গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়
নির্বাচন করলে সুষ্ঠু
নির্বাচন সম্ভব
নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল তাদের নিজেদের অবস্থানে অটল থেকে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে এটাও ঠিক যে এক ধরনের শঙ্কা থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করার সিদ্ধান্তকে একেবারেই ভুল বলা যায় না। কারণ আরেকটি ১/১১ যে আসবে না সেটা ভেবে নেয়াটা অমূলক। এই অবস্থাতে থেকেও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। তবে সেজন্য দরকার সরকারি যে প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে সেগুলোর নিরপেক্ষ ভূমিকা। আর তাদের ভূমিকা নিরপেক্ষ কিনা সেটা বোঝার জন্য দরকার বিশ্বাস। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বর্তমানে যে অবিশ্বাস রয়েছে বা বলা যেতে পারে যে আস্থাহীনতা রয়েছে সেটি দূর করতে হবে। অবশ্যই গণতন্ত্রের যে মূল আবেদন সকলের মত প্রকাশের স্বাধীনতা সেটিকে খারিজ করে দেয়া যাবে না। আর এর সবই হতে পারে যদি রাজনৈতিক দলগুলো সংলাপে আসে। সেখানেই যুক্তি পাল্টা যুক্তি দিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব যা কিনা গণতন্ত্রকে বহাল রাখবে, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে সাহায্য করবে।
ফারাহ্ নাজ নাহার ফিবা
শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।
সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য
প্রয়োজন দু’ নেত্রীর মানসিকতার পরিবর্তন
দু’ নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মানসিকতার পরিবর্তন ছাড়া সংলাপ সম্ভব নয়। আর সংলাপবিহীন নির্বাচন দেশ ও দেশের মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিবে। তবে অবশ্যই সংলাপের রূপরেখা হতে হবে সর্বদলীয় ও তত্ত্বাবধায়ক বিষয়ক। এই দুই দিকের আলোচনার মাধ্যমে একটি সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হবে। দু’ নেত্রী কী জনগণের শান্তি চান? যদি তাই হয়, তাহলে কেন এই সংলাপের নামে পুতুল খেলা? যার কারণে কক্টেল, বোমা বিস্ফোরণ ও অগ্নি দহনে জনগণের প্রাণ হারাতে হচ্ছে। যাদের কারণে এসব প্রাণহানি ঘটছে ক্ষমতায় গিয়ে তারা কি পারবেন মায়ের বুকের সন্তান ও আহাজারিরত প্রিয় হারা স্বজনদের কাছে তাদের হারানো মানিককে ফিরিয়ে দিতে? জানি, পারবেন না। রাজনৈতিক কোন্দলের কারণে মানুষকে জীবন দিতে হবে। ব্যক্তির স্বার্থের জন্য সর্বস্তরের জনগণকে দুর্ভোগ পোহাতে হবে। আর ৫ বছর পর পর সরকার বদল হবে। তাদের ব্যক্তি ও দলীয় স্বার্থ হাসিল হবে। কিন্তু জনগণের ভাগ্যের বদল হবে না। এ থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে গণতন্ত্রের মুক্তি সম্ভব নয়। এ থেকে বেরিয়ে আসতে হলে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের উদারও মহানুভবতার পরিচয় দিতে হবে। আর তখনই নাগরিক সুবিধা থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না। এ কথা মাথায় রেখে বর্তমান সঙ্কট নিরসনের জন্য দেশের মানুষের শান্তির কথা ভেবে দ্রুত সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। আর এই জন্য প্রয়োজন সব দলের অংশগ্রহণ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধান বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মানসিকতার পরিবর্তন।
শফিকুল ইসলাম শামীম
বি.এ (অনার্স) ৭ম ব্যাচ
বাংলা বিভাগ , মিরপুর ক্যাম্পাস
উত্তরা ইউনিভার্সিটি, ঢাকা।
নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনই পারে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে
অন্যান্য দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, আমাদের দেশেও সেভাবে হওয়া উচিত। আগামীদিনে নির্বাচন যাতে অবাধ হয়, সে জন্য নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) শক্তিশালী করা হয়েছে। নির্বাচন চলাকালে স্বরাষ্ট্র ও সংস্থাপন মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকবে। পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নির্বাচন কমিশনের অধীনে থাকবে। এ ছাড়া ছবিসহ ভোটার তালিকা তো আছেই। তবে বিএনপি এখন আবার বলছে, তারা শেখ হাসিনার অধীনে, আওয়ামী লীগের অধীনে নির্বাচনে যাবে না। কিন্তু কেন? সংবিধান অমান্য করার অধিকার বিএনপির নেই। বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব।
সজীব ওসমান
ঢাকা কলেজ ,ঢাকা।
সংবিধানের আওতার
মধ্যেই সুষ্ঠু
নির্বাচন সম্ভব
আন্তর্জাতিকভাবে যেটি চাওয়া, দেশের জনগণের একই চাওয়া তা হলো অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। সংবিধানের আওতার মধ্যেই সেই নির্বাচন সম্পন্ন হবে এবং জনগণ তাদের পছন্দ অনুযায়ী পরবর্তী সরকার নির্বাচিত করবে বলে প্রত্যাশা করছি। জনগণ চায় অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন, সে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন বর্তমান সরকার অবশ্যই সম্পন্ন করতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস। দেশে বিভিন্ন নির্বাচন যেভাবে অবাধ নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনও ঠিক একইভাবে সম্পন্ন হবে। কারণ নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীন ও শক্তিশালী। আর এর স্বচ্ছতা রেখেছে বর্তমান সরকার।
মো: রাকিব হোসেন
হিজলা ডিগ্রী কলেজ
বরিশাল।
