস করেন, একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে, তাদের বিচার যারা কামনা করেন তারা কি বিএনপির সহযোগিতা নিয়ে জামায়াত দেশকে যেদিকে নিতে চায় সে পথে দেশকে ঠেলে দিতে সহযোগিতা করবেন? বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিয়ে সরকারকে বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ করলে পরিণামে কোন রাজনৈতিক মতাদর্শের লাভ বা ক্ষতি হবে সেটা বিবেচনার সময় এসেছে। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করার জন্য নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। আবার সেই নির্বাচনে যদি বিএনপি-জামায়াতকে অনুসরণ করে অপরাপর রাজনৈতিক দলও অংশ না নেয় তাহলে দেশের মধ্যে ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। এমনকি একাত্তরের বিজয় হাতছাড়া হওয়ার আশংকাও কেউ কেউ করছেন। সেজন্যই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণ অনিবার্য বলে কোনো বিশ্লেষক মনে করেন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে যাদের অবস্থান যারা জামায়াতের উগ্র সাম্প্রদায়িক-জঙ্গিবাদী রাজনীতি অপছন্দ করেন, যারা বাংলাদেশকে একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চান, তারা বিএনপি-জামায়াতের প্রভাব বলয়ের বাইরে এসে নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সিপিবি-বাসদের মতো বামপন্থি দলগুলো সম-দূরত্বের নীতি নিয়ে নির্বাচন থেকে বাইরে থাকলে কার্যত সেটা যে জামায়াতের রাজনীতির পক্ষেই যাবে- সেটাও নিশ্চয়ই তারা শেষ পর্যন্ত উপলব্ধি করবেন।
বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নিলে গণতন্ত্র অশুদ্ধ হবে বলে যারা মনে করছেন, তারা কি এটা ভেবে দেখেছেন যে, জামায়াতনির্ভর বিএনপি ক্ষমতায় এলে গণতন্ত্রের কি দশা হবে? আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিভিন্ন রায়ের পর জামায়াতকে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে মনে করার যুক্তিসঙ্গত কারণ সম্ভবত আর নেই। বিএনপি ক্ষমতায় এলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে যারা মনে করেন তারা আহাম্মকের স্বর্গে বাস করছেন। কারণ যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত ও দণ্ডিত জামায়াত-বিএনপি মুক্তি দেয়ার অঙ্গীকার বেগম খালেদা জিয়া প্রকাশ্য জনসভায় ব্যক্ত করেছেন।
সামগ্রিক পরিস্থিতি বিচার-বিশ্লেষণ করেই রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের আশা করা হচ্ছে। বিএনপি-জামায়াত নির্বাচনে অংশ না নিলে অন্যসব রাজনৈতিক ধারার দলগুলো যদি নির্বাচনে অংশ নেয়, তাহলে সে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে তেমন প্রশ্ন হয়তো থাকবে না। এখন দেখার বিষয় আওয়ামী লীগ কত বেশি সংখ্যক দলকে নির্বাচনে আনতে পারে। নির্বাচন সুষ্ঠু হবে—সেই নিশ্চয়তা পেলে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিতে পারে। নির্বাচনকে সামনে রেখে আরেকটি বিষয়ের প্রতি সংশ্লিষ্ট সবারই মনোযোগ দেয়া উচিত। নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দলের অংশ নেয়াকে যারা গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের বড় মাপকাঠি হিসেবে প্রচার করছেন, তারা কিন্তু নির্বাচনে সব ভোটারের ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়টি সেভাবে প্রাধান্য দিচ্ছেন না। অথচ এটা কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। আগামী নির্বাচনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটাররা যাতে ভোট কেন্দ্রে যেতে না পারে তার নানারকম ফন্দি-ফিকির করা হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় সংখ্যালঘুদের ঘর-বাড়ি, উপাসনালয়ে হামলা চালিয়ে তাদের মধ্যে ভীতি ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। সংখ্যালঘুরা যদি আগামী নির্বাচনে ভোট দিতে না পারেন, তাহলে সে নির্বাচনও কি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে?
একতরফা চিন্তা-ভাবনা থেকে বেরিয়ে না এলে রাজনৈতিক সংকটের জট খুলবে না। একপেশে দৃষ্টিভঙ্গি পরিহারের সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে। সংকট বাড়ানোর ক্ষেত্রে অবদান না রেখে সংকট কাটাতে যারা ভূমিকা পালন করবেন তারাই দেশাবাসীর সমর্থন ও প্রশংসা পাবেন।
লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট
[email protected]
