গার্মেন্টস পরিদর্শনে একক মানদণ্ড

আপডেট : ২২ নভেম্বর ২০১৩, ২১:৪৮
ইউরোপ, আমেরিকা ও বাংলাদেশ সরকার আলাদাভাবে প্রায় সাড়ে চার হাজার গার্মেন্টস কারখানা পরিদর্শন করবে। পরিদর্শনের ক্ষেত্রে (অগ্নি ও ভবনের কাঠামো পরীক্ষা) সব পক্ষ একক মনদণ্ড অনুসরণ করবে। বৃহস্পতিবার শ্রম মন্ত্রণালয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে এই অভিন্ন মানদণ্ড ঠিক করা হয়েছে। বৈঠক শেষে শ্রম সচিব মিকাইল শিপার বলেন, সব পক্ষের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে অভিন্ন মানদণ্ড ঠিক করা হয়েছে। ইউরোপের ক্রেতাদের সংগঠন অ্যাকর্ড ও উত্তর আমেরিকার ক্রেতাদের সংগঠন অ্যালায়েন্স প্রায় ২ হাজার ৫০০ কারখানা পরিদর্শন করবে। বাকি আরো প্রায় দুই হাজার কারখানা সরকারের উদ্যোগে পরিদর্শন করা হবে। বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র সদস্যভুক্ত নয় কিন্তু রপ্তানি করে এমন কারখানাও পরিদর্শন করা হবে। ইতিমধ্যে পাইলট ভিত্তিতে সরকার ঢাকার আশ-পাশের কারখানা এক সপ্তাহ আগে থেকে পরিদর্শন শুরু হয়েছে। তিনি জানান, প্রতিটি কারখানা পরিদর্শনের ক্ষেত্রে এক লাখ থেকে সোয়া লাখ টাকা করে খরচ হবে। বৈঠকে বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ আজিম, বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক আলী আহমেদ, বুয়েটের বিশেষজ্ঞদল ছাড়াও অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, তাজরীন ও রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশের কারখানার কমপ্লায়েন্স (কর্মপরিবেশ) যাচাই করতে উদ্যোগ নেয় ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড অন ফায়ার এন্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ। এই জোটে রয়েছে প্রায় ১০০ ইউরোপীয় ক্রেতা প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে উত্তর আমেরিকার ক্রেতারা সমন্বয়ে অ্যালায়েন্স ফর ওয়ার্কার্স সেফটি ইন বাংলাদেশ নামে আলাদা জোট গঠন করে। উভয় জোট কারখানার ত্রুটি পর্যবেক্ষণ করে তা সংশোধন করতে প্রয়োজনে আর্থিক সহায়তা (অনুদান বা ঋণ) দেবে। ইতিমধ্যে উভয় জোট এ জন্য আলাদা তহবিল গঠন করেছে।