দলে পুরনো যারা
বিপ্লব, আমিনুল ইসলাম, রেজাউল করিম রেজা, মামুন মিয়া, বাপ্পী হাসান মুরাদ, তানভীর রানা, ইমরুল হাসান ইমু, সুমন, মিঠুন চৌধুরী, রবিন।
নতুন যোগ দিলেন
মাসুদ রানা, সবুজ কুমার বিশ্বাস (আরামবাগ), অসীম দাস, হাসান আল মামুন, শাকিল আহমেদ (শেখ জামাল), রজনী (মোহামেডান), জুয়েল রানা (মুক্তিযোদ্ধা), রাব্বী (ভিক্টোরিয়া), তৌহিদুজ্জামান (নতুন)।
গত মৌসুমে শেখ জামালে খেলা হাসান আল মামুন, মোহামেডানের রজনী এবার শেখ রাসেলে খেলছেন। তাদের নিয়ে গতকাল দল ঘোষণা করেছে ট্রেবল জয়ী শেখ রাসেল। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলা ফুটবলার রয়েছেন গোলকিপার বিপ্লব, মিঠুন চৌধুরী। এছাড়াও জাতীয় দল থেকে চ্যালেঞ্জ কাপ ফুটবলে খেলা জাতীয় দলের মামুন মিয়া রয়েছেন। শেখ জামাল থেকে শাকিল আহমেদ নাম লিখিয়েছেন এই দলে।
ট্রেবল জয়ী দলটি সাড়ম্বরে বাফুফে ভবনে আসবে। এমন ধারণা ছিল সবার। কিন্তু দলের প্রতিনিধিরা এসেছেন নিরবে। কোনো ঢাকঢোল বাজেনি। কয়েকজন প্রতিনিধি ২০ জন ফুটবলারের ফাইল বোগলদাবা করে ভবনে গিয়েছিলেন। ক্লাব সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক দলের সাথে আসার প্রয়োজন মনে করেননি। ক্লাব সভাপতি ব্যস্ত ছিলেন জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পাওয়ার পেছনে। সেটাতে নাকি সফলও হয়েছেন। তারপর ? এরপর নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন বলে শোনা গেছে।
গতকাল বিকালে দেশি ২০ ফুটবলার রেজিস্ট্রেশন করিয়েছে। কিন্তু খেলোয়াড়দের সাথে আনেনি। না আসার কারণ হিসাবে ক্লাবটির প্রতিনিধি সালেহ জামান সেলিম। তিনি বলেছেন, মৌলবাদের আলাদা দৃষ্টি আছে আমাদের উপর। বোমাবাজির ভয়ে আমরা খেলোয়াড় আনতে পারিনি। এর জন্য ক্লাবের পক্ষ থেকে আমরা দুঃখিত এবং লজ্জিত।’ দলের উপর কোনো হুমকি আছে কিনা তার জবাব দিতে পারেননি তিনি। মোহামেডানের সাথে আপোষ রফা করে জাহিদকে ছেড়ে দিয়েছে শেখ রাসেল। সে প্রসঙ্গে ক্লাব প্রতিনিধি বলেন, জাহিদের জায়গা পূরণ করার মতো ফুটবলার আসছে ফ্রান্স থেকে।
আরো কয়েকজন ফুটবলার রেজিস্ট্রেশন করাবে শেখ রাসেল। আজ সেটা সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে। আজ দলবদলের শেষ দিন। এই দিনে শেখ রাসেল বিদেশি ফুটবলারদেরও রেজিস্ট্রেশন শেষ করবে। দলে বর্তমানে মরক্কো থেকে আসা চারজন এবং জ্যামাইকা থেকে আসা একজন ফুটবলার রয়েছেন। গতকাল উরুগুয়ে থেকে এক ফুটবলারের আসার কথা ছিল।
এবার শেখ রাসেল বিদেশি ফুটবলার নির্ভর দল গড়েছে। ক্লাব কর্মকর্তারা কাল জানিয়েছেন, তারা মৌসুমের সব কয়টি শিরোপা জয় করতে চান। বাজেটের কথা জানতে চাইলে তারা জানিয়েছেন, ৬ কোটি টাকা নাকি ব্যয় হচ্ছে। দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাচ্ছেন গোলকিপার বিপ্লব, ৩২ লাখ টাকা।
