দেশে কীভাবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব

আপডেট : ২৩ নভেম্বর ২০১৩, ২১:৫২
নির্বাচন কমিশনই হতে পারে সহজ সমাধান প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, নির্বাচনকালীন সরকার অথবা তত্ত্বাবধায়ক সরকার যে নামেই বলি না কেন তার প্রধান করে এবং তাকে সাহায্য করার জন্য অতিরিক্ত কাউন্সিলর নিয়োগ করে নির্বাচন-পূর্ব সময়ের জন্য দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে। নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক স্বাধীন প্রতিষ্ঠান (বাংলাদেশ সংবিধান, সপ্তম ভাগ, অনু: ১১৮-১২৬)। সেহেতু তার উপর আমরা আস্থা রাখতে পারি। তবে প্রশ্ন হচ্ছে- এটি নিরপেক্ষ কি না? নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব দুই নেত্রীর। সমাধান দুই নেত্রীর আলোচনা। শান্ত হন। ছাড় দিন। দেশকে বাঁচান। মানুষকে মুক্তি দিন। মাকসুদ আলম মাসুদ আইন বিভাগ প্রাইম বিশ্ববিদ্যালয়। আলোচনার মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া সম্ভব নির্বাচন কিভাবে হবে এই দায়িত্ব প্রধান দু্’দলকেই নিতে হবে। এজন্য এত মাতামাতি কেন? আমাদের দেশের নেতা-নেত্রীরা নিজের পকেট ভর্তি করে ক্ষমতার জন্য। দেশকে প্রকৃত অর্থে যদি ভালবেসেই থাকেন তাহলে সব দলকে এগিয়ে আসতে হবে, ছাড় দিতে হবে। আলোচনার মাধ্যমে, সমঝোতার মাধ্যমে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হবে যেখানে সব দল স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। দেশে নিরপেক্ষ লোক পাওয়া যেন দুষ্কর। যে দলই নির্বাচিত হোক না কেন মেনে নেয়ার মত মন ও মানসিকতা থাকতে হবে। রায়হানুল রাকিব বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ, বরিশাল। নির্দলীয় ব্যক্তিকে সরকার প্রধান করতে হবে নির্বাচন ক্ষমতার পালাবদলের অন্যতম মাধ্যম। সুষ্ঠু নির্বাচন জনগণের কাম্য। গণভোটের মাধ্যমে দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। দেশের অধিকাংশ মানুষ যে ব্যবস্থার পক্ষে মতামত দেয় সেই ব্যবস্থার মাধ্যমে নির্বাচন হতে পারে। যদি নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা ঠিক না হয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তাহলে সংঘাত অনিবার্য। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্দলীয় ব্যক্তিকে সরকার প্রধান করতে হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান হওয়ার জন্য অন্যতম আরেকটি শর্ত হলো প্রশাসনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে। সকল দলের মতামত নিয়ে সরকার গঠন করতে হবে। সরকারি দল ও বিরোধী দলকে অবশ্যই নির্বাচনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদল সম্ভব। নাজমুল ইসলাম মামুন বরিশাল সরকারি কলেজ, বরিশাল। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নিরপেক্ষ একজনকে নির্দলীয় সরকারের প্রধান করতে হবে বাংলাদেশ কমবেশি একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বিশ্বের দরবারে পরিচিত। তবে সবসময় সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ধারা এ দেশে বজায় থাকে না। একবার ক্ষমতায় গেলে তারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকে। শুরু করে বিরোধী মতের অনুসারীদের দমন-পীড়ন। জনগণের কথা ভাবার যেন কারো সময় নেই। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সংলাপ জরুরি। এক্ষেত্রে সংলাপের মাধ্যমে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া নির্বাচন কমিশনকে দলীয়করণ না করে সুষ্ঠুভাবে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে দিতে হবে। দেশের সংকটকালে রাজনীতিবিদদেরই সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে। সকল কিছুর উপরে দেশের জনগণের স্বার্থ ও গণতন্ত্র চর্চাকে প্রাধান্য দিতে হবে। এ. এস. সাগর এমএস ইন ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট (২য় সেমিস্টার) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পূর্ববর্তী সহিংসতা-এটা বাংলাদেশে নতুন নয়। একে অন্যকে দোষারোপ করা, পাল্টাপালি কর্মসূচি দিয়ে দেশের মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি করা যেন আমাদের দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে রাজনৈতিক দলগুলো বার বার তাদের নীতি থেকে সরে এসে বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি দিতে দ্বিধাবোধ করে না। এটা কখনও কাম্য নয়। দেশের মানুষ অধীর আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে থাকে একটা সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য। তাদের প্রত্যাশাকে পূরণ করার জন্য প্রয়োজন একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। বর্তমানে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করে দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে একটি স্বাধীন নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন। সব ধরনের দলগত প্রভাব থেকে বের হয়ে এসে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরপেক্ষ লোকদের বসাতে হবে। তবেই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে বলে আশা করা যায়। মোফাজ্জল হোসেন মায়া লেভেল-১, সেমিস্টার-২ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়