পণ্য আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্কায়ন সংক্রান্ত জটিলতা কমাতে গ্রীন চ্যানেল ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। অনুমোদিত ইকোনমিক অপারেটর (এইও) এই ব্যবস্থায় পণ্য সরবরাহ করতে পারবে। এ জন্য শুল্কায়নের আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন হবে না। এতে পণ্য আমদানি- রপ্তানিতে সময় ও অর্থ দুই-ই সাশ্রয় হবে। তবে এজন্য এইও প্রতিষ্ঠানকে শুল্ক কর্তৃপক্ষ ও ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশনের (ডব্লিওসিও) নিবন্ধন প্রয়োজন হবে। পণ্য উত্পাদনকারী, আমদানি-রপ্তানিকারক, ব্রোকার, ফ্রেইট ফরোয়ার্ডারসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান সুনির্দিষ্ট নিয়ম-নীতি প্রতিপালন সাপেক্ষে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।
এ বিষয়ে উদ্যোক্তাদের অবহিত করতে রবিবার এনবিআর ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের নেতৃবৃন্দের সাথে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। এফবিসিসিআইয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এনবিআর সদস্য (শুল্ক নীতি) ফরিদ উদ্দিন। এফসিসিআই সভাপতি হেলাল উদ্দিন এতে সভাপতিত্ব করেন। সভায় ব্যবসায়ীরা এ পদ্ধতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শুল্ক কর্তৃপক্ষ ও বেসরকারি খাতের মধ্যে বিশ্বাস সৃষ্টি করাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে অভিহিত করেন। তারা বলেন, ইকনোমিক অপারেটর হিসেবে এ পদ্ধতিতে ব্যবসা-বাণিজ্য আরও দ্রুত অর্থ ও সময় সাশ্রয়ী, স্বল্প ডকুমেন্টেশন এবং কাস্টমস-প্রাইভেট সেক্টর-পার্টনারশীপ ব্যবস্থা জোরদার হওয়া প্রয়োজন।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন এনবিআরের প্রথম সচিব ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক আব্দুল হক, গোলাম মাঈনউদ্দিন, আব্দুর রাজ্জাক, কাজী শাহনেওয়াজ, ওবায়দুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মোহাব্বত উল্লাহ, সাফকাত হায়দার, বিকেএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রমুখ।
