প্রতিক্রিয়া

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০১৩, ২১:৫৯
মোহামেডানের ভারপ্রাপ্ত কোচ জুয়েল রানা ম্যাচ হারের কারণ হিসেবে বিদেশি ফুটবলারদের উপর দায় চাপিয়েছেন। তারা ভালো খেলতে পারেনি। তবে কাল আবাহনীর কাছে হারের পেছনে আরেকটা কারণও তিনি তুলে ধরেছেন। সেটা হলো আক্রমণভাগ ছিল নিষ্প্রভ। তিনি নাম না বললেও এমিলি ও জাহিদের দিকেই আঙ্গুল তুলেছেন পরোক্ষভাবে। খেলা শেষে সংবাদ মাধ্যমের সাথে ম্যাচ নিয়ে কথা বলেছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক, ৯৯ সাফ গেমস ফুটবল স্বর্ণপদক জয়ী দলের অধিনায়ক জুয়েল রানা। তিনি কাল হতাশই হয়েছেন। আগের ম্যাচে ৫-২ গোলে রহমতগঞ্জকে হারানো দলটি বড় ম্যাচে গোলই পেলে না। ভাগ্য ভালো কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিটটা আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। মোহামেডান কোচ চেয়েছিলেন আবাহনীকে হারিয়ে মানসিকভাবে চাঙ্গা থাকবে তার দল। সেটা হলো না। এখন গ্রুপ রানার্সআপ হওয়ায় খেলতে হবে শেখ জামালের বিরুদ্ধে। জুয়েল রানা বলছিলেন, ‘আমরা সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পারিনি। যে গোলটা আমরা হজম করেছি সেটা ঠিক হয়নি। গোলদাতা ছিলেন অরক্ষিত।’ জুয়েল রানা বলছিলেন তাদের বিদেশি ফুটবলারদের মানও খুব ভালো না। তিনি বলেন,‘আমাদের বিদেশি খেলোয়াড়দের চেয়ে আবাহনীর বিদেশিরা অনেক ভালো।’ আবাহনীর কোচ অমলেস সেন বলেন, মোহামেডানকে হারিয়ে তাদের খেলোয়াড়দের মনোবল বেড়ে গেল। ম্যাচের প্রথম দিকে কিছুটা নার্ভাস ছিলেন তার দলের খেলোয়াড়রা। গোল করার পর সেটি কাটিয়ে উঠে ভালো অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। মোহামেডানের এমিলি ও জাহিদকে খেলতে দেননি তিনি, ‘পরিকল্পনা ছিল ওদের আটকাতে পারলে ম্যাচ হাতে আসবে, সেটাই আমি করেছি’। ম্যাচের প্রথম গোলদাতা ব্রাজিলীয়ান লুইস রুমলো ক্যাস্ট্রো বলছিলেন তিনি নাকি পাঁচ মাস পর ফুটবল খেলতে নেমেছেন। সময় গেলে আরো ভালো খেলা উপহার দেবেন দর্শকদের। এটাই জানিয়ে গেলেন এই স্ট্রাইকার।